চারটি তারার তিমির

‘জীবনানন্দ দূরের কবি নন। অনুভব করি। কলকাতার ভাড়াবাড়িতে থাকি। দু’মুঠো ফুটিয়ে খাই। পথ হাঁটি। সময় পেলেই পথ হাঁটি। মানিব্যাগে ওষুধ রাখা থাকে। টলে গেলে দ্রুত খেয়ে নিতে হবে। ক্লান্ত হয়ে নিঃসঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ি।’

Birendra Chattopadhyay

‘অন্ন’জীবন

‘ভাত খেয়ে থালা ধুচ্ছি গাছের গুঁড়ি বাঁধানো পুকুরজলে। আলো ঝমকম করছে। মনে পড়ল, অন্নদেবতা কবিতাটি। আমি দু-আঁজলায় জল নিয়ে জল-তর্পণ করলাম অন্নদেবতার উদ্দেশে। কবিতাটি সম্পূর্ণ হয়ে এল জীবনে।’
বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ…

Rath

‘আধেক আলোর মেলা’

‘অফুরন্ত থই-থই মানুষের ভিড়। রথে-রথে ছয়লাপ। জলের কীর্তন আকাশ ছুঁয়েছে। দশদিকে মেঘের শ্রীখোলে টান লেগেছে। চৈতন্যের পায়ের ছাপ একদা এই পথে, ভাবতেই শরীর রোমাঞ্চিত কদমফুল।’

Text From a Short Story

সমুদ্রের খিদে…

‘…গল্পটি যত এগোচ্ছিল, আমার এতদিনের সমস্ত সমুদ্র-বোধ ধীরে-ধীরে গলে যাচ্ছিল; ঘেমে উঠছিলাম নিমের ছায়ায়। গল্পটি পড়ার ‘আগের আমি’ ও ‘পরের আমি’ সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে গিয়েছিলাম।’

নির্জন চৈত্রের লেখা

‘আমার কান বদলে গেছে অপরূপ যোনিতে।/ তোমার সমস্ত কথা পুরুষাঙ্গ হয়ে প্রবেশ করছে ভিতরে।/ ধীরে ধীরে রাঙা মেঘের ভিতর দিয়ে উঁকি দিল সন্ধ্যাতারা,/ উড়োজাহাজ চলে যাওয়ার চিহ্ন আকাশে।/ ভিতরে ভিতরে রমণ চলেছে আমাদের,/
আর খুলে খুলে যাচ্ছে মেরুদণ্ডে লুকানো গুপ্ত-সন্ধ্যা’ নতুন কবিতা।