
ফেরারী বাতাস
“গোপনে, ছদ্মবেশে চে চলে গেলেন কঙ্গো। যাওয়ার আগে আদর করে সন্তানদের বললেন, ‘এই পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মানুষের উপর অন্যায় অবিচার হলে তা গভীরভাবে অনুভব করার চেষ্টা করবে। এটাই একজন বিপ্লবীর সবচেয়ে বড়ো গুণ।’”

“গোপনে, ছদ্মবেশে চে চলে গেলেন কঙ্গো। যাওয়ার আগে আদর করে সন্তানদের বললেন, ‘এই পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মানুষের উপর অন্যায় অবিচার হলে তা গভীরভাবে অনুভব করার চেষ্টা করবে। এটাই একজন বিপ্লবীর সবচেয়ে বড়ো গুণ।’”

‘আর কে নারায়ণ নিজে যে কড়া ভিক্টোরীয় রীতিতে বাঁধা মিশিনারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, সেখানে তাঁর অভিজ্ঞতা সুখের হয়নি কখনও। যে সর্বগ্রাসী পাঠপিপাসা তাঁর মধ্যে ছিল, গতে-বাঁধা পাঠ্যক্রমে পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ সেখানে এতটাই ফিকে হয়ে গিয়েছিল যে, পাঠ্যতালিকা উলটেও দেখতেন না তিনি।’

‘বেচাকেনার এই হাটে ছিল কিছু স্বতন্ত্র স্থানমাহাত্ম্যও। যেমন ‘বটতলা’, ‘চায়ের দোকান’, ‘গাছতলা’, ‘রেলনীড়’ ‘এটিএম’ নাম উচ্চারণের সঙ্গে-সঙ্গে হাটে নিয়মিত আগত মানুষটি বুঝে যেতেন সুনির্দিষ্টভাবে কোন জায়গার কথা বলতে চাইছেন বক্তা। এগুলো ছিল কোডনেমের মতন।’
বিশ্ব ডাক দিবসে বিশেষ নিবন্ধ…

‘সোনম ওয়াংচুক রাষ্ট্রের চৌখুপি ভেঙে ফেলছেন। লাদাখ থেকে ‘দিল্লি চলো পদযাত্রা’ ভেস্তে দিচ্ছে পুলিশ। তারপর সোনম ওয়াংচুক গ্রেপ্তার। সমগ্র দেশের সামনে, পলকে-পলকে বদলে যাচ্ছে হিরোর যাবতীয় খোলনলচে।’

‘প্রযোজক কে কে প্রোডাকশনস সিনেমা করতে চেয়েছিল তাঁর ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ অবলম্বনে। মানিক প্রথমে রাজি হননি। তখন নিদারুণ অর্থাভাব তাঁর। তবু রাজি হননি। কারণ সিনেমার কাছে আত্মবিক্রয় করবেন না। প্রবল আত্মবিশ্বাসে নিজেই ডায়েরিতে লিখছেন সে-কথা।’

“আরমানি গোটা ব্যাপারটার খোলনলচে বদলে দিলেন। পুরুষের পোশাক থেকে সমস্ত ‘স্টাফিং’ বাদ দিয়ে হালকা, অনায়াস চলাফেরাযোগ্য স্যুটের নকশা তৈরি করলেন। তাতে একটা তথাকথিত ‘ক্যাজুয়াল লুক’ এলো। স্যুট-টাই মানে একটা গুরুগম্ভীর ব্যাপার আর থাকল না।”
জর্জিও আরমানি স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ…

“জলপাই কাঠ দিয়ে কি এসরাজ তৈরি হয়? আমি জানিনা। ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’ নামটি আমার মাথায় এসেছিল, অতি সুন্দর কয়েকটি ছবি দেখে।”
‘সংবাদ মূলত কাব্য’। পর্ব ২০

‘ভাল মাঞ্জার জন্য যা যা সরঞ্জাম দরকার সব ওরাই কিনে আনত দোকান থেকে, কিন্তু আসল মন্ত্র ছিল কাচের গুড়ো। ওইটি ঠিকঠাকভাবে সুতোর গায়ে মাখিয়ে রাখতে পারলেই কেল্লা ফতে। এ-বাড়ি ও-বাড়ি থেকে বাতিল বোতল চেয়ে এনে বস্তায় পুরে শিলনোড়া দিয়ে সেসব কাচ ভাঙার কাজ চলত।’

‘সপ্তাহের দিনগুলোতে একরকম আর সপ্তাহান্তে আরেকরকম শিডিউল। আমরা মলের ভেতর স্যুভেনির শপে গিয়ে দু-চারটে জিনিস কিনতে না কিনতে তাড়া লাগালেন ড্রাইভার কাম গাইড। লেকের ধারে পৌঁছে দেখি লোকে লোকারণ্য। অনেক আগে থেকেই সবাই ভাল জায়গা দখল করে দাঁড়িয়ে আছে।’

‘ছবিটি উল্লম্বভাবে তিনটি স্তরকে স্পর্শ করে আছে। প্রথমটি মাটি বা জমি। তারই সম্প্রসারণে জনতা এবং দেবীমূর্তি। অন্ধকার থেকে আলোর বৃত্ত এবং অবয়বের স্পষ্টতা। তারপর, আধো আলো-আঁধারিতে দ্বিতল-ত্রিতল বাড়ি এবং বারান্দায় দাঁড়ানো নারীমূর্তি। তারপর, তৃতীয় স্তরে চাঁদ-সহ আকাশ।’

‘মাটি মাখার কাজ যাঁরা করতেন, তাঁরা আবার আরেকটা কর্মে নিজেদের দক্ষ করে তুললেন। আশ্চর্য সেই কাজের নাম। ‘মরা ধরা’। না মরা মানুষ ধরা তার কাজ নয় তার কাজ হল ভেজা মাটি মরে গিয়ে কোন মাপে মূর্তিকে নিয়ে আসে, তা নিখুঁত ভাবে হিসেব করা। সে জানে, যদি কোনও বাড়িতে দুর্গা কুড়ি হাত বানাতে হয় তাহলে একুশ বা বাইশ হাত পর্যন্ত মাটি গড়তে হবে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.