
শ্রমের দাবি
‘দশ মিনিটে কি সবসময় অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছয়? দাউদাউ আগুন জ্বললে দমকল? অপরাধ ঘটলে পুলিশ? তবে দশ মিনিটের ম্যাজিক একা আমরা দেখাব কেন? কী দায়? নানাবিধ প্রশ্ন রাষ্ট্রের সামনে। আপনার সামনেও। আপনি কেমন বোঝাপড়া করবেন?’

‘দশ মিনিটে কি সবসময় অ্যাম্বুলেন্স এসে পৌঁছয়? দাউদাউ আগুন জ্বললে দমকল? অপরাধ ঘটলে পুলিশ? তবে দশ মিনিটের ম্যাজিক একা আমরা দেখাব কেন? কী দায়? নানাবিধ প্রশ্ন রাষ্ট্রের সামনে। আপনার সামনেও। আপনি কেমন বোঝাপড়া করবেন?’

‘মহেশবাবু গল্প বলছিলেন। ১৯৬৪। দরিয়াগঞ্জের ফুটপাথ। পাতরি কিতাব বাজার। সেই সময়ে বইয়ের দোকানের সংখ্যা মেরেকেটে ৩০। অস্থায়ী। সকাল আটটা থেকে সন্ধে সাতটা। শুধুমাত্র সেকেন্ডহ্যান্ড বই। সাম্প্রতিককালে পাঠকের রুচি বদলে গেছে, বই-বিক্রেতার মন বদলে গেছে, তেমনই বদলে গেছে বই-বাজারের ঠিকানা।’

একজন স্বৈরাচারী শাসক, আসলে ভাঁড়। সমষ্টির চোখ থেকে শাসক-সম্পর্কিত ভয় অথবা সম্ভ্রমের মোড়কগুলো খসতে খসতে যেটুকু অবশিষ্ট থেকেছে একবিংশ শতাব্দীতে, তা দিয়ে মিম ছাড়া আর কিছু তৈরি করা সম্ভব নয়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন-এর একটি মেডিক্যাল টিম পৌঁছেছিল গাজায়। সঙ্গে আইভি ফ্লুইডস, স্যালাইন, আইভি অ্যান্টিবায়োটিক। মূলত ট্রমা থেকে সাময়িক স্বস্তি দেয়। যেহেতু পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পোস্ট-ট্রমাটিক ডিজঅর্ডারে ভুগছেন ৬৯% গাজাবাসী। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্রনিক।

‘সোনম ওয়াংচুক রাষ্ট্রের চৌখুপি ভেঙে ফেলছেন। লাদাখ থেকে ‘দিল্লি চলো পদযাত্রা’ ভেস্তে দিচ্ছে পুলিশ। তারপর সোনম ওয়াংচুক গ্রেপ্তার। সমগ্র দেশের সামনে, পলকে-পলকে বদলে যাচ্ছে হিরোর যাবতীয় খোলনলচে।’

‘সম্পূর্ণ থিয়েটার উড়ে যায় দু’টি বিস্ফোরণে। তারান্তিনো এ-ছবি তৈরি করেছেন ২০০৯ সালে। কী প্রয়োজন ছিল? আসলে ইহুদিদের নিপীড়নের ইতিহাস, যদি বলি অপরায়নের ইতিহাস, তারান্তিনো পড়তে চেয়েছেন দুর্দান্ত এক রেভোলিউশনারি কায়দায়।’ বিশেষ সংখ্যা ‘বোমা’…

‘চোখের সামনে সর্বক্ষণ কোনও ভিডিও ঘুরছে। দেখুন বন্ধুরা, বাজারে গিয়ে কাতলা মাছ কিনলাম, না তেলাপিয়া। দেখুন বন্ধুরা, একটা বিরিয়ানির হাঁড়ি খোলা হচ্ছে। আপনি দেখছেন, কুৎসিত গরমের মধ্যে একটা লোক দাঁড়িয়ে আছে। কুড়ি-পঁচিশটা স্মার্টফোন তাকে ঘিরে ধরেছে। যেন গিলে খেয়ে নেবে।’

‘এই মুহূর্তে সম্মিলিত এমার্জেন্সির তুলনায় ইন্ডিভিজুয়াল এমার্জেন্সি বাজারে ট্রেন্ডিং। দেখলাম, গার্হস্থ্য হিংসার আর্তনাদ নিয়ে পালিয়ে এসেছিল যে মেয়েটি, পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে দারুণ চিৎকার করল। চেয়ে চেয়ে দেখল পাড়ার মাতব্বররা, খুব বেশি এগিয়ে গেল না কেউ।’

‘একটা অনন্ত রিলসাগরে আমরা সকলেই ডুবুডুবু। মানবিক সম্পর্কগুলোকে প্রতিস্থাপন করেছে ইন্সটাগ্রাম রিলস। অবকাশ মাত্রই, একা-একা স্ক্রোল। যেন একের পৃথিবী, একবজ্ঞা ট্রেনে-বাসে যাতায়াত, আখেরে আমাদের ক্লান্ত করে, ক্লান্ত— ক্লান্ত করে। পুঁজিবাদ এমনই চেয়েছিল। যৌথতার প্রতিটি ধাপ একেবারে গুঁড়িয়ে দিতে।’

‘১৯৬৫ সালের কথা। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময়, একটি অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। রাষ্ট্রের সহায়তায়, যুদ্ধবিদীর্ণ অঞ্চলগুলিতে উপস্থিত হয়েছিলেন চার ভারতীয় শিল্পী। মকবুল ফিদা হোসেন, রাম কুমার, কৃষেন খান্না এবং তায়েব মেহতা…’

‘দেওয়াল অথবা টিফো— মুছে অথবা ছিঁড়ে দিলে, অস্বীকার করা হয় সময়। ইতিহাস। আর ইতিহাসকে অস্বীকার করতে চায় রাষ্ট্রনায়করা।’

‘ক্রিকেট যেহেতু আমার দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, তাই সিনেমার মতোই ক্রিকেট জনসমর্থনের অন্যতম হাতিয়ার। আকাশ চোপড়ার ধারাভাষ্যে ‘আত্মনির্ভর’ শব্দটি বারংবার উঠে এসেছিল সুচতুরভাবেই।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.