কলাম

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৪

‘প্রতিহিংসার আগুনে তখন দপ-দপ করছিলেন ফুলন। বাবা মুস্তাকিনের সহযোগিতায় এরপর ফুলন গড়ে ফেলেছিলেন মস্ত দল। চম্বলে শুরু হয়ে গিয়েছিল ঠাকুর বনাম পিছড়ি বর্গের মহা টক্কর।’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪৬

‘‘কুয়াশা ছাড়া আর যে-রহস্য সান ফ্রান্সিসকোতে ট্যুরিস্টদের অবাক করে দেয়, তা হল যখন-তখন কনকনে ঠান্ডা হাওয়ার দাপট। এটা নিয়েও বেশ গর্বিত এখানকার মানুষ। এটা নাকি প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা। যাকে পরিবেশ বিজ্ঞানের ভাষায় ‘চিমনি এফেক্ট’ বলা হয়। কুয়াশার নেপথ্যে যে কারণ, এর পিছনেও তাই।’’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৩

‘বড়পিসেমশাই ঘরের ছাগলদের নিয়ে যেতেন হিসি করাতে। বাচ্চাদের হিসি করানোর সময়ে মায়েরা যেমন জিভে শিস্‌ধ্বনির মতো এক ধরনের আওয়াজ করে,  যে-আওয়াজটা অক্ষর সাজিয়ে বলা যাবে না, তেমন আওয়াজই করতেন এবং আশ্চর্য— ছাগলেরা হিসিও করত।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১২

‘আমাদের ঘরে মাখন আসত না কখনও। কাকামণি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পর চাকরি পেল, তখন রবিবার করে মাংস হত। ঠাকুর্মা কাকামণিকে দিয়ে মাখন আনিয়েছিল। আমাদের ঘরে মাখনের টিন এল। গরম ভাতে আলুসেদ্ধ আর মাখন। নিজেদের মাখন। কিন্তু কাকামণি তো পৃথিবীতেই রইল না।’

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা : পর্ব ১

অদৃশ্য হওয়া মানে তাই শুধু চোখে না পড়া নয়। অদৃশ্য হওয়া মানে গল্প থেকে বাদ পড়া— সিনেমা, বই, খবর, আলোচনায় অনুপস্থিত থাকা। অদৃশ্য হওয়া মানে সিদ্ধান্তের টেবিল থেকে সরিয়ে দেওয়া— পরিবারে, অফিসে, সমাজে। অদৃশ্য হওয়া মানে আকাঙ্ক্ষাকে অবৈধ ঘোষণা করা।

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

ছবিঘর : পর্ব ৪

১৯৮০ সালে রিলিজের সময় অনেক সমালোচকই ছবিটিকে ঠান্ডাভাবে গ্রহণ করেন— কারও কাছে ছবিটা আবেগহীন লেগেছিল, কারও মনে হয়েছিল এটি মাত্রাতিরিক্ত হিসেবি একটা ছবি। স্টিফেন কিং নিজেও ছবিটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন, কারণ এটি তাঁর উপন্যাসের মূল সুর থেকে অনেকটাই সরে গিয়েছিল।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ৪৭

‘ভাস্কর স্যার ও-পথে কখনও যাননি। তাঁর মোক্ষম অস্ত্র ছিল একটিই। শ্লেষ। পড়া না পারলে, ভুলভাল উত্তর দিলে, বা হোমটাস্ক না করে এলে বকুনি বা মারধর, কোনওটাই তাঁর ধরন ছিল না। বরং এমন একখানি বাক্যবাণ ছুড়ে দিতেন, শুনে মনে হত এর চেয়ে নিল ডাউন করিয়ে রাখলে ভাল হত।’

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫২

‘যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পাখিগুলি বেঁচে ফিরে আসে।/ বইয়ের দোকানগুলি ধূলিসাৎ, চূর্ণ লাইব্রেরি…/ রুটির পুরনো গন্ধ লেগে আছে দেওয়ালে ও ঘাসে/ কত ধ্বংস পার হয়ে এ-শহর ফের পাখিদেরই।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন পর্ব: ১১

‘রঙিন কাগজ কেটে কালি বানিয়ে তার উপর গোল করে আঠা দিয়ে জুড়ে শিকল করা হত। সেই শিকল টাঙানো হত। রঙিন কাগজের ফুলও তৈরি করা হত। ঠাকুর সাজানোর জন্য যে যতটা পারে প্রতিভার বিকাশ ঘটাত।’

Representative image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৩

‘আমি টুকটাক কথা চালাতে লাগলাম। কী নাম, কোথায় বাড়ি। দেখলাম, নাম পরিচয় দিতে কারও-কারও অস্বস্তি রয়েছে। কথা না বাড়িয়ে কলকাতা সম্পর্কে ওদের কৌতূহলের জবাব দিতে লাগলাম। তখনই জানলাম, মালখান সিংকে ওরা দদ্দা বলে ডাকেন। দদ্দা মানে বড়ভাই।’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪৫

‘‘আমাদের পেছনে বসেছিলেন এক ফিলিপিনো প্রৌঢ়, তিনি শান্ত গলায় বললেন, ‘এটা আমার থার্ড দিন, এই ফ্লাইটে যেতে পারলাম না।’ শুনে তো আমাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া। কলকাতা স্টাইলে আমরা চড়া গলায় জানতে চাইলাম কাউন্টারের মহিলার কাছে, ‘ফ্লাইট ছাড়বে কখন?’’’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং : পর্ব ৭৬

‘কাজকে প্রায় কেউই জড়িয়েমড়িয়ে ভালবাসে না। উপায় থাকলে ক’টা লোক আর কাজ করত? সকলেই লেপ জড়িয়ে নেটফ্লিক্স দেখত। কিন্তু তাহলে অনেক দেশেই, ট্রেন লেট করে না কেন? কেন এয়ারপোর্টে ইতিউতি তাকালেই সাহায্য করার লোক পাওয়া যায়?’