
কীটপতঙ্গের গোপন ভাষা
প্রাণীজগতে বৈচিত্রের শেষ নেই। মানুষ এবং পাখি সংগীতের বিষয়ে অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে, কিন্তু জীববিজ্ঞানে শুধু মানুষ এবং পাখিই নয়, তারা ছাড়াও এই জগতে অনেকেই

প্রাণীজগতে বৈচিত্রের শেষ নেই। মানুষ এবং পাখি সংগীতের বিষয়ে অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে, কিন্তু জীববিজ্ঞানে শুধু মানুষ এবং পাখিই নয়, তারা ছাড়াও এই জগতে অনেকেই

‘পার্কার, শেফার্স ১-২ টাকায় পাওয়া যেত ওদের দোকানে— পেন হাসপাতালে আর একটু বেশি দরে বিকোত গুড উইলের কারণে। উইলসন এবং চাইনিজ় কলমের দামও এক টাকাই ছিল। পশুপতিবাবু মাসে সাড়ে সাতশো থেকে হাজার টাকার ব্যাবসা করতেন মাসে এবং ৩০% লাভ থাকত হেসেখেলে।’

‘গুটখা, টি-টুয়েন্টি, সিরিয়ালের নোংরামো নেই, এমনকী মোবাইলফোনও শুধু জরুরি কথা বলার জন্যই এক কোণে পড়ে থাকে। একশো বছর আগে তৈরি ল্যাকার বডির ওপর মাদার অফ পার্লের কারুকাজ, ডগায় সোনার ডাবল হোল্ড নিব, কাট গ্লাসের দোয়াত, নীল কাচের কলমদান…!’

বঙ্কিমচন্দ্র কিংবা বিবেকানন্দ যেভাবে অহরহ এবং একরৈখিকভাবে আত্তীকৃত হয়ে চলেছেন আজকের হিন্দুত্ববাদীদের মাধ্যমে, সেই সম্ভাবনা রাজনারায়ণের ক্ষেত্রেও প্রবলভাবে রয়েছে। কিন্তু আশার কথা, এমত সম্ভাবনার প্রতিরোধের উপায়ও হাজির তাঁরই লেখাপত্রে।

‘এক পুলিশ অফিসার দেখলেন, বন্ধ একটি দোকানঘরের সিঁড়িতে এক বৃদ্ধ বসে আছেন। ময়লা পোশাক-আশাকে উদাস দৃষ্টিতে যানবাহন চলাচল দেখছেন। বৃদ্ধের মুখটি দেখে ওই পুলিশ অফিসার গাড়ি থামিয়ে দিলেন। ঠিক চিনেছেন পুলিশ অফিসারটি। ওই বৃদ্ধ অজয় মুখোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী।’

যখন প্রশ্ন ওঠে মানুষ, অন্য মানুষের দেহাংশ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে কি না, সেখানে শুধুমাত্র নীতিগত নয়, তৈরি হয় এক গভীরতর দার্শনিক সংকটও! এই সংকট আরও গুরুতর রূপ নেয় যখন আমরা ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি মেলে ধরি।

সেক্সুয়াল ক্যানিবালিজমের কিন্তু আরও ভিন্ন অর্থস্তর রয়েছে। ‘ক্যানিবালিজম’ অর্থ হল একটি শরীরকে ভোগ করা— ‘টু কনজিউম’। নারীবাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে সেই ভোগ আক্ষরিক অর্থে ভক্ষণ না করেও তো করা যেতে পারে।

আমাদের আগের প্রজন্মও উত্তমকুমারে মজে ছিলেন, যাঁরা বাংলা সিনেমার সেই স্বর্ণযুগে সত্যিই ছিলেন, আমরাও তাঁকে ভুলতে পারি না। ছোটবেলা থেকে যেটুকু অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি, তা উত্তমকুমারের জন্যই।

স্তম্ভিত, স্তব্ধ হয়ে গেলাম খবরটা শুনে। যাঁকে নিয়ে এমন একটা চরিত্র ভাবলাম, এমন একটা ছবির সম্ভাবনা যাঁকে ঘিরে তৈরি হল, সেই উত্তমকুমারই চলে গেলেন। আমার প্রথম বাংলা ছবির নায়ক হতেন যিনি, সেই উত্তমকুমার!

এই বিপর্যয়ের দিকে শুধু মৃতের সংখ্যা দিয়ে তাকালে আসল গল্পটি ধরা পড়বে না। আরও বড় একটি গল্প রয়েছে বরফের নীচে, পাহাড়ের ঢালে, নদীর স্রোতে এবং আমাদের উন্নয়নের চিন্তায়। নেপালে বিপর্যয় নতুন নয়।

দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে সমাজের নিচু স্তর থেকে উঠে আসা নায়ক, যারা সমাজে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে, আর তার জন্য শারীরিক নির্যাতন থেকে খুনোখুনি করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া— কোনওকিছুরই সীমা রাখছে না, তারাই এখন সিনেমার কালো ঘোড়া।

সম্প্রতি রাখিবন্ধন উপলক্ষে কৃতী শ্যানন অভিনীত একটি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনচিত্র ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞাপনে কৃতীকে দেখা যাচ্ছে, সমকালীন ভারতীয়-পাশ্চাত্য পোশাকে। কিন্তু সমালোচনার মূল নিশানা পোশাকটি নয়; বরং ব্লাউজের নকশা ও গভীর কাটিং, যা নাকি ভারতীয় ঐতিহ্যের নির্ধারিত শালীনতার দেওয়ালে চিড় ধরাচ্ছে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.