মহারাজা সায়জীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্প ইতিহাস অধ্যাপিকা। গবেষণাক্ষেত্র নারীবাদ, ভারতীয় নন্দনতত্ত্ব ও শিল্পকলা। শিল্প প্রদর্শনী আয়োজন ও শিল্প নিয়ে লেখালিখিতে আগ্রহী। ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই 'Transcending the Glass Case: The Women Artists of Early 20th Century Bengal and the Gendered Indigenous Modernism'.
শিল্প ইতিহাসের অধ্যাপক ও গবেষক। নিজেও শিল্পচর্চা করেন।
যুক্ত ছিলেন, ললিতকলা একাডেমির আঞ্চলিক শাখায়। তাঁর উৎসাহের পরিসর, শিশু সাহিত্য ও লোকসাহিত্য নিয়ে গবেষণাভিত্তিক লেখালেখি। ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘টুনটুনির বই’টি। বাংলার শোলাশিল্প, মৃৎশিল্প, ও ভারতীয় শিল্পকলা বিষয়ে তাঁর লেখা নিবন্ধগুলি প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
মৃদুল দাশগুপ্ত কবি, গদ্যকার। এছাড়া লিখেছেন ছোটগল্প, ছড়া। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ’ কবিতা-বইয়ের জন্য পেয়েছেন বাংলা আকাদেমির সুনীল বসু-অনীতা বসু পুরস্কার (২০০০)। ২০১২ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার। সেলিম পারভেজ নামে একাধিক গ্রন্থের প্রচ্ছদও করেছেন নানান সময়ে। ‘শত জলঝর্ণার ধ্বনি’ আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।
রোদ্দুর এমন একটা বই যার ফ্রণ্ট কভারে সিনেমা আর ব্যাক কভারে ঘুম। মধ্যে অনেকগুলো পাতা। লেখা ও না-লেখা। সসম্মানে অঙ্কে তৃতীয় বর্ষের পড়াশোনা শেষ করলেও হিসেবনিকেশ গুলিয়ে দেওয়াই রোদ্দুরের প্রধান কাজ।