
আগুনের বর্ণমালা
‘মানুষ আর লেখক হিসেবে সম্পূর্ণ স্বাধীনচেতা ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী। একেবারে শুরু থেকেই। পাঠক কী ভাববে, পছন্দ করবে কী করবে না, তা নিয়ে মাথা ঘামাতেন না। কোন লেখা কীভাবে লিখলে অমরত্বের সন্ধান পাওয়া যাবে, তা নিয়ে ভাবতেন না।’

‘মানুষ আর লেখক হিসেবে সম্পূর্ণ স্বাধীনচেতা ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী। একেবারে শুরু থেকেই। পাঠক কী ভাববে, পছন্দ করবে কী করবে না, তা নিয়ে মাথা ঘামাতেন না। কোন লেখা কীভাবে লিখলে অমরত্বের সন্ধান পাওয়া যাবে, তা নিয়ে ভাবতেন না।’

‘পেশা আর নেশা মিলিয়ে, ইদানীংকালে বুঝি, ‘আমাদের যে রোববার গেছে, একেবারেই কি গেছে’ বলে বিষাদ করে লাভ নেই। বরং, আদতে আমরা, বা আমি নিজে, হারিয়েছি এই সোমবারটাকেই।’

‘তিনি সাঁতরে গেলেন আজীবন। আলোর দিকে ঘুরে ঘুরে উঠে এলেন একের পর এক ‘নূতন সিন্ধুপারে’। ঠিক কঙ্কাবতীর মতোই। নবনীতার জীবন কি রূপকথাই নয়? যে রূপকথায় তিনিই দক্ষিণারঞ্জন। তিনিই লালকমল। আর তিনিই নীলকমল?’

‘সদ্য-তরুণ বয়সে আমি পড়েছিলাম বুদ্ধদেব বসুর সতর্কবাণী— চাকরি আর বিবাহ কবিতার শত্রু। আর সাংবাদিকতাও কবিতার শত্রু। চিন্তায়-চিন্তায় একেবারে মুষড়ে পড়লাম আমি। ‘জলপাই কাঠের এসরাজ’-এর পর যা লিখি, মনঃপূত হচ্ছিল না আমার।’

‘মুকেশ এবং তাঁর মতো সাংবাদিকরা কোনওরকম অর্থানুকূল্য ও সুরক্ষা ছাড়াই ক্রমাগত সত্য উদঘাটনের কাজ করে যান। এইসব কাজের বেশিরভাগটা আসলে বড় হাউজের পত্রিকাগুলির সহায়কের ভূমিকা পালন করা।’

‘আগাথা ক্রিস্টি-র ৮৫ বছরের জীবদ্দশায় লেখকজীবন কমবেশি ৬০ বছরের। অজস্র লিখেছেন। পোয়ারো, মিস মার্পল, টমি অ্যান্ড টাপেন্স, স্ট্যান্ডঅ্যালোন রহস্য উপন্যাস, স্মৃতিকথা, অজস্র গল্প— সমস্তই এখনও ছাপা হয়ে চলেছে, এ প্রায় অবিশ্বাস্য ব্যাপার!’

‘বুঝতে পারব, ‘হৃদয় শ্মশান’ না হলে, ‘প্রেম প্রেম এইমাত্র ধন’ জীবনের প্রত্যক্ষদৃষ্ট সত্য হয়ে ওঠে না। জীবনের বুকে বসে মরণের এই আস্বাদনের রহস্যই কালীর রহস্য।’

‘‘কবিতা মায়া, বিভ্রম, আলো ও ছায়া— জীবন ও জীবনাতীতের মিশ্রণ।‘— লিখেছিলেন দেবারতি। মায়া, বিভ্রমের পথে হেঁটে আলো ও ছায়ায় পৌঁছোতে সম্পাদনার ভূমিকা অনস্বীকার্য।‘

চিলির ছবি ‘ইন হার প্লেস’ কোথাও প্রকট কর্কশ ভাবে নারীস্বাধীনতার ঝান্ডা তোলে না, একটা লোকের নিজের যত্নের তৃষ্ণাটুকু, নিজেকে মর্যাদা দেওয়ার খিদেটুকু দরদি দৃশ্যে দেখিয়ে যায় শুধু।

‘বৃষ্টি একটা রূপকমাত্র। তুমি এই বৃষ্টির মধ্যে জীবনটা দ্যাখো নীলা। মুহূর্তগুলো চলে যাচ্ছে। কিছু পড়ে থাকবে না। তোমার প্রতিটা মুহূর্ত তোমার! শুধু তোমার। সব ঝরে যাচ্ছে। তুমি না বাঁচতে চাইলে সেগুলো বৃথা যাবে! নষ্ট হবে। তুমি দু’ফোঁটা গায়ে মেখে নাও।’

‘বাংলা আধুনিক গানের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর বেশিরভাগই সুধীন দাশগুপ্তর কম্পোজিশন। যেমন, খুব জনপ্রিয় সুর সেগুলো, তেমন তার মধ্যে গভীরতাও ছিল। ‘এত সুর আর এত গান’ ‘আকাশে আজ রঙের খেলা’ যেমন মনে পড়ছে।’

‘এ-বইয়ের প্রকাশক এবং অনুচ্চারিত সম্পাদক আরও একটা ভ্যালু যোগ করেছেন এতে, নির্দেশিকা। স্মৃতিকথা বা আত্মজীবনীর নির্দেশিকা তৈরি করাটা একটা সময়ের ইতিহাসের স্বার্থেই ভীষণ জরুরি সেটা মনে রেখেছেন তাঁরা, এটা বিশেষ ভাবে বলতেই হয়।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.