দিনে-দিনে সব যায়
‘বিয়েটা করেছিলাম রেলপথের জন্যই। সুভাষের বেলাতেও নাকি তাই ছিল! বিয়ের পর পর তো ওর কেবিন-রোমাঞ্চ অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল।’ নতুন গল্প।
‘বিয়েটা করেছিলাম রেলপথের জন্যই। সুভাষের বেলাতেও নাকি তাই ছিল! বিয়ের পর পর তো ওর কেবিন-রোমাঞ্চ অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল।’ নতুন গল্প।

এই মরশুমে চাষ হয় ফলনও হয় অসংখ্য অপমৃত্যু জমা হয়/ হিম বাড়ছে/ মাথার উপর আকাশটা ধোঁয়া আর শব্দে ঢেকে যাচ্ছে/ হলদে রুপোলি ফড়িং আঁশের ঝাপটায় নৌকাশরীর ভিজিয়ে দিচ্ছে/ পাটাতন ক্রমশ খলবল করে উঠছে
‘যে চারজন এতটা বিপদসংকুল আর দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা করে এখানে এসেছে আজ দুপুরে, তাদের মধ্যে দৃশ্যতই নেতাগোছের হলেন দু’জন।’ ডাকবাংলায় শুরু হচ্ছে রূপম ইসলামের নতুন ধারাবাহিক উপন্যাস, ব্রহ্ম ঠাকুর সিরিজ়ের নতুন পর্ব, ‘শব্দ ব্রহ্ম দ্রুম’।

‘কিন্তু সেই অন্যদিন যে আর কখনও আসবে না, সেটা হিনা ভাল করেই জানে। জানে ওই লোকটাও। তবুও। সমাজে অপ্রয়োজনীয় অনেক কথাই বলতে হয়। রাম্বি ঝোরার উজানের দিকে হেঁটে চলেছিল দুজনে।’ অন্ধকার মনের চালচালন।
‘মন্তরটা অঙ্কখাতার পিছনে যত্ন করে লিখে রেখেছে বটাই। ক’দিন বাদেই হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষা। উনিশ-কুড়ির বেশি তো আর পায় না অঙ্কে! ওটা আউড়ে নম্বরটা যদি একটু পালটে নেওয়া যায়!’ নতুন গল্প।

‘সুব্রতর লিফ্টে চাপার ধৈর্য থাকল না। সিঁড়ি দিয়ে একশ্বাসে ছুটে নেমে আসবার সময় একটা মেয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগল। সুব্রত সিঁড়ির মধ্যেই পড়ে গেল। মেয়েটি তাড়াতাড়ি এসে সুব্রতর হাত ধরে উঠে বসাল।’ নতুন গল্প।

‘যত দিন এগিয়েছে, ততই শিমুল নিখুঁত হয়েছে আপনা থেকেই। সিমুলেটেড রিয়ালিটি যে আসলে একটা দানবিক ক্ষমতা, সেটা কিছুদিনের মধ্যেই টের পায় সৈকত। এই ফোনে যা করার কর কিন্তু আড়ালে শিমুল সব কিছু লক্ষ রাখবে…’ নতুন গল্প।

‘আনন্দী শুধু রেগে গেলেই খিস্তি দেয় না, এটা তার জীবন-অঙ্গ। অ্যাক্সিডেন্টাল সেক্সের সময়েও বাছা-বাছা খিস্তি দিচ্ছিল। তুরীয় আনন্দে দুরন্ত বেগে তা দিতে থাকে। একটু অবাক হলেও পাত্তা দেয়নি সিন্টু।’ নতুন গল্প।

‘এই সন্ন্যাসী যে ভণ্ড এমন ভাবারও তো কোনও কারণ নেই! সুতরাং তাঁর কথামতো কাজ করে একবার দেখাই যাক না কী হয়! সর্বোপরি জীবনের বাধাবিঘ্নগুলো কেটে গেলে তার নিজেরই উপকার হবে। সবদিক ভেবে সন্ন্যাসীর নির্দেশমতোই সে পেয়ারাটা কেটে খেল রাতে।’ নতুন গল্প।
‘এত তাড়াতাড়ি না বেরোলেও চলত… কিন্তু এয়ারপোর্টে পা রেখেই কেমন যেন মনে হচ্ছে পাড়ার পুজোটাই গন্তব্য! এই নিয়ে কতবার যে ফেসবুকে ব্রত চ্যাটার্জির প্রোফাইলটা দেখল! শেষ আপডেট তিন দিন আগে : ‘কান্ট কিপ কাম। এন রুট কলকাতা!’ নতুন গল্প।
‘এক মিনিট স্যার। বলছিলাম যে কবিতাটা তো খুবই ছোট। মাত্র ষোলো লাইন। আমি আর একবার বাই পোস্ট পাঠাই। কেউ যদি একটু টাইপ করে দেন। ফর্ম্যাট, ফ্রন্ট সাইজ এসব ব্যাপার তো আমি ঠিক…’ নতুন গল্প।

‘একটা অদ্ভুত শূন্যতা যেন গুঁতো মেরে গলার নীচে আটকে থাকা কান্নাটাকে ঠেলে দিচ্ছিল সুমনার। তবে সামলে নিলেন। মানুষটা যে নেই, সেটা আগেই জানতেন। কিন্তু এভাবে কেউ সামনাসামনি বলেনি।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.