
সামথিং সামথিং : পর্ব ৫৩
‘২০০৮-এ, রাজতন্ত্র জিনিসটাকেই নেপাল বাতিল করে দেয়। রাজপ্রাসাদ ছেড়ে জ্ঞানেন্দ্রকে চলে যেতে হয়। তারপর ১৩টা সরকার এসেছে, এবং নেপালের বহু লোকজনের এবার মনে হচ্ছে, ধুর, এর চেয়ে রাজা থাকাই ভাল।’

‘২০০৮-এ, রাজতন্ত্র জিনিসটাকেই নেপাল বাতিল করে দেয়। রাজপ্রাসাদ ছেড়ে জ্ঞানেন্দ্রকে চলে যেতে হয়। তারপর ১৩টা সরকার এসেছে, এবং নেপালের বহু লোকজনের এবার মনে হচ্ছে, ধুর, এর চেয়ে রাজা থাকাই ভাল।’
শিল্প কার? স্রষ্টা’র না ভোক্তা’র? প্রকাশিত হওয়ার পরে; এমনকী আগেও তাঁর শিল্পকর্মের উপর পূর্ণ অধিকার স্রষ্টার আদৌ থাকে কি ? ভাল না খারাপ— সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কি তখন শুধুই জনতার?
‘গোলাগুলির ভয়ে আমরা/ বেরোলামই না হোটেল থেকে।/ মাতাল ছেলেদের হৈ হুল্লোড় শুনে/ ভাবলাম মিছিল আর স্লোগানের কথা।/ সারা রাত আমাদের ভারী পর্দার পিছনে,/ কাচের লম্বা জানলার ওপারেই কেটে গেল।’

‘যে-ব্যাপারগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে আমরা মনে করি, সেগুলোকে যে প্রশ্ন করা উচিত, এবং করলেই যে দেখা যাবে আমরা কিছু উৎকট ধারণাকে সত্য বলে জেনে তার ন্যাজ ধরে ঝুলছি— এই উন্মোচন ছবিটার অন্যতম উদ্দেশ্য।’

‘একযোগে জীবনসঙ্গী ও সহযোগী সম্পাদককে পেয়ে গেলেন ডেউইট। ঠিক হল, তাঁরা নিজেরাই বের করবেন ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’। ১৯২১ সালের অক্টোবরে বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়লেন লায়লা ও ডেউইট। নিউ ইয়র্ক সিটির ঠিকানায় তৈরি হল রিডার্স ডাইজেস্ট অ্যাসোসিয়েশন।’
কথা আর ছবির মেলবন্ধনে পৌঁছে যাই না-যাওয়া দেশে, ‘দূরপাল্লা’র জানালা দিয়ে আমরাও উঁকি দিই বহির্বিশ্বে। এবারের পর্বে রইল উত্তর আমেরিকার নিউ ইয়র্কে ‘স্ট্র্যান্ড বুকস্টোর’ থেকে ভার্জিনিয়ায় ‘লুরে গুহা’ দেখতে যাওয়ার গল্প।
রাষ্ট্রের নিপীড়নে দমে না গিয়ে নিজেদের স্বাধীন ভাবনাচিন্তার পরিসরকে চালু রাখছেন, তৈরি করছেন সমান্তরাল এক রাষ্ট্র যেখানে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন, কৌতূহলী, দরদি মানুষদের ভিড় বাড়ছে— তাঁরাই আজকের প্রকৃত বিশ্ব-নাগরিক।
‘তিনি কি ভেবেছিলেন একজন মানুষ যখন নিজের অস্তিত্বের চেয়েও তার দেশের মানুষকে বেশি ভালবাসে তখন সে সেই প্রেমের জোরেই অপরাজেয় হয়ে যায়? তিনি কি সত্যিই মনে করেছিলেন মৃত্যুটা এমন কিছু ব্যাপার নয়, লড়াইটা তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ?’

‘চিন-ভারত যুদ্ধের পর নেহরু মানসিক ভাবে তো বটেই, শারীরিক ভাবেও ভেঙে পড়ছিলেন। চৌষট্টি সালের সাতাশে মে নেহরু মারা গেলেন, আর তার প্রায় পাঁচ মাস পর ষোলই অক্টোবর চিন প্রথমবারের জন্য পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায়।’

‘এ-বয়সে এসে আমার লুকোচুরির জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিজেরই লেখা। অন্য কেউ তো খেলায় নেয় না, সেসব বন্ধুদের সঙ্গেও যোগাযোগ নেই আর, কবেই ছেড়ে চলে এসেছি সেই পুরনো পাড়া, পুরনো বাড়ি। কিন্তু লুকোচুরিটা ছাড়িনি।’

শিল্পমনস্ক বাঙালি দীর্ঘদিন ধরেই ‘জলসাঘর’ নামটার সঙ্গে পরিচিত। সে তারাশঙ্করের ছোটগল্পেই হোক বা সত্যজিতের সিনেমায়। সেসব পার করে বছর চারেক আগে আরও একবার এই নামে লেখা হল গান; বাঙালি জীবনের নস্টালজিয়াই যে-গানের মূল বক্তব্য।

আপাতদৃষ্টিতে অসংলগ্ন কিছু দৃশ্যকল্প— কিন্তু তার মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠছে একটা জাতির ইতিহাস, ফুটে উঠছে তার সম্পূর্ণ অবয়ব। কবি উৎপলকুমার বসুর সেইসব কবিতা আজও আমাদের সকল সুখ-দুঃখের সাথী।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.