
শান্তিনিকেতন ডায়েরি: পর্ব ২
‘বসন্তকে, আরও অনেক কিছুর মতো, আমরা চাই গলার মালায়, কানের দুলে। শান্তিনিকেতনের বসন্তে তাই ফুটতে না ফুটতেই পলাশের ডাল শূন্য। রংবেরঙের ব্যুগেনভিলিয়াই তাই আজকাল বাঁচিয়ে রাখে শান্তিনিকেতনের বসন্তকে।’ অন্য বসন্তের গল্প।

‘বসন্তকে, আরও অনেক কিছুর মতো, আমরা চাই গলার মালায়, কানের দুলে। শান্তিনিকেতনের বসন্তে তাই ফুটতে না ফুটতেই পলাশের ডাল শূন্য। রংবেরঙের ব্যুগেনভিলিয়াই তাই আজকাল বাঁচিয়ে রাখে শান্তিনিকেতনের বসন্তকে।’ অন্য বসন্তের গল্প।
‘…সব মিলিয়ে আমার ব্যক্তিত্বটাই আমার সংগীতের অভিজ্ঞান হয়ে উঠেছে… মনে হয় আমার পক্ষে লঘু গান বানানো বেশ কঠিন কাজ হবে…’ ‘মিনিমালিস্ট’ সঙ্গীত পরিচালকের নিজস্ব শব্দবিন্যাসের কথা।

‘একটি উপত্যকা এবং এক প্রাচীন আগ্নেয়গিরিকে কেন্দ্র করে এই মন্দির, যে জায়গাগুলোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দেবীর উপাখ্যান। আদতে এটি একটি শক্তিপীঠ— ধর্মানুসারে যে পবিত্র স্থানে সতীর কোনও দেহাংশ ছিন্ন হয়ে পড়েছে।’ মুসলমানের হিন্দুপুজো।

‘গির্জার পাশেই রক্তিম ইটের পুরনো বাড়ি, আমি আর মার্টিন মুখোমুখি। চা-বিস্কুট খেতে খেতে আমি শুনি আশি বছরের ভারে নুয়ে আসা দেহধারী মানুষটার কথা। একটা মানুষের জীবনের বৃত্তে লেগে থাকে কাঁহা কাঁহা মুলুকের গল্প!’ ঢাকার জোসেফ মার্টিনের গল্প।

‘বাবার সঙ্গে মান্টোর এই আজব সাদৃশ্য এখানেই শেষ নয়— দু’জনেই হট্টগোলের মাঝে দিব্যি কাজ করতে পারেন (এবং সম্ভবত পছন্দও করেন), রান্না ভালবাসেন, গভীর ভাবে যত্নবান… এবং দু’জনেই স্নেহশীল পিতা।’ আদর্শবান বাবা ও আদর্শ পুরুষের কথা।

‘অ্যাসটেরিক্স জীবনে আসার আগে অবধি আমি ঠিক করেছিলাম, বিয়ে করলে বাবার মতো লম্বা কাউকেই করব। অ্যাসটেরিক্স আমার জীবনের প্রথম এবং শেষ ক্ষুদ্র পুরুষ। অ্যাসটেরিক্স ইতিহাস, ভূগোল, সমাজতত্ত্ব ও সেই সঙ্গে কূটনীতিও আমাকে শেখাতে শুরু করে।’

‘ব্যাকব্রাশ করা চুল, তন্ময় মুখের ভাব, সাধু-সরস-দিব্যকরোজ্জ্বল চোখ হাসির জলে সদাই ভেজা। আড়চোখে দেখতাম, তার সুন্দর হাত-পায়ের পাতা, পরিষ্কার নখ সযত্নে কাটা, বিশখানা আঙুলের কোথাও ছন্দপতন হয়নি।’ নানার কথা।

‘জন্মাষ্টমীর লুচি-তালের বড়ার শৈশব পেরিয়ে যখন আসল কৃষ্ণের সঙ্গে মোলাকাত হল, তখন ভাবলাম, এই তো পাওয়া গিয়েছে, ঠিক যেন আমার মতো। বেপরোয়া, নির্লজ্জ, চার্মিং, লীলাময়, ছলনার রাজা, এমনকী রুথলেস।’ পুরাণে পাওয়া মনের মানুষ।

‘এই পৃথিবী বহুবার ওলট-পালট হয়েছে, বদলেছে, কিন্তু ফেডেরার থেকে গেছেন ধ্রুব, স্থির— এক রুচিমান, আশ্বাসময় প্রেরণা। তাঁকে দেখে কোনও কোনও মধ্যবয়সি নিজেকে তরুণ বলে ভাবার সাহস পান।’ রজার ফেডেরারের প্রতি মুগ্ধতা।

‘ভারতের সামুদ্রিক ইতিহাস নিয়ে আমরা খুব বেশি জানতে পারি না, কারণ বিগত হাজার বছর ভারতে সামুদ্রিক বাণিজ্যের কাজটা আসলে সম্পন্ন করেছেন ভিনদেশি জাতিরা। এ বিষয়ে প্রথমদিকে দাপট ছিল আরবদের।’ প্রাচীন ভারতের বাণিজ্য-কথা।

‘আমরা যে কলকাতার উপগ্রহ, কোনও রকম জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই নিজেরা বুঝতে পেরে গেছিলাম। যখন জেলাভিত্তিক চাকরির জন্য আবেদন করতাম, পরীক্ষা আর ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য সেই কলকাতায় যেতে হত।’ উত্তরবঙ্গের জীবনের কথা।

‘শান্তিনিকেতনের কীট, পতঙ্গ, গাছপালা আর ধুলোবালির ভিতর আমরা বড় হয়েছি। ঋতুর গন্ধ চিনতে পারি। বর্ষায় শামুকগুলোকে দেখে খুব কষ্ট হত। গরুদের মতো পথ জুড়ে তারাও বসে থাকে, কিন্তু পলকে সরে যেতে পারে না!’ শান্তিনিকেতনের গল্প।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.