কলাম

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪৯

‘তবে কেউ যদি ভাবেন সাহেবদের দেশ বলেই ঝকঝকে তকতকে, ভুল করবেন। বেশ নোংরা, হয়তো এই মরুভূমির মাঝখানে যথেষ্ট সাফাইকর্মী পাওয়া যায় না বলে। এই ভেবে মনকে সান্ত্বনা দিলাম।’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৭৮

‘আমারটা বুঝব এবং অন্যেরটা দলেপিষে ছারখার করব— এই অমানবিক স্বার্থপরতাকে দেশের অবশ্যকর্তব্য বলে মাথায় তুলে নাচি। কোনও দলকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রহার-প্রবৃত্তি লকলক না করলে আজ এই মারকুটে-পনার জয় দেখতে হত না।’

Representative Image
শ্রীজাত

দূরপাল্লা: পর্ব ৪৪

পানভোজন থেকে গানভোজন— সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাটানো আশ্চর্য এক রাত, যেখানে কবিতা আছে, সুনীলের উদাত্ত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান আছে, আছে চিতল মাছ ভাজা! সব পেরিয়ে, ভোরে উঠে হাতির পিঠে চেপে গণ্ডার দেখতে যাওয়ার তাড়া…

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৯

‘আমাদের স্কুলব্যাগ বলে কিছু ছিল না। বইপত্র নিতাম হাতে। আমার বাবার আমলে নাকি একটা চটের ব্যাগে ভরে একটা বসার আসন, স্লেট, খড়ি বই নিয়ে পাঠশালায় যেতে হত। এই চটের ব্যাগটাকে বলা হত, দপ্তর।’

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩৭

‘বাইরের জগৎ তখন বদলাতে শুরু করে দিয়েছিল, জনসমাজের লাল টুকটুকে স্বপ্নটি যেন মিলিয়ে যেতে শুরু করে দিয়েছিল; পরিস্থিতির কাছে মানুষ যেন ধীরে-ধীরে আত্মসমর্পণকে মেনে নিচ্ছিল— মনে হয়েছিল আমার।’

অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ : পর্ব ২৬

নীলাব্জ বলল, ‘আগে মানুষ মারা গেলে দুটো ছবি থাকত, কয়েকটা চিঠি থাকত। এখন মানুষ মারা গেলে চার টেরাবাইট ডেটা পড়ে থাকে। তবু মানুষটাই থাকে না। তুমি ভয় পাচ্ছ কারণ তুমি ভাবছ ডেটা নেই মানে তুমি নেই। কিন্তু তুমি তোমার ডেটা নও।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন:পর্ব ১৮

‘বাগবাজারের বসু বাড়িটা বড় বিখ্যাত। বিরাট-বিরাট থামওয়ালা বাড়ি, বাড়ির লাগোয়া জমি অনেকটা। ওই মাঠ এখন আর নেই। বাগবাজার মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুল হয়েছে। যখন স্কুল হয়নি, মাঠ, ওই মাঠে নেতাজি জয়ন্তীতে অনুষ্ঠান হত।’

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা : পর্ব ৪

একসময় সিঁড়ি ভাঙা ছিল জীবনেরই একটা অংশ— দু’ধাপ একসঙ্গে লাফিয়ে ওঠা, দেরি হয়ে গেলে হুড়মুড় করে চারতলা উঠে যাওয়া, তারপরও হাঁপ না ধরা। এখন সিঁড়ির সামনে দাঁড়ালেই হাঁটু আগে সতর্ক করে: আগে ভাবো, তারপর ওঠো।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল : পর্ব ৪৯

‘‘আদৌ যে বড় হয়ে কিছু একটা হতে হয় সকলকে, সেটাই জানা নেই তখন। অনেকেই আঁকার খাতা দেখে বলছেন, ‘এ নির্ঘাত আঁকিয়ে হবে, মিলিয়ে নিও!’ কিন্তু সেসবও আমার মাথায় নেই। আঁকছি তো অনাবিল আনন্দ পাচ্ছি বলে, কিছু হওয়ার জন্য তো নয়।’’

Representative Image
শ্রীজাত

কবির সঙ্গে দেখা: পর্ব ৬২

বাংলা কবিতার এক অবিস্মরণীয় স্বর, কবি পিনাকী ঠাকুর। তাঁকে অকালে হারিয়েছে বাংলা-কবিতা জগত। কিন্তু এমনই দৃপ্ত তাঁর স্বর, পাঠক হিসেবে বারবার ফিরে আসতে হয় তাঁর কবিতার কাছে!

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ৩৬

‘চিঠি এসেছিল একটা। চন্দননগর থেকে ওই পত্রলেখক কী করে যেন জেনেছিলেন আমি কাছেই শ্রীরামপুরে থাকি। গিয়েছিলাম। বৃদ্ধ পত্রলেখক, তাঁর স্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাধো সিংয়ের গুরুদেব সন্ন‍্যাসীর সঙ্গে তাঁদের নিখোঁজ পর্বতারোহী ছেলের মুখের বড় মিল।’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ১৭

‘জলে ভাসত ট্রামের হলুদ টিকিট, লক্ষ্মীবিলাস তেলের কাগজের বাক্স, ঢোল কোম্পানির মলমের চ্যাপ্টা কৌটো। নন্দলাল বসু স্ট্রিটে ছিল, জজের বাড়ি। জজসাহেবকে কখনও দেখিনি আমি, কিন্তু ছোট্ট গাড়ি-বারান্দাওয়ালা বাড়িটাকে সবাই বলত জজের বাড়ি।’