
মঞ্চ, দর্শক, হাততালি
‘ফ্রান্সের থিয়েটারে আঠেরো শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল এই ক্ল্যাকাররা; আর কে না জানে, আবেগ খুবই সংক্রামক! তার মধ্যে সবচেয়ে সংক্রামক সম্ভবত হাততালি। প্রেক্ষাগৃহের একটি কোণে দু’জনের হাততালি মুহূর্তে ছড়িয়ে যায় গোটা প্রেক্ষাগৃহে।’

‘ফ্রান্সের থিয়েটারে আঠেরো শতকে খুবই জনপ্রিয় ছিল এই ক্ল্যাকাররা; আর কে না জানে, আবেগ খুবই সংক্রামক! তার মধ্যে সবচেয়ে সংক্রামক সম্ভবত হাততালি। প্রেক্ষাগৃহের একটি কোণে দু’জনের হাততালি মুহূর্তে ছড়িয়ে যায় গোটা প্রেক্ষাগৃহে।’

‘এই রায় জানায় যে, তাঁরা রাষ্ট্রের চোখে অবৈধ নন। এই রায় LGBTQIA+ সম্প্রদায়ের মধ্যে এক নতুন আলো দেখায়— প্রথমবার তাঁরা স্বাধীনভাবে ভাবতে পারেন, ‘আমাদের অস্তিত্ব স্বীকৃত, আমাদের ভালবাসা অপরাধ নয়।’’

‘এই মুহূর্তে সম্মিলিত এমার্জেন্সির তুলনায় ইন্ডিভিজুয়াল এমার্জেন্সি বাজারে ট্রেন্ডিং। দেখলাম, গার্হস্থ্য হিংসার আর্তনাদ নিয়ে পালিয়ে এসেছিল যে মেয়েটি, পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে দারুণ চিৎকার করল। চেয়ে চেয়ে দেখল পাড়ার মাতব্বররা, খুব বেশি এগিয়ে গেল না কেউ।’

‘রিহ্যাব কী? যেতে পারি কিন্তু কেন যাব? সংযম কথাটার মানে বোঝায়, ঘড়ি শুধু হাতের অলংকার নয়, সময়ের কাজ সময়ে করতে শেখায়। একটা নিয়মের মধ্যে থাকাটাও বাস্তবিক— এটা বুঝতে শেখায়; দিনের শেষে, সামাজিক থাকাটাও তো জরুরি।’

‘সবেতেই কি শুধু ছেলেরা? মেয়েরা পর্দায় আসে কেবল মিনমিনে নাচ আর তুলতুলে সংলাপ নিয়ে? ঠিক আছে, তাই-ই সই। তাহলে, তুলতুলে কয়েকটি চরিত্র নিয়েই কথা হোক আজ। কারণ, মলম আসলে নরম এবং তুলতুলেই।’

‘যে-কোনও মলম, যুগে-যুগে যার একটিমাত্র সর্বজনীন উপাদান— ফ্যাট, তার বাংলা তর্জমা কি কেউ ‘স্নেহ পদার্থ’ করতে পারে? যিনি করেছিলেন, তিনি তো আর মলমের আরাম দেওয়ার ক্ষমতার দিকটি ভেবে এই তর্জমা করেননি।’

‘চাকরিজীবন ছেড়ে থিয়েটার করা, তারপর ছোটপর্দা বা বড়পর্দার অভিনয়ে আসা, এই পর্যায়ে একটা জিনিস বুঝেছিলাম— যখন হাতে কোনও কাজ থাকে না, অর্থাৎ, বাঙালি যাকে স্ট্রাগল বলে, সেই সময়ে ছুটি অসহ্য।’

“আমি তাকিয়ে দেখলাম, একটা ঢ্যাঙা মতো লোক নির্জন রিভারসাইড রোডে আমাদের পিছু পিছু হেঁটে আসছে। গম্ভীর মুখ করে শম্ভুদা বলল, পুলিশ হতে পারে। আমার আঁতকে ওঠা ভাব লক্ষ করে শম্ভুদা ফিসফিসিয়ে বলল, একা আছে, আমরা দু’জন। কিচ্ছুটি করতে পারবে না আমাদের।”

‘পঞ্চায়েত’ সিরিজ আমাদের মনের অজান্তেই বলে দেয়— ক্ষমতার লড়াই কেবল বড় মঞ্চে হয় না, সেটা আমাদের চারপাশের ছোট-ছোট বৃত্তের মধ্যেও চলে। অফিস, পরিবার, বন্ধুবৃত্ত— সব জায়গায় এই নিঃশব্দ খেলা চলতে থাকে। এখানেই সিরিজের বিশাল সাফল্য।

‘যে যাই বলুক, এই কালোর দোকান যেন শান্তিনিকেতনের কফি হাউস। কিংবা হয়তো তার কিছু বেশিই। কত যে বিশিষ্ট মানুষজন এখানে এসেছেন, এই আড্ডায় মজে চা-শিঙাড়া গ্রহণ করেননি, এমন মানুষের হদিশ পাওয়া মুশকিল। এমনকী, আশ্রমের উৎসব-অনুষ্ঠান উপলক্ষে খাবার তৈরিতে কালোর দোকানের নামই মনে আসত সকলের আগে।’

‘কুমার, দেবেশ কী বলছে, তুই তো আমাকে এগুলো বলিসনি’— ওঁকে আমার ভাবনাগুলো তাপসদা বললেন এবং সেই অনুযায়ী পরিমার্জন করা হল। তখন তো আমি একেবারেই নতুন ‘বহুরূপীতে’, কিন্তু বয়সে ও অভিজ্ঞতায় ছোট একজনের কথা যেভাবে বয়োজ্যেষ্ঠরা শুনলেন, তা সত্যিই বিস্ময়কর।

‘অফুরন্ত থই-থই মানুষের ভিড়। রথে-রথে ছয়লাপ। জলের কীর্তন আকাশ ছুঁয়েছে। দশদিকে মেঘের শ্রীখোলে টান লেগেছে। চৈতন্যের পায়ের ছাপ একদা এই পথে, ভাবতেই শরীর রোমাঞ্চিত কদমফুল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.