শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল : পর্ব ২৯

‘ঠিক তার পরের বছর পুজোয় সুনীলদা চলে গেলেন। কে জানে, দূরদ্রষ্টা হন তো সার্থক কবিরা, হয়তো অত আগে থাকতেই নিজের বিদায়ের পথটুকু চিনে নিতে পেরেছিলেন, আর তারই মানচিত্র সেদিন ফুটে উঠেছিল ওই কবিতায়।’

শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা : পর্ব ৩০

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের এমন অনেক কবিতা আছে, যা এখন তত পঠিত বা আলোচিত নয়। তাঁর জনপ্রিয় কবিতাগুলির মধ্যে যে অহরহ ম্যাজিক আছে, তা হয়তো এই কবিতাগুলির মধ্যে নিয়ন্ত্রিত, ঈষৎ চাপা। যদি সেই জাদু ছোঁয়া না যায়, তা হলে আমাদের ক্ষতি।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ২৯

‘হলুদ দোতলা বাড়িগুলি ভাল লাগে।/ ভাল লাগে তাদের বারান্দা থেকে মেলে রাখা কাপড় ও দুশ্চিন্তারাশি/
এত বাতাস দেয় এখানে যে গাড়িঘোড়া উড়ে যেতে চায়/ তাদের দ্বিধা ও গতিপথ নিয়ে।’

শ্রীজাত

দূরপাল্লা : পর্ব ১৩

যাব না, যাব না— করলেও পুরীর সমুদ্রের হাতছানি এড়ায় কার সাধ্যি। কোনও ছক কষে নয়, বরং ভ্রমণপিপাসু বাঙালি-র কাছে পুরী-দার্জিলিং বছরনামচার বাধ্যতামূলক অ্যাটেনডেন্স।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল : পর্ব ২৮

‘তখন চারপাশে এত বেশি আলো ছিল না বলেই হয়তো সন্ধেবেলার ছাদকে বড্ড মোহময় আর আন্তরিক মনে হত। তার ওপর লোডশেডিং হলে তো কথাই নেই। অন্ধকার একটা পাড়াকে চারপাশে বিছিয়ে নিয়ে হালকা ঠান্ডা হাওয়ায় গা ভাসিয়ে আড্ডা।’

শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা : পর্ব ২৯

কবিতার প্রকাশভঙ্গিমাতেও যেমন, জীবনেও তিনি ছিলেন সবার থেকে আলাদা। যদিও দুর্বোধ্যতার অভিযোগ তাঁর কবিতার প্রতি বারংবার উঠেছে। উপেক্ষিত হয়েছে তাঁর কবিতার অন্তর্দর্শন। এই পর্বে বিনয় মজুমদারের কবিতা।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ২৮

‘কত নেকড়ে ডেকে উঠল টিলার উপরে/ সেসবের কোনও চিহ্ন তোমার হাতে নেই।/ আছে কেবল বিয়ের নিমন্ত্রণ, সন্ধেবেলা মৃদু আড্ডা/ আর থিয়েটারের বিজলি আলো।/ আমি, বোকা লোক, তোমার হাত ধরতে এসে কেবল একা হয়ে যাই’ নতুন কবিতা।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল : পর্ব ২৭

‘আমাদের জন্যে ছিল আলাদা অনেকগুলো তাক, তাতে থরে-থরে বই রাখা। রংবেরঙের মলাট তাদের, আর হরেকরকম নাম। কিছু শোনা, বেশির ভাগই না-শোনা। ভিতরে ঢুকলেই মনে হত সোনার খনিতে নেমেছি বুঝি।’

শ্রীজাত

দূরপাল্লা : পর্ব ১০

এমন ভয়াবহ অতিমারীর পর যে প্লেনে চড়ে ফের বিদেশ যাব, এ কল্পনাতীত ছিল। কিন্তু কোভিড কাটতে না কাটতেই অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার সুযোগ হল। সূবর্ণসুযোগও বলা চলে, কারণ কপালে জুটল সিডনি অপেরা হাউসে বলে ফ্রেঞ্চ অপেরা দেখার সৌভাগ্য।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ২৭

‘হে অতীত, গুল্মপ্রাণ, জল দিই তোমাকে যে রোজ/ আমাকে ফুলের মতো ঘটনা ফিরিয়ে কিছু দাও।/ পড়োশির ঈর্ষা হই, পাখিদের পান্থশালা-খোঁজ…/ বদলে সময় যদি পেতে চাও, ফিরে দেব তাও।’ নতুন কবিতা।

শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ২৬

রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমাদের যাদের দেখা হয়নি, তারা প্রায় প্রত্যেকেই জানি যে তাঁর সঙ্গে আমাদের রোজ দেখা হয়। তিনি আমাদের সাক্ষাৎ চেনেন না, কিন্তু তাঁর মতো করে আমাদের আর ক’জন চেনে? তাঁর লেখার মতো আমাদের কে-ই বা স্পর্শ করতে পারে?

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল : পর্ব ২৫

‘তারপরেই ঝোলা থেকে বেরোত যার-যার ডাইরি। কৌশিক আর আমি কবিতা লেখার চেষ্টা করছি তখন, সোমনাথ লিখছে অ্যানথ্রোপলজি বিষয়ক প্রবন্ধ, গম্ভীর আর চোস্ত ইংরেজিতে। পালা করে সেইসব পড়া হত।’ কৈশোরের লেখালেখি।