কলাম

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৫

‘রাত্তিরে কোথায় খেতেন বলতে পারব না। জিজ্ঞাসা করার মতো কেউ বেঁচে নেই। অনেক পরে জেনেছিলাম, এই বড়দা ছিলেন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত। তখন ধারণা ছিল কুষ্ঠ ব্যাধি ছোঁয়াচে। বড়দার নাকি বালক বয়সেই এই অসুখ হয়েছিল।’

Representative Image
মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৩০

‘পুতলির আসল নাম গোহরবানু। মায়ের কাছে নাচ শিখেছিল গোহরবানু আর তাঁর বোন তারাবানু। কিশোরী বয়সে গোহরবানু যখন নর্তকী হিসেবে গ্রামশহরে প্রশংসিত হল, পুতুলের মতো দেখতে বলে গ্রামবাসীরা তাঁর নাম দিল ‘পুতলি’।’

Representative Image
তপশ্রী গুপ্ত

ডেটলাইন: পর্ব ৪২

‘লক্ষ করে দেখেছি, আমেরিকানরা হাইওয়ে আর গাড়ি— এই দুটো ব্যাপার নিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ। নামকরা হাইওয়ে আর গাড়ির নম্বর-প্লেট লেখা ট্যাবলেট বিক্রি হয় স্যুভেনির শপে। লোকে সাজিয়ে রাখে বাড়িতে। কথাবার্তা বলে জেনেছি এর পিছনে কী কারণ থাকতে পারে।’

Representative Image
অনুপম রায়

নীলা-নীলাব্জ: পর্ব ২৩

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ  করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

Representative Image
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৪

‘এখন যেমন প্রচুর স্বপন। শ্মশান স্বপন, নাটা স্বপন, লম্বু স্বপন, ট্যারা স্বপন, হাতকাটা স্বপন ইত্যাদি। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় একজন স্বপন ছিলেন। অধ্যাপক স্বপন মজুমদার।’

Representative Image
আব্দুল কাফি

সিন্ধুপারের সুফি : পর্ব ৬

সচলের কথায় ফলত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কেউ আবার ভেবেছেন, এ আসলে কবির খামখেয়াল, উন্মাদনা। এই পথে সকলেই গেলে অনাসৃষ্টি কাণ্ড হতে পারে— এর গভীর ও সূক্ষ্ম তাৎপর্য সকলের পক্ষে আয়ত্ত করা অসম্ভব। তাই সচল তাঁর জীবনকালে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মপ্রধানদের কাছে ছিলেন বিপজ্জনক ব্যক্তি।

ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী

ছবিঘর : পর্ব ৩

‘একটা ছবিকে এইভাবে প্রায় অনায়াস সহজতায় প্লটের ওপরে তুলে ছেড়ে দেওয়া যায়, যেখানে একটা খণ্ডচিত্র কোনও এক অলীক নিয়মে গোটা ছবির বিষয়বস্তুর ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠে। সম্ভবত এইরকম কিছুরই সন্ধান করছেন ত্রুফো, যাকে তিনি সিনেমার মূল অভিজ্ঞতা বলছেন। এই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ সময়বোধের ওপর নির্ভর।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব্য : পর্ব ২৯

‘পায়ে পুলিশের গুলি, আহত অবস্থায় ধরা পড়ার পর তহশিলদার সিং নিজের পরিচয় গোপন করেছিলেন। সাজা কমানোর জন‍্য তিনি যে মান সিংয়ের ছেলে, পুলিশকে তা জানাননি, পুলিশের কাছে তাঁর কোনও ছবিও ছিল না। দলের লোকেরাও বিষয়টি গোপন রেখেছিল। তহশিলদারের পরিচিতি নিয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্ট অবধি গড়িয়েছিল।’

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ৩

‘কালো বারান্দায় একটা লোহার তার ছিল, তাতে শাড়ি ঝুলত শুকোবার জন্য। মা-ঠাকুরমা-পিসিদের, অন্য ভাড়াটেদের ঝোলানো শাড়ির দুই প্রান্ত সরিয়ে মাঝখান দিয়ে হেঁটে যাওয়া ছিল আমার খুব প্রিয় খেলা। একটু ভিজে, ঠান্ডা ঠান্ডা… এর মাঝখান দিয়ে পথ রচনা করে এগিয়ে যাওয়া।’

blaze-of-glory-minimalist-abstract-painting
শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য: পর্ব ৫০

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

স্বপ্নময় চক্রবর্তী

উল্টো দূরবিন : পর্ব ২

‘বাড়িটার ছবিটা দেখি। ধূসর রং। মানে বহুদিন রং করা হয়নি। দোতলা বাড়ি। ছাদ থেকে পাইপ নেমে এসেছে কয়েকটা। বৃষ্টির জল নেমে আসে। একটাও নীচ পর্যন্ত নামেনি। আগেই ভেঙে গেছে। পাইপের তলার দেওয়ালের রঙ কখনও নীল, কখনও লাল, কখনও সবুজ। কারণ ছাদ থেকে রঙিন জল নেমে আসে বৃষ্টি পড়লে। কালির বড়ি তৈরির মণ্ড।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য : পর্ব ২৮

“কুয়োর ওপাশে ব্রাহ্মণ পরিবারটির অনেকে কৌতূহলী উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিলেন আমাদের দেখে। বিশেষত বালক, কিশোররা। সম্ভবত, এরা তলফিরামের নাতিপুতি। ‘আইয়ে আইয়ে’ বলে মুন্নারাই ডেকে এনে বসাল ওদের। ছয়ের দশকে বিনোবা ভাবে এসে রাজপুত ঠাকুর আর ব্রাহ্মণ পরিবারটির মিটমাট ঘটিয়ে দিয়েছেন। এদিনও আমার সামনেই মুন্না সিং রাঠোর আর দৌলতরাম করমর্দন করল।”