
স্মৃতি-সত্তা-নির্মাণ
‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

‘‘‘তখন বিকেল’-এ, তাপস সেন অলোকসম্পাত করেছিলেন। প্রায় নিরাভরণ মঞ্চে, অসিত মুখোপাধ্যায়, শিপ্রা লাহিড়ী দু’জনে পাশাপাশি বসে কথা বলছেন। ওপরে একটা বড় ছাতা। তারপরে সন্ধে ঘনায় এই ভাব অনুযায়ী আলো পাল্টাতে থাকে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’’

‘কিন্তু অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সবসময়ে মশাল হয়ে ওঠে না। এ-সব টুকরো-টুকরো ছবি আর ভিডিও-র মেয়াদই বা কতদিন? অ্যালগরিদম-এর চোরাবালি তো অল্প সময়েই গিলে নেবে তাদের; এ-সব দিয়ে আর কতদিন আশা জিইয়ে রাখা যায়?’

‘‘‘সবর বন্দা’ ছবিটি আলাদা তার শৈল্পিক গুণে। আনন্দ প্যাকেট খুলে ক্যাকটাস ফল দেখতে পায় আর হেসে । যত্ন করে কাঁটা ছাড়ানো লাল ফল। আনন্দের সকালে উঠতে দেরি হয় জেনে, তার বাল্যবন্ধু বালিয়া (সূরয সুমন) ‘সারপ্রাইজ’ বলে জিনিসটি রেখে গেছে। এই ক্যাকটাস ফল— মারাঠি ভাষায় যাকে সবর বন্দা বলে— তা আনন্দের শৈশব ও তারুণ্যের অভিজ্ঞান।’’

ডেনমার্ক প্রস্তাব এনেছে, খাবারকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তার মানে চতুর্দশপদী আর চিংড়ির মালাইকারি রেষারেষি করবে পুরস্কারের জন্য, বা শিল্প-ফান্ডিং’এর জন্য। কবি ও রাঁধুনি থাকবেন একই পুরস্কারের দৌড়ে। এ ভাবনা কি একেবারে উদ্ভট, না কি এর কোনও সারবত্তা আছে?

‘এটা সিনেমার দোষ না। এটা মানুষের মনস্তত্ত্ব। তুমি নিজেই তো তোমার জীবনের ডিরেক্টর। মেমরি কি মন্তাজ নয়? তুমি নিজেই কাটছাঁট করো, ড্রামাটাইজ করো। তাহলে সিনেমাকে দোষ দিচ্ছ কেন?’

“আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের কাছে অলকনন্দা মানেই ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ হলেও বাস্তবে তো তা নয়। তিনি আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন চলচ্চিত্র, নাটক, টেলিভিশনে। আর ‘বর্ষা আসে, বসন্ত’র প্রথম চৌষট্টি পাতা জুড়ে তাঁর পরিবারের যে চালচিত্র তিনি এঁকেছেন তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।”

‘‘গ্রন্থের শিরোনাম ‘পটে লিখা’, তার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যঞ্জনাময় সাব-টাইটেল— ‘রূপ, অরূপ আর স্মৃতির কথন’, লেখক মনসিজ মজুমদার। গ্রন্থনাম আর গ্রন্থকার একত্রে এই বইয়ের অন্দরমহল জুড়ে মুহূর্তে বিপুল আগ্রহ তৈরি করে দিল। সে বইখানা নিয়েই আজ দু’-চার কথা, না একে গম্ভীর শব্দবন্ধে গ্রন্থসমালোচনা কখনওই বলা চলে না। এ যেন চায়ের পেয়ালা হাতে শিল্পিত অবসর যাপন।’’

‘বেকারত্ব, সংকটে ভরা সেই দশকের ইতিহাসে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আখ্যান অবলম্বনে, তপন সিংহর এই চলচ্চিত্র, এই যুবককুলের প্রতি সমব্যথী হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ বিপরীতাভাস তাঁরই ছবিতে উঠে আসবে আর ঠিক এক দশক পরে।’

‘তবে চলচ্চিত্র-নির্মাতার কাছেও দেখার দু’টি পথ খোলা থাকে। একটি আপেক্ষিক, যা দৃশ্যকে শুধু গল্পের প্রয়োজনে ব্যবহার করে; অন্যটি পরম, যা দৃশ্যকে তার নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকু দেয়। বেলা টারের চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি ঘটে।’

‘‘এই প্রদর্শনীতে পুরাণ ও বিভিন্ন দেবদেবীর ছবিসমূহ যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানও। টেম্পেরা মাধম্যে অঙ্কিত ‘কালীনাচ’ শীর্ষক ছবিটির এঁর অন্যতম উদাহরণ; এই ছবিতে বিভিন্ন জনমানসের সমাগমে বহুরূপী সেজে কালীকথার প্রদর্শন হচ্ছে। এছাড়াও প্রদর্শিত হয়েছে ‘বর বরণে’ শীর্ষক ছবি।’’

‘প্রিয়ব্রত বাবু এবং স্বপ্না দেব সর্বময় কর্তা-কর্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, একটা দুর্লভগুণের অধিকারী ছিলেন। যাঁর যা কাজ, সেখানে কখনও হস্তক্ষেপ করতেন না। লেখক কিংবা শিল্পীর কাজের ব্যাপারে নীরবই থাকতেন। বলা ভাল, শিল্পীকে স্বাধীনতা দিতেন।’

‘ভারতের একমাত্র শিল্পী, যিনি একসঙ্গে দু’টি কণ্ঠে ধ্রুপদী সংগীত গাইতে পারতেন— তাঁর নাম অনাথনাথ বসু। মহিলাকণ্ঠে ঠুমরি গাইতেন, পুরুষকণ্ঠে গাইতেন খেয়াল।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.