
১২ এপ্রিল
‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

‘তোমার অনেক আগে সূক্ষ্ম হয়ে গেছি বলে/ এখন ক্রমশ ফের স্থূল হতে ইচ্ছে যায়।/
এখন কখনও ছুঁতে পারি কিছু-কিছু বই,/
তোমার বিছানা, হাত বুলিয়ে দিচ্ছি মাথার বালিশে।/ কতদিন মাথা রাখোনি এখানে তবুও মাথার দাগ/ অতিকায়, স্পষ্ট।’

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

‘বাংলা সাহিত্যে বিনয় মজুমদারের কবিতায় ক্যালকুলাস, ভ্যারিয়েবল এবং জ্যামিতি সরাসরি ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁর গণিত-প্রভাবিত কাব্যচিন্তা জীবনভর ধারাবাহিক ছিল, বিশেষ করে আটের দশক থেকে তাঁর গণিত আবিষ্কার এবং কবিতায় সেগুলোর প্রয়োগ আরও সুস্পষ্ট হয়।’

‘জ্যোতিউজল বিড়ালী এক পাড়ামনিব,/ ডানা পোড়ায় সারাটা রাত চাঁদের পায়ে/ ক্ষতের প্রিয় বন্ধু জোটে সজল জিভ/ জ্যোৎস্নাকে সে তলব করে চুরির দায়ে।’

‘তোমারও ঘুমের রং কফির মতোই নীল কড়া ও কাফের/ যেমন নাটক ছিল পাড়ার মলিন স্টেজে ছোটকাকাদের/ তেমনই তোমার মন দুটো ছোট হাততালি জড়িয়ে ঘুমোয়/ বিরহ রাহুল দেব গুলজার হয়ে এসে পাশ ফিরে শোয়’

‘না-জানে তোমার মুখ, এমনই তো গান/প্রতিটি বিচ্ছেদ জেনো প্রেমের সমান/ছেড়ে যেতে ফের ঘুরে ডাকে,/আমাদের অবসাদে ফুটে থাকা ফুল/জাহাজের মৃতদেহ। জলের মাসুল।/
ছোঁব, তবু পাব না তোমাকে।’

‘তরিবতের বিহনে মঞ্জরী/ বাগানে মন শুকিয়ে রাখে ভিজে…/ আমি তোমায় কথা-অবাক করি,/ তুমি আমার নিন্দে করোনি যে!/ শত্রু চায় ফুলের আমদানি/ পরাগ তার মাধুর্য বিকিয়ে/ শোধ করেছে বিষাদঋণখানি…/ সন্ধেবেলা কুহকে তার বিয়ে।’

‘ঢেউ ওঠে পাতা পাতা, বইয়ের দু’ধারে সাদা বালি/ তোমার কাগজ চেনে মৃদু বিষাদের কর্মখালি/ এদিকে যে-কোনও মর্মে যুগে যুগে ক্ষুব্ধ নেটিজেন।/ এরই মধ্যে, সে বালক, জানেমন, বহু রাস্তা পার/ সোনালি রাগের সুরে ঝলসে ওঠে ডুবন্ত সেতার!’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.