সং স্টোরি শর্ট : পর্ব ১৫
পুজো মানেই শরতের নীল আকাশ, কাশবন, ঢাকের আওয়াজ। পুজো মানেই বাংলার বাইরে থাকা বাঙালির কাছে ঘরে ফেরার ডাক। প্রবাসীর মনের সেই আকুতির কথাই ফুটে ওঠে ‘আগমনীর গান’-এ।
পুজো মানেই শরতের নীল আকাশ, কাশবন, ঢাকের আওয়াজ। পুজো মানেই বাংলার বাইরে থাকা বাঙালির কাছে ঘরে ফেরার ডাক। প্রবাসীর মনের সেই আকুতির কথাই ফুটে ওঠে ‘আগমনীর গান’-এ।
মোবাইল ফোনের ব্যবহার, বিশেষজ্ঞদের মতে শিশুমন ও মস্তিষ্কে তো বটেই, প্রাপ্তবয়স্কদের মনঃসংযোগের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট প্রভাব ফেলে । কিন্তু শিশুদের কেবল বকাঝকা করে একটা অনিবার্য বাস্তব থেকে দূরে রাখলে তাদের আদর্শ বেড়ে ওঠা হবে কি?
দিনের আলো নিভু নিভু হলে, লেক মিশিগান-এর জলে আশেপাশের অট্টালিকার প্রতিফলন দেখে মনে হয় অসংখ্য প্রদীপ ভাসছে; সেই মনোরম পরিবেশে এক-সন্ধের আলাপও যেন বহুকালের বন্ধুত্ব। এবারের ‘দূরপাল্লা’-য়
ডাউনটাউন শিকাগোর গল্প।

‘সব ছাপিয়ে থেকেছে পরিচালকের এই স্বর: চারিদিকে যা ঘটছে বলে তুমি ভাবছ, তা আদৌ ঘটছে তো? না কি, ঘটছে বলে তোমায় ভাবানো হচ্ছে? যে খবর তোমায় দেওয়া হচ্ছে, তা সত্য, না অর্ধসত্য, না পুরো মিথ্যে?’

‘মেয়েটি মুকুট জলে ফেলে দিয়ে ফেরে/অবসাদ তার কপালের আলপনা।/ সানাই রঙের সন্ধের জঙ্গলে/ তার কাজ ছিল ঝিঁঝিঁর শব্দ গোনা।/ এখন সে একা হাঁটছে যে-পথে সোজা/ সেখানে প্রেমিক, আঙুলে জোনাকি নিয়ে/ অপেক্ষা ক’রে বসে নেই, সেও জানে।/ তারও স্পর্ধার আজ বাদে কাল বিয়ে।’

‘প্রথম পয়েন্ট হল— ভাল, খারাপ ভীষণ সাবজেক্টিভ একটা ব্যাপার। দ্বিতীয় পয়েন্ট, শিল্পের ক্ষেত্রে যদি ধরে নিই, যা কিছু শাশ্বত তা ভাল, তাহলে বলো কালিদাস কেমন মানুষ ছিল? বলো শেক্সপিয়র কেমন মানুষ? যামিনী রায়? বাখ? পিকাসো? দালি? সত্যি কি ম্যাটার করে?’
কঙ্গনা রানাওয়াত সম্প্রতি তাঁর বিরূপ মন্তব্যের জন্য চড় খেলেন, যাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঝড় উঠল। তাহলে আমরা কি বাক্স্বাধীনতার অর্থ ভুলে গেছি? প্রশ্ন জাগে, প্রতিবাদের ভাষা কি তাহলে একমাত্র আঘাত? এর নামই কি প্রগতিশীলতা?

যাঁর কবিতা এক শহর থেকে আরেক শহরে যাত্রাপথের সঙ্গী হয়েছে বারংবার, এক রাত জাগা থেকে অন্য আরেক রাত জাগায় বন্ধুর মতো পাশে থেকেছে— সেই কবিরই শহরে বসে তাঁর কবিতা পড়া। আনন্দ-বিষাদ-একাকিত্ব কবিতায় মায়া দিয়ে বুনেছিলেন তিনি, সিলভিয়া প্লাথ।

‘রাশিয়ানরা কখনও ট্রেনে করে শিল্প প্রদর্শনী দেশময় ঘোরাচ্ছে, যেখানে কমিক্সও আছে, আর কখনও মাগনা কমিক্স পড়তে দিচ্ছে, যাতে বাচ্চাগুলো বিনোদনের টানে মনে করে ইউক্রেনীয় মানুষদের মারলে পৃথিবীর উপকার করা হয়।’
গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকের কাছে এক ব্যক্তি একটা প্রশ্ন করলেন, ভুল উচ্চারণ-সহ। গায়ত্রীদেবী শুধরে দিতে গেলে, প্রশ্নকর্তা এই বিষয়টাকে বললেন ‘ছোটখাট ব্যাপার’। আবারও সেই ভুল উচ্চারণেই তিনি প্রশ্নটা করলেন। এমনকী বোঝাতে চাইলেন, অন্যায়টা গায়ত্রীদেবীরই।

টেনেসির জনবহুল রাজধানী, মার্কিন ইতিহাস-শিল্প-সাহিত্য অনুরাগীদের কাছে অবশ্যগন্তব্য; তবে বিশ্বজুড়ে সুরপ্রেমীদের কাছে সে কান্ট্রি মিউজিক-এর মক্কা— ন্যাশভিল। এবারের ‘দূরপাল্লা’-র ডায়েরিতে, ন্যাশভিলের সুরেলা স্মৃতির কথা।

‘পেশায় যে-শিবপদ একজন বাতিবাবু, যাঁর কাজ খনিশ্রমিকদের আলো দেখানো, পিকনিকযাত্রার মধ্যে দিয়ে তিনি যেন সেই আলোই নিজের এবং পরিবারের সবার জীবনে ফেললেন। আমরা আনন্দে-উত্তেজনায় আলোকিত হয়ে উঠতে দেখলাম প্রত্যেককে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.