
দূরপাল্লা : পর্ব ৩৫
প্রস্তর, বৃক্ষ, মহীরুহরা যেন আমাদেরই ছোঁয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে মার্কিন মুলুকের এই অরণ্যে…

প্রস্তর, বৃক্ষ, মহীরুহরা যেন আমাদেরই ছোঁয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে মার্কিন মুলুকের এই অরণ্যে…

‘ছাই রঙের এক চোখজ্বালানিয়া ধোঁয়া আমাদের উঠোন পার করে চলে যেত দূর-দূরান্তে। কখনও সকালে, কখনও সন্ধের মুখে। তার সঙ্গে মিশে যেত দূর কোনও কারখানার সাইরেনের আওয়াজ বা পাশের বাড়ির শাঁখ।’
‘হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল’। পর্ব ৪৪…

এক প্রবাদপ্রতিম কবির কবিতা অনুবাদ করছেন আরেক প্রবাদপ্রতিম কবি! কোথাও কি হারিয়ে গেল ভাষার জাদু?

‘একদিন মনে হল, ক’জন মিলে সেখানে একখানা লাইব্রেরি চালু করলে কেমন হয়? পাড়ায় বেশ বড়সড় লাইব্রেরি আছে, আজাদ হিন্দ পাঠাগার, কিন্তু সে তো সকলের জন্যে। এই লাইব্রেরি হবে কেবলই আমাদের। বইয়ের ওপর বেশ একরকম মৌরসিপাট্টা থাকবে, তবে না ব্যাপার?’
‘হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল’। পর্ব ৪৩…

‘তরিবতের বিহনে মঞ্জরী/ বাগানে মন শুকিয়ে রাখে ভিজে…/ আমি তোমায় কথা-অবাক করি,/ তুমি আমার নিন্দে করোনি যে!/ শত্রু চায় ফুলের আমদানি/ পরাগ তার মাধুর্য বিকিয়ে/ শোধ করেছে বিষাদঋণখানি…/ সন্ধেবেলা কুহকে তার বিয়ে।’

‘ঢেউ ওঠে পাতা পাতা, বইয়ের দু’ধারে সাদা বালি/ তোমার কাগজ চেনে মৃদু বিষাদের কর্মখালি/ এদিকে যে-কোনও মর্মে যুগে যুগে ক্ষুব্ধ নেটিজেন।/ এরই মধ্যে, সে বালক, জানেমন, বহু রাস্তা পার/ সোনালি রাগের সুরে ঝলসে ওঠে ডুবন্ত সেতার!’

‘সুরের মধ্যে একটা পুনরাবৃত্তি আছে, যেমন মনখারাপের বাতাসে থাকে। সে বারে বারে একই পথে ফিরে এসে হানা দেয়, এ-গানের সুরও তাই। আর যখন বলা হচ্ছে, ‘আমাকেও সাথে নিও, নেবে তো আমায়…’, এইটুকুর মধ্যে আকুতি, অনুরোধ, আশঙ্কা আর অনির্দেশ একসঙ্গে ফুটে উঠছে, এমনই আশ্চর্য আর অব্যর্থ শব্দ-সুরের প্রয়োগ!’

‘মেট্রো থেকে যখন টালিগঞ্জে নামছি, তখন আরেক দফা হুড়মুড়িয়ে নামল আকাশ ভেঙে। বুঝলাম, আজ কপালে প্রভূত দুঃখ অপেক্ষা করে আছে। এই মুষলধার বৃষ্টিতে কতক্ষণ যে লাইনে দাঁড়াতে হবে, কেউ জানে না, অটো পাওয়া তো অনেক পরের কথা।’

‘অথচ দিন ছিল তো বেশ ঢালু/গড়াত রোদ নীল জলের দিকে/এখানে তাও প্রবাদ আছে চালু,/সহানুভূতি পায় না দুঃখীকে। আবার কোনও বসতি-অবসরে/চিঠির ভাঁজে বানিয়ে নিয়ো বিমান…/তোমার হাতে ক্ষয়ক্ষতির পরে/বিষাদ মাপে অবসানের সীমা।’

‘লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি এবং উইলিয়ম শেক্সপিয়র জন্মেছেন এই বৈশাখেই। লিওনার্দো তো দেখেশুনে পয়লা বৈশাখ, কেননা পৃথিবীর পয়লা নম্বর শিল্পী জন্মানোর জন্য আর কোন তারিখই বা বেছে নিতেন!’

‘নীল অনেক রকমের হয়। কিন্তু নীলের মধ্যে এত রকমের অন্য রঙের সমাহারও যে তাকে নীলই করে তুলতে পারে, তা আমার কল্পনায় ছিল না। আর সে তো কেবল মেঘের পরতে ঢাকা সামান্য বা সাধারণ বা স্বাভাবিক আকাশ নয়।’

‘কে নেয় তাকে বইয়ের ভাঁজে, কে করে গুম খুন
এ সবই তারা জানে।
বসন্তেও কাজ পায় না চৈত্র-ফাল্গুন
মড়ক লাগে ধানে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.