বাংলার বাইবেল : পর্ব ৬

সারা পৃথিবীর মতো ভারতেও দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিজস্ব খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের ধারা সময়ের সঙ্গে গড়ে উঠেছে। আমরা হুতোমের লেখায় কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ আগেই দেখলাম। তিনি ভারতীয় থিওলজির একজন আদিপুরুষ।

Representative Image

বাংলার বাইবেল: পর্ব ৫

‘‘এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, বাইবেল একবার নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও এত পার্থক্য কেন? এর কারণ বাইবেল কেন্দ্রীয়ভাবে একরকম নির্দিষ্ট হলেও স্থানীয় ভাবে নানান প্রভাব এসে পড়ত। প্রেস তো ছিল না! আবার গোড়ার যুগেও অনেক স্থানীয় অনুবাদ হত। আর সেগুলোর চটজলদি ‘কপি’ ও তৈরি হয়ে যেত খুব অল্প সময়ে।’’

Representative Image

বাংলার বাইবেল: পর্ব ৪

‘‘প্রোটেস্ট্যান্টরা বাইবেলের অনুবাদ ও বাইবেল নির্ভর প্রচারের ওপর বিশ্বাস করতেন বেশি। কেরিও মনে করতেন যদি এ-দেশীয়দের হাতে নিজের ভাষায় বাইবেল তুলে দেওয়া যায়, তাহলে বাইবেলই তাঁদের পথ দেখাবে ও ‘অন্ধকার থেকে আলোর’ দিকে নিয়ে আসবে।’’

Representative Image

বাংলার বাইবেল: পর্ব ৩

‘‘বাংলা বাইবেল-সংক্রান্ত প্রথম বিজ্ঞাপনটি আমারা পাই ১৭৮৩ সালের ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া গেজেট’ পত্রিকায়। বেশ রহস্যের ঢঙে লেখা সেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলায় ধর্মগ্রন্থ (স্ক্রিপচার্স) অনুবাদে কেউ আগ্রহী এবং যোগ্য হলে, তাঁকে আর্থিক সাহায্য করা হবে।’’

বাংলার বাইবেল: পর্ব ২

‘হতদরিদ্র অসহায় কৃষ্ণ পালকে হুগলির জলে নিমজ্জন করা এক জিনিস, কিন্তু পরমাত্মাকে যেভাবে কেরি ডোবালেন, তাতে অনেকেই আঁতকে উঠেছিল। মনে রাখতে হবে যে, এই নিমজ্জনের মধ্যে দিয়ে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষার ব্যাপারটা ব্যাপ্টিস্টদের একটি জরুরি সাম্প্রদায়িক আচার হলেও, সবার কাছে নয়।’

বাংলার বাইবেল : পর্ব ১

‘বাংলা বাইবেল অনুবাদে এক আশ্চর্য বিতর্কের জন্ম হয়, যার ঢেউ গিয়ে পড়ে এদেশ ছেড়ে আমেরিকার মাটিতে। একটিমাত্র শব্দকে কেন্দ্র করে বাইবেল সোসাইটির উত্থান প্রশ্নাতীত হয়ে যায়।’