
সং স্টোরি শর্ট : পর্ব ৭
২০০৫ সালে ব্যাঙ্গালোরে বসে লেখা এই গান। কলকাতার প্রতি, নিজের শহরের টান, এই গানের মধ্যে ফুটে ওঠে। আর ফুটে ওঠে মায়ের কাছে ফেরার বাসনা। কোথাও একটু অভিমানও হয়তো-বা। ২০১৮ সালে সৃজিত মুখার্জি তাঁর ‘উমা’ ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করেন।

২০০৫ সালে ব্যাঙ্গালোরে বসে লেখা এই গান। কলকাতার প্রতি, নিজের শহরের টান, এই গানের মধ্যে ফুটে ওঠে। আর ফুটে ওঠে মায়ের কাছে ফেরার বাসনা। কোথাও একটু অভিমানও হয়তো-বা। ২০১৮ সালে সৃজিত মুখার্জি তাঁর ‘উমা’ ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করেন।

মা বললেই কান্না পেয়ে গেলে, আধুনিক ছবি করা শক্ত, অন্তত আউটসাইডার-উত্তর যুগে। এই মাঝামাঝি-কাটিং ছবি বলেই বোধহয় খুব বিখ্যাত হয়েছে এই ফিল্ম, এবং সেজন্যেই আরও সন্দেহের চোখে দেখা উচিত যে কোনও মাঝ-আকাঙ্ক্ষী প্রয়াসকে।

‘টিভির পূর্ণ সমাধির পর জেঠুর হাতের নাগালে থাকত একটা ট্রানজিস্টর রেডিও। তার ব্যাটারি গলে গিয়েছিল। জল-রস বেরিয়ে পড়েছিল। জেঠুর চোখের মতো। আমি সরিয়ে-সুরিয়ে, আলাদা বাক্সে ব্যাটারি ফিট করে, তার জুড়ে, টেপ মেরে চালু করে দিয়েছিলাম।’

অনেক সময় গরিবের এক-একটা অভ্যাসকে তুলে নিয়ে ফ্যাশনে বসালে, তা হয়ে ওঠে নতুন হুজুগ । চিনে মাঝিরা খাবার না পেয়ে নদীর নুড়ি চুষতেন, তা হালে চিনের এক জনপ্রিয় খাবার। তবে, দরিদ্রদের ব্যাপারটা থেকে নিলেও, ইতিহাসটা কদিন পর খসে যায়, ফ্যাশনটাই শুধু থাকে।

শিল্প চিরকালই ফ্যাশন থেকে নিত্য জীবনযাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে। সম্প্রতি সুইডেনে বেয়নস-এর অনুষ্ঠানে এত টিকিট বিক্রি হল, সেই জন্য হোটল ও অন্যান্য ব্যবসায় এমন প্রভাব পড়ল যে সুইডেনের মূদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেল। শিল্প আর অর্থনীতি সরাসরি যুক্ত, প্রমাণিত হল।

‘ট্রেনে বস্ত্রহরণের সময় কেউ বাধা দেয়নি, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কারণ ভারতীয়রা সাধারণত খুন বা ধর্ষণে বাধা দেয় না, অপরাধীর স্বাধীনতায় খুব বিশ্বাস করে। কৌরব রাজসভার মতো জায়গাতেও এক সম্রাজ্ঞীর বস্ত্রহরণে কেউ বাধা দেননি, তাই এ আখ্যান আমাদের চেনা।’

এ ধরনের ছবি সাধারণত ঘটনার ঘনঘটার উপর নির্ভর করে না, বরং মানুষের জীবনের ঘটনাহীনতাকেই বারবার উপস্থাপিত করে। এই ছবিতে কিন্তু বহু ঘটনা আছে। এবং সাসপেন্স। নিরাভরণ ও মায়াময় এক ছবির আখ্যান ‘রেড রকেট’।

২০১৮ সালের প্রাগ শহর। ফুটবল বিশ্বকাপ চলছে। একদিকে জার্মানির হার, অন্যদিকে বারংবার বরফ খেতে-খেতে গলায় ব্যথা— এই দুই অনুভূতি মিলিয়ে লেখা হল ‘শরীর ভালো নেই’। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবিতে এই গান শোনা যাবে।

দাসপাড়াতে গোলাপি রঙের কুয়াশা ভেসে বেড়ায়। অলিগলি দিয়ে মা হারা বাছুরের মতো কেঁদে বেড়ায়। বছর কুড়ি আগে এখানে প্রচুর পুকুর ছিল। সেগুলো বুজিয়ে ফেলে তৈরি হয়েছে মানুষের বাসস্থান, কুৎসিত দেখতে ফ্ল্যাটবাড়ি। তারপর থেকে বিকেল থাকতেই কুয়াশা।

এক আমলা তাঁর মোবাইল জল থেকে তুলতে জলাধারের ৪০ লক্ষ লিটার জল বের করে দেন। কিশোরীকে ছুরি মেরে ও পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করে যুবক প্রকাশ্যে। কেউ ফিরেও তাকায় না। এ দেশে আমরা নেতাদের ভুল ধরতে খুব ব্যস্ত, কিন্তু নিজেরা কি সমান নির্বিকার নিষ্ঠুর নই?

এমন ভয়াবহ অতিমারীর পর যে প্লেনে চড়ে ফের বিদেশ যাব, এ কল্পনাতীত ছিল। কিন্তু কোভিড কাটতে না কাটতেই অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার সুযোগ হল। সূবর্ণসুযোগও বলা চলে, কারণ কপালে জুটল সিডনি অপেরা হাউসে বলে ফ্রেঞ্চ অপেরা দেখার সৌভাগ্য।

সদা-প্রস্তুত এক মজা-মেশিন, যা তোমার নিমিত্ত এনেছে ক্রিকেট খেলার বেধড়ক সাসপেন্সের নির্যাসটুকু, যাতে খানদানি ক্রিকেটীয় শটও আছে, চামচের মতো বল তুলে উইকেট-কিপারের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কাও আছে। আপিএল মাহাত্ম্য।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.