
এক শালিক : পর্ব ৬১
সুনীল গাভাসকর আইপিএল-এ বিরাট কোহলির স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। ফলস্বরূপ কোহলির সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় গাভাসকরের নামে যাচ্ছেতাই লিখে চলেছেন। যা প্রত্যাশিত এবং স্বভাবিক। কিন্তু স্বয়ং বিরাট কোহলি জবাবে কী বললেন?

সুনীল গাভাসকর আইপিএল-এ বিরাট কোহলির স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। ফলস্বরূপ কোহলির সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় গাভাসকরের নামে যাচ্ছেতাই লিখে চলেছেন। যা প্রত্যাশিত এবং স্বভাবিক। কিন্তু স্বয়ং বিরাট কোহলি জবাবে কী বললেন?

তাঁর খ্যাতি মূলত কবি, ঔপন্যাসিক হিসেবেই; অথচ অনবদ্য সব ছড়া লিখে গেছেন যা পাঠক, অনুরাগীদের দরবারে আবারও নতুন করে চেনাবে তাঁকে। ‘কবির সঙ্গে দেখা’র এই পর্বে ছড়াকার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

‘চাঁদনি থেকে এসপ্ল্যানেডের দিকে চলেছে মেট্রোটা। পরের স্টপেই নামতে হবে নীলাকে। দরদর করে ঘামছে। এই ভিড় থেকে বেরতে পারলে বাঁচে। স্টেশনে নেমে ঊর্ধ্বশ্বাসে হাঁটতে থাকে। কলকাতার এই ধাক্কাধাক্কিতে এখন অবশ্য সম্পূর্ণ অভ্যস্ত নীলা।’

আমাদের ধারণায় যে মধ্যবিত্ত শ্রেণি রয়েছে, তার সঙ্গে এখনকার মধ্যবিত্তের পার্থক্য কী? বাইরের জীবনযাপনে ফারাক তৈরি হলেও, মানসিকতায় কি কোনও বদল এসেছে? মধ্যবিত্ত-মননের সেই সব খুঁটিনাটি নিয়েই এই বক্তৃতা ‘শ্লেষ্মা পিত্ত মধ্যবিত্ত’।

একজন যত অসামান্য শিল্পই রচুক, তার শিল্প জনতার মধ্যে স্পন্দমান বেশিদিন থাকে না, কিন্তু দীক্ষিতদের মধ্যে থাকে বহুযুগ। সত্যজিৎ বারংবার দেখে চলবে চলচ্চিত্র-রসিকরা, যাদের সংখ্যা হয়তো একশো বা চুয়াল্লিশ, কিন্তু ভিড় তাঁকে নিয়ে আদিখ্যেতা করবে না।

‘আজ বুধবার,/
তুমি দেখতে এসেছিলে থিয়েটার,/ এক তরুণীর প্রেম ও দুঃসময়ের বিপ্লবের গাথা।/
কে তোমাকে বলে দেবে,/
চারপাশে চলমান এই শহরই/
আসলে সেই থিয়েটার নয়?’
‘দূরপাল্লা’ দৃশ্য-শ্রাব্য ডায়েরি হলেও এমন অনেক স্মৃতিই আছে যা কবির ফোনে নয়, শুধুই তাঁর মনে বন্দি হয়ে আছে। সেইসব স্মৃতি মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে— শিল্পর আদৌ কোনও সংজ্ঞা হয় কি না? এই পর্বে শিকাগো’র তেমনই এক রাতের কাহিনি।

‘শেষ শটে দেখা যায় গাড়িতে গান চালিয়ে লোকটা কখনও হাসছে, কখনও কাঁদছে। একটা টানা জয়ের গল্প তাহলে নয় এটা? এতে এক স্বেচ্ছানির্বাসিত মানুষের অল্পময় জীবনের একবগ্গা জয়গান গাওয়া হয়নি?’
‘কিন্তু এসব গান শুনতে চাইলে ‘সুরধুনি’ ছাড়া উপায় নেই। তাই আমি সন্ধের মুখটায়, বাড়ি ফেরার আগে ওখানে গিয়ে দাঁড়াতাম। ওইসব গোমড়া বাচ্চারাই হয়তো আগামীর সন্ধ্যা-আরতি-প্রতিমা-নির্মলা, বা ভবিষ্যতের হেমন্ত-মান্না-শ্যামল-মানবেন্দ্র। কে বলতে পারে?’
ধর তক্তা মার পেরেক-এর এই যুগে শিল্প থেকে খেলাধুলোর ধরনধারণ, সব কিছুরই রিমোট কন্ট্রোল ‘বাজার’-এর হাতে। তবে শুধুমাত্র বিনোদন বা চটজলদি জনপ্রিয়তার জন্য কি রীতি, প্রথা, চরিত্র, আদর্শ এসব বর্জন করা যায়?
দুটো ভিন্নমত, যতই বিপরীতধর্মী হোক না কেন, তাদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই প্রকৃতির ধর্ম। আনকোরা নতুন এই গানটাও সেই বহুত্ববাদের কথাই বলে। শোনা যাবে সদ্য মুক্তি পেতে চলা ‘আলাপ’ ছবিতে, অনুপম রায় ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর কণ্ঠে।

‘কে বলে দেবে, কতটা সাহচর্য কতটা নজর কতটা শাসন আইসম্মত রকমের ভাল? কেউ যদি সারাক্ষণ সন্তানের মাথার ওপর ভনভনিয়ে উড়তে থাকে এবং চোখ পাকিয়ে বকুনি দেয়, তাকে ভাল বাপ-মা বলে? না কি যে সন্তানকে অনেকটা স্বাধীনতা দেয়… সে আরও ভাল?’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.