
ডেটলাইন: পর্ব ৪৮
‘আমাদের দলে ছিল এক এক্সপার্ট ট্রাভেল ব্যবসায়ী, আগে বহুবার এসেছে ভেগাসে। সে দাবি করল, সে নাকি যতবারই ক্যাসিনোতে খেলেছে, ততবারই বিরাট টাকা জিতেছে। এরকম আমি আগে শুনেছি ভেগাস ফেরত লোকজনের মুখে, তাই বিশ্বাস করলাম না মোটেও।’

‘আমাদের দলে ছিল এক এক্সপার্ট ট্রাভেল ব্যবসায়ী, আগে বহুবার এসেছে ভেগাসে। সে দাবি করল, সে নাকি যতবারই ক্যাসিনোতে খেলেছে, ততবারই বিরাট টাকা জিতেছে। এরকম আমি আগে শুনেছি ভেগাস ফেরত লোকজনের মুখে, তাই বিশ্বাস করলাম না মোটেও।’

‘সে যাকগে, আমরা ফাটাকেষ্ট, হাতকাটা ছোটন, শ্মশান স্বপন, এসব নাম শুনে অভ্যস্ত। ওইসব সাহেবি অপরাধীদের নাম শুনিনি কস্মিনকালেও।’

‘‘কুয়াশা ছাড়া আর যে-রহস্য সান ফ্রান্সিসকোতে ট্যুরিস্টদের অবাক করে দেয়, তা হল যখন-তখন কনকনে ঠান্ডা হাওয়ার দাপট। এটা নিয়েও বেশ গর্বিত এখানকার মানুষ। এটা নাকি প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা। যাকে পরিবেশ বিজ্ঞানের ভাষায় ‘চিমনি এফেক্ট’ বলা হয়। কুয়াশার নেপথ্যে যে কারণ, এর পিছনেও তাই।’’

‘‘আমাদের পেছনে বসেছিলেন এক ফিলিপিনো প্রৌঢ়, তিনি শান্ত গলায় বললেন, ‘এটা আমার থার্ড দিন, এই ফ্লাইটে যেতে পারলাম না।’ শুনে তো আমাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া। কলকাতা স্টাইলে আমরা চড়া গলায় জানতে চাইলাম কাউন্টারের মহিলার কাছে, ‘ফ্লাইট ছাড়বে কখন?’’’

‘‘কথার কিন্তু নড়চড় হয়নি একদিনও। যত জটিলই হোক সেই কাগজ তৈরির পদ্ধতি, নিউ ইয়র্ক-কলকাতা-নিউ ইয়র্ক-লং আইল্যান্ড চেন ছিল পারফেক্ট। নিউ ইয়র্কে বসে লেখা হচ্ছে খবর, তোলা হচ্ছে ছবি, পাঠানো হচ্ছে কলকাতায় ‘আজকাল’ দপ্তরে লে আউটের জন্য।’’

‘দফায়-দফায় চাঁদা তুলে মূর্তি তৈরি তো হল, ১৮৮৪ সালে প্যারিসে সেটি তুলেও দেওয়া হল মার্কিন প্রতিনিধির হাতে। কিন্তু মূর্তির বেদী তৈরি হয়নি তখনও, ফান্ডও নেই। রীতিমতো ক্রাউডফান্ডিং করে টাকা তোলা হল। ১৮৮৬-র ২৮ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ক্লিভল্যান্ড জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন স্ট্যাচু অফ লিবার্টি।’

“নাসা চত্বরে আরও দুর্ধর্ষ সব দেখার জিনিস রয়েছে। এয়ারপোর্টে যেমন প্লেনের হ্যাঙার থাকে, এখানেও তেমন আছে। সেখানে স্পেস শাটল থেকে রকেট সব দেখতে পাবেন। যত ইচ্ছে ছবি তুলুন, নিজেকে মহাকাশচারী কল্পনা করে পোজ দিন। এমনকী একসময়ে সত্যি মহাকাশযাত্রা করেছে, ‘অ্যাপোলো’ ১৭-র মতো যানও রাখা আছে।”

ক্লাস থ্রি-তে পড়াকালীন গোয়েন্দা রিপ আর অরণ্যদেবের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। কিছুদিনের মধ্যেই এগুলো পড়তে বেশি সময় লাগত না, আর তখন চোখ এদের কাছ থেকে স্লিপ

‘দেবীর কীসে আগমন আর কীসে গমন, তা মা পঞ্জিকা দেখে বলত। ফল শস্যপূর্ণবসুন্ধরা না ছত্রভঙ্গ। কিন্তু পুজো আসতে আসতেই ফিনিশ। এই কলাবউ স্নান-বোধন হল, সপ্তমীতে কুলকাঠের আগুন জ্বলল মণ্ডপের পাশে। তাই দিয়ে আমরা দেদার দোদমা আর চকলেট বোম ফাটিয়ে কোটা শেষ করে ফেললাম।’

‘সবাই শত্রুপক্ষ। ঢাকিটা পাড়ার প্যান্ডেলে মরার মতো ট্যাং ট্যাং করে চলেছে, হাত যেন চলেই না। অন্যান্য পাড়ার ঢাকিদের দেখো কেমন তেড়েফুঁড়ে গোল হয়ে ঘুরে নেচে-নেচে বাজাচ্ছে, ঢাকের পেছনে লাগানো পেখমের মতো ঝালর দুলিয়ে— মনে পড়েছে, পাখিটার নাম পিকক, কাত্তিকের বাহন!’

“‘হীরের আংটি’-তে ব্যাপারটা এই প্যাটার্নের থেকে খানিক আলাদা। এখানে যে বাইরে থেকে আসছে, সে নিশ্চিতভাবেই ওই পরিবারের কেউ নয়। এমনকী, যে পরিচয় নিয়ে সে আসছে, সে প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তিও নয়, অর্থাৎ একধরনের ছলনা রয়েছে তার পরিচয়ের মধ্যেই।”

‘শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস অনেকটা দাঁতের লড়াইয়ের ইতিহাস। বুদ্ধের দাঁত এনেছিলেন কলিঙ্গ থেকে হেমা মালি বলে একজন রানি। সেটা প্রথমে ছিল অনুরাধাপুরমে, তারপর পোলোনারুয়ায়, তারপর এখন ক্যান্ডিতে। ক্যান্ডি লেকের ধারে রাজার প্রসাদ। তার মধ্যে বুদ্ধের দাঁতের ওপর তৈরি হয়েছে মন্দির।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.