
ধর্মের আগ্রাসনে ক্রিকেট
‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

‘‘একবার ভাবুন তো, কলকাতার ক্রীড়া-সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে এই হিন্দুত্ববাদী আস্ফালনের ন্যূনতম সম্পর্ক রয়েছে কি না? আর কেনই-বা বিসিসিআই ক্রিকেট পরিচালনার ক্ষেত্রে এইসব অ-ক্রিকেটীয় ব্যতক্তিদের ‘হুমকিকে’ পাত্তা দেবে?’’

“সামরিক কর্তা বলেছিলেন, ‘এটা দুর্দান্ত ও মহৎ, কিন্তু এটা যুদ্ধ নয়। পাগলামি।’ সমালোচকরা বলছেন, ইংল্যান্ড গত কয়েক বছর খুব দ্রুত রান তুলে ও ম্যাচকে দ্বিগুণ উত্তেজনাময় করে এবং কয়েকটা খেলা জিতে এতই আত্মসন্তুষ্ট হয়ে পড়েছে, বুঝতেই পারছে না, এই রগরগে ও হুট-মুগ্ধকারী ধরনটা আসলে আত্মঘাতী।”

‘‘বিশ্বকাপে সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে এই টিম স্পিরিটের। তিনটে ম্যাচ হারার পর প্রচণ্ড চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম। তখন আমরা একে-অপরের পাশে থেকেছি প্রবলভাবে; দোষারোপ করিনি কাউকে। বিশ্বাস ছিল, দু’বছরের মেহনত বৃথা যাবে না।’’

‘কেবলমাত্র ফ্যান এনগেজমেন্ট ইভেন্ট হিসেবেও মেসির কলকাতা ভ্রমণকে বিতর্কের বাইরে রাখা যেত। উদ্যোক্তারা যে সর্বসাকুল্যে একঘণ্টা সময় পেয়েছিলেন দর্শকের সামনে মেসিকে নিয়ে আসার, সেই সময়ে ম্যানেজমেন্টের এই বিপুল গাফিলতি কেন?’

“মেয়েদের এই বিশেষ ক্রিকেটের পরিকাঠামো, জনপ্রিয়তা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, নিজেদের গ্রামীণ পরিবারের সচ্ছলতার অভাব— সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, এই বিশ্বজয় মনে করিয়ে দেয় সেই বিখ্যাত গানটির লাইন, ‘তু জিন্দা হেয় তো জিন্দেগি কে জিত পেয় ইয়েকিন কর…’”

‘তেরো বছর পর, অপরাজেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ; অ্যান্ডি রবার্টস-বার্নার্ড জুলিয়েনের ওয়েস্ট ইন্ডিজ হার মানল ইডেনে। এই শতকে ইডেন দেখল ক্রিকেটের বরপুত্র সচিন তেণ্ডুলকরের পেনাল্টিমেট টেস্ট ম্যাচ; দেখল ২০০৫-এ সৌরভের ভারতের সামনে ইনজামামের পাকিস্তানকে।’

‘দুরন্ত খেলোয়াড়দের অটল ঈশ্বরবিশ্বাস দেখে কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে, এঁরা যখন হেরে যান, বা সহজ শট ফসকান, তখন ঈশ্বরকে দায়ী করেন কি? কিংবা জেমাইমাই যে-দুটো লোপ্পা ক্যাচ তুলেছিলেন ওই ম্যাচে, যদি সেগুলো ফিল্ডাররা ধরে নিতেন, তাহলে কি ঈশ্বরের দোষ দেওয়া হত?’

‘যে দেশ পুরুষ ক্রিকেটদলের প্রাক্তন অধিনায়ক জনপ্রিয় গণমাধ্যমে মন্তব্য রাখেন ‘মেয়েদের ক্রিকেট খেলার কোনও দরকার নেই’, সেই দেশের প্রমীলা বাহিনীর ক্রিকেটে বিশ্বজয়ের যে নিক্তি, তা তো কখনওই ‘৮৩ বা ‘১১ র নিক্তির সঙ্গে তুলনায় আসতেই পারে না!’

‘সমগ্র স্টেডিয়াম ছিল বিরুদ্ধে, ঐতিহাসিক সোনাজয়ের লড়াইয়ে চুনী-পিকে-জার্নেলদের হয়ে হয়ে গলা ফাটালেন পাক হকি তারকারা।’
১৯৬২-র জাকার্তা এশিয়ান গেমসের ফুটবল ফাইনাল নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ…

‘অগাস্ট মাসেই আরও একটা কলঙ্কিত দিন রয়েছে। ১৬ অগাস্ট, ১৯৮০। ঐতিহাসিক কলকাতা ডার্বি, ফিফার ‘ক্লাসিক রাইভালরি’-র তালিকায় নথিভুক্ত ময়দানি প্রতিদ্বন্দ্বীরা মাঠে নেমেছে। এগারো মিনিটের মাথায় বিদেশ বসুর সঙ্গে দিলীপ পালিতের ফাউল, রেফারির সিদ্ধান্তহীনতা দিয়ে শুরু হল দ্বন্দ্ব। যা গ্যালারি পেরিয়ে মাঠের বাইরে অবধি গড়াল।’

‘প্রায় ১৪০ বছর পিছিয়ে গেলে, লর্ডসের মাঠে এক চরিত্রকে আমরা খুঁজে পাব। খুঁজে পাব এক সেনানীকে, যাঁর হাত ধরেই লর্ডসের ময়দানে প্রথমবার টেস্ট ক্রিকেট তাঁর আসল রং-রূপ-গন্ধ-স্পর্শ নিয়ে হাজির হয়েছিল।’

‘প্রায় অর্ধশতাব্দী পরে পাল্টে যাওয়া দুনিয়ায় লিভারপুলের দায়িত্ব নিয়ে ক্লপ শুরুটা করেছিলেন খানিক বিল শ্যাঙ্কলির ঢংয়েই। সমর্থক, প্রশিক্ষক এবং ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বাসের সেতু গড়ে তুলে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.