Literature সম্বন্ধে খুঁজে পাওয়া লেখাগুলি

Parichand Mitra
পারঙ্গমা সেন সাহা

আলালি দুনিয়া

‘তাঁর জীবন ও লেখালেখিতে বাঙালির রেনেসাঁস প্রদীপের আলো ও তার তলার অন্ধকার— দুটোই বড্ড স্পষ্ট। প্যারীচাঁদের চরিত্রের যে-স্ববিরোধ, তা নিয়ে হুতোম ব্যঙ্গ করলেও আমরা সেটিকে তাঁর স্বভাবের বৈচিত্র্য হিসেবে দেখব;’

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৪৮

‘তোমারও ঘুমের রং কফির মতোই নীল কড়া ও কাফের/ যেমন নাটক ছিল পাড়ার মলিন স্টেজে ছোটকাকাদের/ তেমনই তোমার মন দুটো ছোট হাততালি জড়িয়ে ঘুমোয়/ বিরহ রাহুল দেব গুলজার হয়ে এসে পাশ ফিরে শোয়’

Representative Image
সম্প্রীতি চক্রবর্তী

‘মানুষ’ মেয়ের উপাখ্যান

‘নবনীতা দেবসেন তার মায়ের গল্পগুলি পাঠ করতে গিয়ে বলেছেন যে, সবক্ষেত্রেই মেয়েরা এখানে পর্যুদস্ত, অবহেলিত এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার শিকার। তাদের ক্ষোভে ফেটে পড়তে বা প্রতিবাদ করতে দেখা যায়না, বরং কোনও এক গভীর আত্মত্যাগ ও সংযমে তারা আত্মবিশ্বাস খুঁজে পায়।’

Arun Mitra
তথাগত

অরুণ মিত্রের মহাজগৎ

‘অরুণ মিত্র পার্টি-অনুশাসন মেনে কবিতা লেখার নিদানকে মানতে পারেননি। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত বাংলাদেশের বামপন্থী কবিগোষ্ঠীর একজন ছিলেন তিনি। পরে ধীরে-ধীরে নিজেকে একান্ত জগতে গুটিয়ে নেন। যদিও বামপন্থীদের সঙ্গে মনোমালিন্যের কোনও ইতিহাস নেই।’

Representative Image
যশোধরা গুপ্ত

অপু-কাহিনি ও মৃত্যুপথ

‘অপু-কাহিনি বলতে-বলতে যার যেখানে প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, বিভূতিভূষণ তাকে সরিয়ে নেন। একে-একে সকলেই অপুকে ছেড়ে যাবে, পথের দেবতা তাকে ঘর ছেড়ে পথেরই ডাক দিয়েছেন। ফলে ঘরের দিক থেকে যারা তাকে টানে বা টেনে রাখতে পারে, বিভূতিভূষণ তাদেরকে নিয়ে নেন।’

Book Cover
প্রিয়ক মিত্র

ভোগকাহন

‘বইটির প্রচ্ছদে (শিল্পী: সেঁজুতি বন্দ্যোপাধ্যায়) ভারতের একটি মানচিত্রর মধ্যে একটি ভোগের হাঁড়ি দৃশ্যমান। অর্থাৎ, ভারতজুড়ে ভোগের একটি স্বতন্ত্র মানচিত্র খুঁজে বের করার একটা প্রয়াস এই বইয়ের মধ্যে রয়েছে, তার আভাস প্রচ্ছদপট থেকেই স্পষ্ট। সূচি-তে কয়েকটি ভাগ রয়েছে, ফলমিষ্টির ভোগ, ভোগরাগ, লোকদেবতার ভোগ, কুটোভোগ, সেবাভোগ ও রান্নাবান্না। প্রতিটি বিভাগই নানাবিধ বিস্ময়ে ভরা।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবদ মূলত কাব্য: পর্ব ২১

প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ বইটির কবিতাগুলি নিয়ে বেশ বুঝিয়েছিলেন, আমাকে আপন পথটি বেছে নিতে হবে। নানা ধরনের ব‍্যাপারে আমাকে সতর্কই করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব কথা আমার দারুণ লেগেছিল। সে-সময়ে বিস্তর ভেবেছি।
সংবাদ মূলত কাব্য। পর্ব ২০

R.K Narayan
ঋত্বিক মল্লিক

শিক্ষার সার্কাস

‘আর কে নারায়ণ নিজে যে কড়া ভিক্টোরীয় রীতিতে বাঁধা মিশিনারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, সেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা সুখের হয়নি কখনও। যে সর্বগ্রাসী পাঠপিপাসা তাঁর মধ্যে ছিল, গতে-বাঁধা পাঠ্যক্রমে পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ সেখানে এতটাই ফিকে হয়ে গিয়েছিল যে, পাঠ্যতালিকা উলটেও দেখতেন না তিনি।’

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ২০

“জলপাই কাঠ দিয়ে কি এসরাজ তৈরি হয়? আমি জানিনা। ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ নামটি আমার মাথায় এসেছিল, অতি সুন্দর কয়েকটি ছবি দেখে।”
‘সংবাদ মূলত কাব‍্য’। পর্ব ২০

Representative image of Poems
শ্রীজাত

কয়েকটি কবিতা

‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

Leo Tolstoy
সায়ন্তন সেন

সন্ত অথবা কৃষক

‘প্রথমে অবশ্য তলস্তয় ভেবেছিলেন, তিনি সমাজসেবা করবেন। ইশকুল বানিয়ে বিনে পয়সায় চাষির ছেলেদের পড়াবেন। রুশোর লেখা পড়েই তলস্তয় এসব ভেবেছিলেন। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হল। বাবুদের কৃপণ অনুগ্রহে গতর-খাটানো মজুর ভুলবে কেন? একদিনে নয়, কিন্তু ধীরে-ধীরে তলস্তয় বুঝলেন, হিতসাধনেরও অধিকার অর্জন করতে হয়।’

Representative Image
ডাকবাংলা.কম

সাক্ষাৎকার: স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়

‘আমার উপন্যাস বা গল্পগুলো আগেই পড়া হয়ে যেত। তখন অনেক সময়ে ওকে বলেছি, এই জায়গাটা আমার ভাল লাগছে না, এটা অন্যভাবে লিখতে পারতে। তবে আমার কথা শুনে যে বদলে দিত তা নয়। কখনও আবার মজা করে বলত, তুমি আমার কঠোর সমালোচক হয়ে যাচ্ছ দিনে-দিনে।’
সাক্ষাৎকার। স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়