
ছায়াবাজি : পর্ব ৪৬
ছবিটা বেশ কেতায় তোলা, গতিশীল, চমক দিতে আগ্রহী, দেখতে ভাল। সমাজ, আইন ও ব্যক্তির (বিশেষত নারীর) বেপরোয়াপনার পারস্পরিক সম্পর্ক হলিউডি ছবির চেনা ছকেই চলে, কিন্তু ফ্র্যাংকেনস্টাইনের কাহিনিটাকে এখানে এনে ফেলার মধ্যে একটা বিস্ময় আছে।

ছবিটা বেশ কেতায় তোলা, গতিশীল, চমক দিতে আগ্রহী, দেখতে ভাল। সমাজ, আইন ও ব্যক্তির (বিশেষত নারীর) বেপরোয়াপনার পারস্পরিক সম্পর্ক হলিউডি ছবির চেনা ছকেই চলে, কিন্তু ফ্র্যাংকেনস্টাইনের কাহিনিটাকে এখানে এনে ফেলার মধ্যে একটা বিস্ময় আছে।

নীলাব্জ: প্রতিটি চরমপন্থী দলই নিজেকে দুর্বলদের রক্ষাকর্তা ভাবে। দুর্বল না হলেও, প্রোপাগান্ডা করে বলে এরা দুর্বল! কেউ ধর্ম বাঁচায়, কেউ জাতি বাঁচায়, কেউ বিপ্লব বাঁচায়, কেউ গণতন্ত্র বাঁচায়। সবাই কিছু-না-কিছু বাঁচাতে গিয়ে শেষমেশ মানুষ মারে।

মেয়েরা একটা বয়সের পর আর প্রেম চায় না— এই কথাটা মিথ্যে। তারা শুধু প্রেম চাওয়ার কথাটা বলা বন্ধ করে দেয়। লজ্জায়। ভয়ে। সমাজের চোখে। সন্তানের কথা ভেবে। নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

‘তদুপরি ভালবাসা এ-বাগানে ফোয়ারার মতো।/ মনে রাখা ভাল, তার সঙ্গিনীটি পাথরের পরি।/ প্রস্তরের ইতিহাসে যত বৃষ্টি আঘাতসম্মত,/
আমরা ভ্রমণকারী, সেই জলে পুণ্যস্নান করি।’

‘মোহিনী ঠাকুর একটু-আধটু কংগ্রেস করতেন। গান্ধীটুপি ছিল। মোহিনী ঠাকুরের ছোট ছেলে জিজ্ঞাসা করল, গান্ধীটুপি মাথায় দিলে কি হবে? পুরোহিত মহা ফাঁপরে। কে একজন বললেন, মুকুট হইল গিয়া লোকাচার। মুকুট পরিধান তো শাস্ত্রে নাই!’

‘পিকনিক হয়েছিল একবার। বোধ করি, ওই সাংবাদিক ইউনিয়নটির আয়োজনে। জলযানে, স্টিমারে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত যাওয়ার ওই স্টিমারে কলকাতার সব ক’টি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা যোগ দিয়েছিলেন।’

‘‘‘শিলাইদহ থেকে শান্তিনিকেতন’ তথ্যচিত্রের শুটিং-এ সাজাদপুরে পৌঁছে মনে হল, একটা ছোটগল্পের ভেতর ঢুকে পড়লাম। রবীন্দ্রনাথের প্রিয় ‘গল্পের দুপুরবেলা’ খুঁজে পেলাম দোতলার লাল মেঝের ঘরটার বড় জানালার শিকের ফাঁকে, যেখান থেকে নিচে তাকালে এখনও দেখা যায় একটা চৌকো চৌহদ্দি, পোস্ট-অফিসের স্মৃতি।’’

‘সামনের জমিতে জোছনা পড়ত, কখনও কুয়াশা জড়ানো। জোছনা ডাকত আয়-আয়, বেরিয়ে পড়তে চাইতাম। শৈলা যেতে চাইত না। কখনও ভূতগ্রস্তের মতো ঘুরেছি একা, ভয়-ভয় করত। কী একটা পাখি ডাকত, রাতে নিস্তব্ধতার মধ্যে একটা জিরাফের ভাষা লুকিয়ে থাকে।’

এটুকু বুঝি, মাঝবয়সে এসে সবচেয়ে বড় বিপদ বয়স নয়। সবচেয়ে বড় বিপদ হল, হঠাৎ একদিন মনে হওয়া— হয়তো আমি আমার জীবনটা ঠিকমতো বাঁচছি না। আর তার থেকেও বড় বিপদ, পরের মুহূর্তেই মনে হওয়া— হয়তো এটাই ঠিকমতো বাঁচা।

‘এই জয় থেকে কী শিক্ষা সংগ্রহযোগ্য? এক, আজকের দিনকালে, সফল হতে গেলে আন্দোলনের লাগাতার প্রচারের জন্য মূলস্রোতের গণমাধ্যমকে পাশে পাওয়ার দরকারই নেই।’

‘‘‘যুগান্তর’-এ শিক্ষানবিশ সাব এডিটরের কাজ করার ফাঁকে-ফাঁকে আমি ‘ছোটদের পাততাড়ি’তে ছড়া লিখতাম। গৌরাঙ্গ ভৌমিক সম্পাদনা করতেন ‘ছোটদের পাততাড়ি’। প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বের হত। গৌরাঙ্গদা চাইলেই আমি ছড়া দিয়ে দিতাম। অমিতদা চাইলে ‘রোজনামতা’য় ছড়া দিতাম।’’

‘পদ্মাকে কাছে ধরে রাখার ইচ্ছেতেই সম্ভবত কুঠিবাড়ির পাঁচিল ঢেউখেলানো। আম-জাম-কাঁঠালের ছায়াঘেরা, দু’টি পুকুর সমেত দোতলা জমিদারবাড়ি বেশ যত্ন করে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.