
সমাজ, নীতি, রাজনীতি
‘বেতেই বলছেন, একজন সমাজবিজ্ঞানীর কাজ কিন্তু রাষ্ট্রীয় নীতি তৈরি করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা। বরং পাবলিক মাইন্ড বা জনচেতনা তৈরির ভূমিকাই এখানে মুখ্য।’

‘বেতেই বলছেন, একজন সমাজবিজ্ঞানীর কাজ কিন্তু রাষ্ট্রীয় নীতি তৈরি করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা। বরং পাবলিক মাইন্ড বা জনচেতনা তৈরির ভূমিকাই এখানে মুখ্য।’

আইনস্টাইনের আসবাব-প্রীতির গল্প কিন্তু সত্যি। নাৎজিদের চোখ এড়িয়ে একটা-দুটো নয়, পঁয়ষট্রিটা আসবাব তিনি চোরাপথে আনিয়েছিলেন জার্মানি থেকে প্রিন্সটনে। এর মধ্যে খুব প্রিয় আরামকেদারাটি দেখার সৌভাগ্য হল। হিস্টরিক্যাল সোসাইটি অফ প্রিন্সটন মাঝে-মাঝেই বিজ্ঞানীর আসবাবের প্রদর্শনী করে ‘আইনস্টাইন অ্যাট হোম’।

‘সেই প্রবাদে আজও ওড়ে ফুলকি ও হেমন্ত/ আর কিছুদিন আগেও কত রঙিন ছিল মন তোর—/ রোজ একখানা মোমবাতি তোর হাতের পাতায় জ্বালতিস।’ নতুন কবিতা।

‘‘একজনকে চেনার জন্য তাঁর শৈশব ও কৈশোর যতটা গুরুত্বপূর্ণ, অন্য কিছু সেভাবে নয় বোধহয়। জীবন কোন পথে চলবে, তার একটা রূপরেখা, অনেকটাই তৈরি হয়ে যায় ওই বয়সের মধ্যে। এই বইয়ের ‘আমার শেকড়-বাকড়’ অংশটি সেই কারণেই এত আকর্ষণীয়।’’

সমগ্র রাজস্থান ঘুরলে দেখা যায় অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টিপাতের সেই বিশাল রাজ্যে কত বিচিত্রভাবে আরাবল্লি পাহাড়ের উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে জলমাটিতে সুস্থিত জীবনযাপন করেন বিভিন্ন জীবিকার সাধারণ লোকজন। কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণধারণ ও সুস্থ থাকার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় জলের প্রধান আধার এই প্রাচীন ও সুবিশাল পর্বতমালা।

এপস্টিন ফাইলের পাচারচক্র দেখায়, কীভাবে অর্থ, সামাজিক প্রভাব এবং ক্ষমতার আড়ালে একটি অপরাধচক্র বছরের পর বছর ধরে আইনের চোখ এড়িয়ে চলতে পারে। তাই এই ফাইল কেবল আইনি নথির সংগ্রহ নয়। এটি আধুনিক সমাজে ক্ষমতার অপব্যবহারের এক শক্তিশালী প্রমাণপত্র।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে করুণানিধান মুখোপাধ্যায় ও অনিল করঞ্জাই।

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”

‘রবীন্দ্রগানের রেকর্ডিং-এর ইতিহাস বা তার পেছনের কাহিনি নিয়ে বাংলায় একাধিক বই লেখা হয়েছে। সেসবের ভিড়েও এই বই আলাদা জায়গা করে নেবে। কেন?’

‘বাড়িটার ছবিটা দেখি। ধূসর রং। মানে বহুদিন রং করা হয়নি। দোতলা বাড়ি। ছাদ থেকে পাইপ নেমে এসেছে কয়েকটা। বৃষ্টির জল নেমে আসে। একটাও নীচ পর্যন্ত নামেনি। আগেই ভেঙে গেছে। পাইপের তলার দেওয়ালের রঙ কখনও নীল, কখনও লাল, কখনও সবুজ। কারণ ছাদ থেকে রঙিন জল নেমে আসে বৃষ্টি পড়লে। কালির বড়ি তৈরির মণ্ড।’

‘২০৪ নম্বর বাসে করে সকাল হলে, সাদা পাতার মতো টুপটাপ বিদেশি মানে ফরেনাররা নেমে পড়ে। বিশেষত শীতের সকালে তো অগুনতি। ওই বাসস্টপ থেকে গৌর সেই ফরেনারদের ক্যাচ করে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে, টক করতে করতে কালীঘাট মন্দির পর্যন্ত আসে।’

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.