
ক্যাসেট কথা: পর্ব ১২
পল সাইমন এবং আর্ট গারফাঙ্কেল— মধ্য-পঞ্চাশের দশক থেকে ১৯৭০ অবধি একের পর এক অসাধারণ গানের সৃষ্টিকর্তা এই যুগলবন্দির রেখে যাওয়া কিছু ক্লাসিক গানের কথা আর সুর নিয়ে আলোচনা।

পল সাইমন এবং আর্ট গারফাঙ্কেল— মধ্য-পঞ্চাশের দশক থেকে ১৯৭০ অবধি একের পর এক অসাধারণ গানের সৃষ্টিকর্তা এই যুগলবন্দির রেখে যাওয়া কিছু ক্লাসিক গানের কথা আর সুর নিয়ে আলোচনা।

যখন হাত দিলেন ছোটগল্পে, তখন কল্পনার জগতকে সরিয়ে রেখে, নেহাতই বাস্তব পারিপার্শ্বিককে বেছে নিলেন গল্প শোনাবার পটভূমি হিসেবে।কাহিনির আকৃতিকে তিনি বেঁধে রাখলেন নির্দিষ্ট একটি সীমায়।জোর দিলেন কাহিনির বুননে। সত্যজিতের ছোটগল্প হয়ে উঠল অনন্য।

‘গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে মনোনীত হয়েছে তিন ভারতীয় শিল্পীর সঙ্গীত। এঁরা স্বাধীন শিল্পী অর্থাৎ কিনা, এঁদের মাথার উপর বড় সংস্থা বা প্রযোজকের ছাতা নেই। অথচ যাঁদের সেই খুঁটির জোর আছে, তাঁদের গান গ্র্যামির জন্য জমা পড়ে না।’ ভারতীয় সঙ্গীত জগতে বৈপরীত্য।

ইরানে বলা হচ্ছে, অন্য জন্তুর প্রতি ভালবাসা খরচা করে মানুষ তার হৃদয়স্থিত প্রেমের অপব্যবহার করছে, কারণ ওই শুদ্ধ আবেগ মানুষের আধারে প্রদত্ত হয়েছে তো পরিবারের অন্য সদস্যদের, গোষ্ঠীর অন্য মানুষের প্রতি ধাবিত হবে বলেই। তাই পোষ্য রাখার অভ্যাস ‘ক্ষতিকর সামাজিক সমস্যা’।

এ যুগের গণধোলাই — ট্রোলিং। তবে এবার কাজটা আরও সহজ; কোনো কায়িক পরিশ্রম নেই, হাঁপানির চিন্তা নেই, পাল্টা মার খাওয়ার ভয় নেই। আড়াল থেকে ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদের মতো, মানুষকে আঘাত করার এ এক অনন্য পদ্ধতি। লাগামছাড়া ট্রোলিং ভাইরাস।

হেমন্তের পরে যে শীতের বিষণ্ণতা ঘিরে থাকে, সেই সময় জীবনানন্দের কবিতা খুব বেশি করে মনে পড়ে। তিনি যেন সবার বিষণ্ণতার পাহারাদার। সবার বিষণ্ণতার দায় তিনি নিয়েছেন আর কবিতা দিয়ে পূর্ণ করেছেন সেই বিষণ্ণতাকে। সেই না-দেখা কবির কবিতা আশ্রয় দিক আমাদের জন্ম-জন্মান্তেরের বিষণ্ণতাকে।

গানে কান্না-সিলিন্ডার উঠছে, এবং সামনের পার্কে ইউএফও নামছে। আর গল্পে, জ্যাক আর জিল পাহাড়ের চুড়ো থেকে জল আনতে গিয়ে, হোঁচট খেয়ে গড়িয়ে একদম নীচে পড়ে যাওয়ার পর, জিল যদি-বা উঠতে পারে, জ্যাক কিছুতেই আর পারে না। তার কোমর ভেঙে গেছে। তাহলে তার ভাগ্যও কি ভেঙে গেল

‘ছলনা ব্যাধের সঙ্গী। যেরকম রুমাল, তোমার।/ ফেলে কবে গেছ আর তারই সুগন্ধের জেরে আমি/ এ-শহরে বাসা নিই। আসলে শিকার হই তার…/ যে-নিজরহস্য নিয়ে আজও অরণ্যের অনুগামী।’ নতুন কবিতা।

‘মুঘলরা আমদানি করলেন আরও হরেক কিসিমের মিষ্টি— জিলিপি, অমৃতি, গুলাব জামুন, আরও কত কী, আর ইরানের ‘কুলফি’-র ভারতীয়করণও তাঁরাই করলেন, সে-কাজে ব্যবহৃত হল এ-দেশের উৎকৃষ্ট দুধে পেস্তা জাফরান, ইত্যাদি মিশিয়ে হিমালয়ের বরফ অথবা সোরা, অর্থাৎ সল্টপিটার, দিয়ে রেফ্রিজারেশনের কৃৎকৌশল।’ মধ্যযুগে বাংলার মিষ্টি।
‘ধ্বংস’ নামের কাব্যগ্রন্থ থেকে পড়া কিছু কবিতা। মিথ্যা সম্প্রীতির জাল ভেঙে বেরিয়ে আসা সময়ের কিছু লেখা, যুদ্ধ পরিস্থিতির কবিতা।

‘তেলেভাজা কবে, এবং কীভাবে, বঙ্গদেশে জনসাধারণের জনপ্রিয় জলখাবার হয়ে উঠল, বিশেষত উনবিংশ শতাব্দীর জাত-পাত, ছোঁয়াছুঁয়ি, পাপপুণ্য, সাত্ত্বিক-নিরামিষাশী প্রভৃতি নিয়ে ব্যতিব্যস্ত, কুসংস্কারাচ্ছন্ন বঙ্গদেশে? কালীপ্রসন্ন সিংহ-এর ‘হুতোম প্যাঁচার নক্শা’য় (প্রথম প্রকাশিত ১৮৬১) কলকাতায় তেলেভাজার ঠিকানা মেলে না।’ তেলেভাজার একাল-সেকাল।

‘বিবাহ প্রাথমিক ভাবে যৌন চুক্তি, ফলে এক কুমার ও এক কুমারীর বিয়ে হবে, তারা প্রথম যৌনতার স্বাদ পাবে পরস্পরের কাছ থেকে, শয্যাতুলুনিতে রক্ত দেখে মেয়ের ব্যাপারটায় আত্মীয় ও প্রতিবেশীরাও নিশ্চিত হবে (কারণ তার সতীত্বই বেশি গুরুত্বপূর্ণ), এরপর বাচ্চা হবে এবং কোনও সন্দেহই থাকবে না এটি কার বাচ্চা।’ বিবাহের উদ্দেশ্য।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.