Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৪০

‘জুলাইয়ের ফুরফুরে বিকেল। যে-বিকেল ফুরোয় না। আমরা পুবের লোক। আমাদের দেশে ছ’টা-সাড়ে ছ’টায় অফিসবাবুর মতো নিয়ম মেনে সূর্য অস্ত যায়। যত পশ্চিমে যাই, ঘড়ির কাঁটা আটটা ছুঁলেও সূয্যি ডোবে না, এ আবার কেমন অনাচার?’

Representative Image

ডেটলাইন পর্ব: ৩৯

‘‘কথার কিন্তু নড়চড় হয়নি একদিনও। যত জটিলই হোক সেই কাগজ তৈরির পদ্ধতি, নিউ ইয়র্ক-কলকাতা-নিউ ইয়র্ক-লং আইল্যান্ড চেন ছিল পারফেক্ট। নিউ ইয়র্কে বসে লেখা হচ্ছে খবর, তোলা হচ্ছে ছবি, পাঠানো হচ্ছে কলকাতায় ‘আজকাল’ দপ্তরে লে আউটের জন্য।’’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩৮

‘শেষ পর্যন্ত সবার পাত আলো করে পড়ে আছে ঐ বিচিত্র ডেলিকেসি। ভাগ্যিস আলো আঁধারিতে মালুম হচ্ছে না খাবার নষ্টের বহর! হোটেলে ফিরে চানাচুর খেতে-খেতে আমার বন্ধু বলেছিল, ’কী যে করে! এত দামী জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কী দরকার ছিল?’

Representative Image

ডেটলাইন:পর্ব ৩৭

‘দফায়-দফায় চাঁদা তুলে মূর্তি তৈরি তো হল, ১৮৮৪ সালে প্যারিসে সেটি তুলেও দেওয়া হল মার্কিন প্রতিনিধির হাতে। কিন্তু মূর্তির বেদী তৈরি হয়নি তখনও, ফান্ডও নেই। রীতিমতো ক্রাউডফান্ডিং করে টাকা তোলা হল। ১৮৮৬-র ২৮ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ক্লিভল্যান্ড জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন স্ট্যাচু অফ লিবার্টি।’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩৬

“দাদা বললেন, ‘আমরা বিদেশি হওয়ায় বেঁচে গেলাম। দালালের কাছ থেকে টিকিট কিনে যদি কোনও আমেরিকান ধরা পড়ত, নির্ঘাত পুলিশে দিত।’ সকাল থেকে ঠা ঠা রোদে এই ঝকমারির দুঃখ ভুলে হাঁফ ছাড়লাম, যাক বাবা, বিদেশে জেল তো খাটতে হল না!”

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩৫

“নাসা চত্বরে আরও দুর্ধর্ষ সব দেখার জিনিস রয়েছে। এয়ারপোর্টে যেমন প্লেনের হ্যাঙার থাকে, এখানেও তেমন আছে। সেখানে স্পেস শাটল থেকে রকেট সব দেখতে পাবেন। যত ইচ্ছে ছবি তুলুন, নিজেকে মহাকাশচারী কল্পনা করে পোজ দিন। এমনকী একসময়ে সত্যি মহাকাশযাত্রা করেছে, ‘অ্যাপোলো’ ১৭-র মতো যানও রাখা আছে।”

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩৪

‘লন্ডনের রাস্তায় প্রাচীন লোহার ঢাকনার কাছে কান পাতলে, আমি শুনতে পাই টেমসের জলস্রোতের শব্দ। আমেরিকার অনেক শহরে একটুকরো শিল্পকর্ম খোদাই করা থাকে ওই ঢাকনার ওপর। বহু জায়গায় লেখা থাকে মেড ইন ইন্ডিয়া। হিউস্টনেও ফুটপাথে নজর করে দেখলাম, ভারতে তৈরি এই লোহার ঢাকনা।’

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩৩

‘আমেরিকার চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপাখানা যে সময়ের ব্যাপারে কী ভয়ঙ্কর কড়া, মিনিট গুনে চলে, সেটা বারবার টের পেয়েছি হাড়ে-হাড়ে। মেশিন বন্ধ মানে বন্ধই, নির্ধারিত সময়ে পিডিএফ না দিতে পারলে সেরাতের মত নো ছাপা।’
‘ডেটলাইন’ পর্ব। ৩৩

Representative Image

ডেটলাইন: পর্ব ৩১

‘…শুনলাম, কোন ম্যাজিকে বালির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এত উঁচু বাড়ি। অনেকটা নীচে কংক্রিট পাইল করে, ওপরের জমিতে পাথর আর কংক্রিট দিয়ে বেঁধে তবে দাঁড় করাতে হয়েছে স্থাপত্যের এই বিস্ময়কে। শুনে নতুন করে আর অবাক হলাম না যে, এই হোটেলে আছে আন্ডারওয়াটার রেস্তরা।’
‘ডেটলাইন’ পর্ব ৩১…

ডেটলাইন : পর্ব ৩০

‘ষাট-সত্তরের কোঠায় বয়স হলে আজকের ইয়াঙ্গনে পা রাখার আগে নিশ্চয়ই ভেবেছিলেন, কিশোরবেলার নায়ক বিপ্লবী সব্যসাচীর খোঁজে ঘুরে আসবেন শরৎচন্দ্রের পাড়া। সে গুড়ে বালি, কেউ আপনাকে এতটুকু হদিশ দিতে পারবে না!’

Representative Image

ডেটলাইন পর্ব: ২৯

‘বুমথাং উপত্যকার আদরের নাম জাকর। ভুটানি ভাষায় এর মানে সাদা পাখি। উপকথা বলে, কোনও এক সাদা পাখি যে জায়গায় এসে বসেছিল, বুঝিয়েছিল এই সেই পবিত্র স্থান, সেখানেই ১৫৪৯ সালে তৈরি হয় জাকর জং। তার থেকেই নাম।’
ডেটলাইন পর্ব । ২৯…