
বাংলার বাইবেল : পর্ব ১
‘বাংলা বাইবেল অনুবাদে এক আশ্চর্য বিতর্কের জন্ম হয়, যার ঢেউ গিয়ে পড়ে এদেশ ছেড়ে আমেরিকার মাটিতে। একটিমাত্র শব্দকে কেন্দ্র করে বাইবেল সোসাইটির উত্থান প্রশ্নাতীত হয়ে যায়।’

‘বাংলা বাইবেল অনুবাদে এক আশ্চর্য বিতর্কের জন্ম হয়, যার ঢেউ গিয়ে পড়ে এদেশ ছেড়ে আমেরিকার মাটিতে। একটিমাত্র শব্দকে কেন্দ্র করে বাইবেল সোসাইটির উত্থান প্রশ্নাতীত হয়ে যায়।’

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের চিঠি।

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সাগরময় ঘোষ এবং মলয় রায়চৌধুরীর চিঠি।

‘জ্যোতিউজল বিড়ালী এক পাড়ামনিব,/ ডানা পোড়ায় সারাটা রাত চাঁদের পায়ে/ ক্ষতের প্রিয় বন্ধু জোটে সজল জিভ/ জ্যোৎস্নাকে সে তলব করে চুরির দায়ে।’

‘মা ছিল ম্যাচিওরড, বাবা তো শিশুই, তাই/ মনে করত, কত কিছুই হতে পারে, ঘটে যেতে পারে যাহা-তাহা,/ কেউ আবার মরে নাকি আহা…/ মৃত্যুর রাতে বাবার সামনে যাইনি কিছুতেই, জানতাম আর/ কিছু করা যাবে না, শেষ রক্ষার সময় শেষ হয়ে গেছে…’

‘তোমারও ঘুমের রং কফির মতোই নীল কড়া ও কাফের/ যেমন নাটক ছিল পাড়ার মলিন স্টেজে ছোটকাকাদের/ তেমনই তোমার মন দুটো ছোট হাততালি জড়িয়ে ঘুমোয়/ বিরহ রাহুল দেব গুলজার হয়ে এসে পাশ ফিরে শোয়’

‘যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এরপর থেকে দুর্গের এদিকে ওদিকে ছোটবড় পাথরে নানা ঠাকুরের নাম লেখা হতে লাগল। মেহের আলি দূর থেকে দেখল, তেড়ে খিস্তি পর্যন্ত করল। কিন্তু যারা লিখছে তাদের হাতে দু-একবার চড়থাপ্পড় খাওয়ার পর গুটিয়ে গেল। দুর্গে লোকসমাগম বেড়ে গেল আরও।’

‘তন্ন তন্ন করে খুঁজেও বুঝতে পারলাম না, কী সেই অ্যাকসিডেন্ট; কে ওর স্বামী! আরও সন্তানাদি আছে কি! সন্ন্যাসীদের পূর্বাশ্রমের মতোই সে-সব যেন ত্যাগ করেছে মেয়েটি। অবাকই লাগল তার নিজের মায়ের মৃত্যু-সংক্রান্ত পোস্টটি পড়ে। সাদা-কালো ছবিতে শাড়ি-পরা বাঙালি মা।’

‘মনে-মনে বউকে আদরসোহাগ করতে-করতে কখন যেন সরল শিশুর মতো ঘুমিয়ে পড়েছিল কাল্লা। হঠাৎ কাদের কথাবার্তার শব্দে ঘুম চটে গেল। তারই সঙ্গে কাঠকুটো পোড়ার কট্-কট্ শব্দ। ব্যাপারখানা কী?’

‘এটা জেন্ডার ইকুয়ালিটির জমানা। একটা মেয়ে যদি ছেলেদের পোশাক সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে পারে একটা ছেলে শাড়ি সম্পর্কে জ্ঞানী হবে না কেন! আজকাল তো ছেলেরাও শাড়ি পরছে! সেদিন কাগজে ছবি দেখলাম। আমি যখন ঠিক করে ফেলেছি, করেই ছাড়ব।’
গল্প। ভ্রমর সেনের সন্দেহ…

‘তরিবতের বিহনে মঞ্জরী/ বাগানে মন শুকিয়ে রাখে ভিজে…/ আমি তোমায় কথা-অবাক করি,/ তুমি আমার নিন্দে করোনি যে!/ শত্রু চায় ফুলের আমদানি/ পরাগ তার মাধুর্য বিকিয়ে/ শোধ করেছে বিষাদঋণখানি…/ সন্ধেবেলা কুহকে তার বিয়ে।’

‘অদিশ ভয়ঙ্কর ভেঙে পড়েছিল; কয়েকমাস রীতিমতো ডিপ্রেশনে চলে যায়। দু’চোখে অন্ধকার দেখে, এমনকী শিশুপুত্রকেও অবহেলা করতে শুরু করে। তার গুটিকয়েক বন্ধু , কলিগ এবং সায়নীদি পাশে না দাঁড়ালে কী যে হত সে-সময়ে…’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.