কলাম

Bangladesh Sea Beach
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৭

আসল সমুদ্র দেখতে গেলে যেতে হবে কক্সবাজার। মানে কক্স সাহেবের বাজার। চট্টগ্রাম থেকে গাড়িতে ঘণ্টাচারেকের রাস্তা। পাহাড় আর সমুদ্র একসঙ্গে থাকলে সৈকতের সৌন্দর্য এমনিই বেড়ে যায়, আর যদি থাকে সবুজ অরণ্য, তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ৩০

নীলাব্জ: না। কিন্তু ক্ষমা ব্যাপারটা তো অপরাধের ওপর কিছুটা নির্ভর করে। মানে প্রেমে মিথ্যে কথা বলা আর ধর্মের নামে, ঈশ্বরের নামে জনসাধারণকে মিথ্যে বলা তো এক নয় তাই না? লেভেল আছে সব কিছুর। কোনটা ক্ষমার যোগ্য আর কোনটা…

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩৩

“নবীন সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ থেকে, মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে আওড়াতেন।‌ রবীন্দ্রনাথকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। বলতেন, ‘রবিবাবুর কবিতায় অশ্লীলতা দোষ আছে।’”

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা: পর্ব ১২

হয়তো চশমাটাকে শত্রু না ভেবে বন্ধু বানানোই ভাল। চশমা পরব। নিজের মুখ দেখব। একটা রেখা বেশি দেখলে দেখব। দুটো বেশি হলে আরও দেখব। তারপর হাসব। কারণ মুখে একটা রেখা থাকা মানে এই নয় যে যৌবন চলে গেছে।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫৬

‘তারাটি সেলাই করা আঁচলে, সে আকাশ পরেছে।/ রাত হলে জ্বলে ওঠে, সমগ্র শরীর ছায়াপথ…/ সুতো-কারিগর, সেও উল্কা থেকে ছোট চুমকি চেঁছে/ শেষবিন্দু ফোঁড় দেয়। আমাদের মৃত্যু। ভবিষ্যৎ!’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩২

‘‘ক্লাস এইট হবে, দাদু বলছেন, ‘একই শব্দ কিন্তু অবস্থাভেদে নানা অর্থ হয়। যেমন ধরো সৈন্ধব। এর অর্থ লবণও হয়, আবার ঘোড়াও হয়। জনৈক পণ্ডিত ভোজনে বইস্যা যদি কয়, ‘সৈন্ধব আনয়’, তখন কি তুমি একখান ঘোড়া হাজির করবা? আবার যুদ্ধে প্রস্তুত কোনও রাজা যদি একই হুকুম করে, তখন কি লবণের আচ্চি লইয়া আসবা?’’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪৪

‘এক পুলিশ অফিসার দেখলেন, বন্ধ একটি দোকানঘরের সিঁড়িতে এক বৃদ্ধ বসে আছেন। ময়লা পোশাক-আশাকে উদাস দৃষ্টিতে যানবাহন চলাচল দেখছেন। বৃদ্ধের মুখটি দেখে ওই পুলিশ অফিসার গাড়ি থামিয়ে দিলেন। ঠিক চিনেছেন পুলিশ অফিসারটি। ওই বৃদ্ধ অজয় মুখোপাধ‍্যায়, পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ মুখ‍্যমন্ত্রী।’

তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৫৬

২০০৮ সালে যে নাটোরে আমি গিয়েছিলাম ট্রাভেল শোয়ের শ্যুটিং-এ, তার সঙ্গে ২০২২ সালে ফের দেখা নাটোরের তফাত আকাশপাতাল বললেও কম বলা হয়। পরের বারের যাওয়াটা সরকারি আমন্ত্রণে, এপার বাংলার শিল্পী-বুদ্ধিজীবী-সাহিত্যিক দলের সফরসঙ্গী হয়ে।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ৮১

‘চুম্বনচিহ্নভর্তি গাড়ি নিয়ে এক পুরুষ বেশ গর্ব ও উল্লাস-সহ ঘুরে বেড়াচ্ছে, গাড়ির ভিডিয়ো প্রচুর ভিউ সংগ্রহ করছে। ফলে, এক যুগলের বেলাগাম আনন্দ, ফাজলামি, এবং ‘বেশ করেছি’ আস্ফালন স্পষ্ট। আপত্তিটা এইখানে। চুমু তুমি গোপনে খেতে পারো বটে, তা নিয়ে গোটা শহরের সামনে এমন জাঁক করার মানে কী?’

সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়

মেঘে মেঘে বেলা: পর্ব ১১

‘আগে তিন-চার-পাঁচটি সন্তান হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না। এখন একটি বা দু’টি। ফলে চল্লিশের পর একটি সন্তান এলেই সেটি আলাদা করে চোখে পড়ে। যেন সমাজের সাজানো ছবির ফ্রেমে কেউ হঠাৎ অন্য রং ঢেলে দিয়েছে।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন: পর্ব ৩১

‘দাদুর কাছে পাটিগণিত করার মজাই ছিল আলাদা। কঠিন-কঠিন অঙ্কগুলো যখন উত্তরে মিলত না, দাদু টেনে নস্যি নিতেন আর-একবার। ‘র, র! উত্তর মিলতেই হইব! অঙ্ক না হইয়া যাইব কই?’ আবার নতুন করে ভাবতে বসতেন, আবার নতুন করে করতেন।’

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল: পর্ব ৫২

‘এক মাঝরাতে খবর পেলাম, পিন্টুদা আর নেই। শরীর নিয়ে ভুগছিল অনেকদিনই, শেষমেশ লড়াই থামল। আমার ছোটবেলার অনেকখানি অংশ সেদিন ওই আগুনেই পুড়ে গেছিল। তার ছাই এখনও উড়ছে বাতাসে, তাকে আর সারাই করা যাবে না।’