নিবন্ধ

Pablo Neruda
রবীনা মিত্র

বিষাদের বৈচিত্র্যময় সুর

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

Uttam Kumar
শান্তনু চক্রবর্তী

দুই উত্তম, এক চরিত্র

‘শুন বরনারী’ হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য প্রেমের উপাখ্যান। উত্তমকুমার এখানে এমন এক রোম্যান্স অবতার, যিনি রোম্যান্সকে ছোঁয়াচে রোগের মতোই বিপজ্জনক মনে করেন ও তার থেকে পালিয়ে বেড়ান। কিন্তু কেন হিমু এমন  করে, তার পিছনে পুরনো ব্যর্থ প্রেমের কী করুণ স্মৃতি আছে, সেসব আমরা ক্লাইম্যাক্সে জানতে পারছি।

ঋত্বিক মল্লিক

ভাষাসাগরের প্রবাল

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

সুশোভন অধিকারী

কবি কেতকী

নিভৃত স্বগতোক্তির মতো মেলে দেওয়া শব্দের সারি কেতকীর ভেতরের আনন্দ আর বেদনাকে তুলে ধরে। স্বদেশ, স্বজন আর মাতৃভাষাকে আঁকড়ে ‘কাঙালপনা’ সারাজীবন তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

সায়ন ভট্টাচার্য

মঞ্চে শরৎচন্দ্র

থিয়েটারের মধ্যে যাঁর শিল্পজীবনের সূচনা, পরবর্তীকালে তাঁর গল্প, উপন্যাসে যে নাটকের রসদ রক্তমাংসে মিশে থাকবে, এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। এই বিষয়ে সংশয়হীন হওয়া যায় ভারতের থিয়েটার মানচিত্রের দিকে নিবিড়ভাবে তাকালে।

অপরাজিতা দাশগুপ্ত

সেলাইসফর

ওস্তাদ দর্জিদের কথা থাক। আগেকার জমানায় মেয়েদের সেলাই বোনায় পারদর্শিতাকেও গুণাবলির মধ্যেই ধরা হত। বিয়ের বাজারে মেয়েদের কদর বাড়ত। এখন থেকে চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর আগে মহিলারা কম বেশি সকলেই সেলাই বোনায় পারদর্শী ছিলেন।

আশিস পাঠক

বাঙালি ও শরৎচন্দ্র

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’

সৈয়দ তৌসিফ আহমেদ

বাতেলাবাজের ধনুর্মার্গ

‘নিজের দৌড় সম্পর্কে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্চ ধারণা পোষণ করাতেই তাদের ভরপুর আমোদ। যে যত বেশি অজ্ঞ, মনে-মনে সে ততই প্রাজ্ঞ। নিজেকে গা-জোয়ারি চ্যাম্পিয়ন ভেবে বসার এই মাতব্বরির খেলায় আমরা রোজই নাম লেখাই। আষাঢ়ে আত্মবিশ্বাসের পথকে ক্রমশ চওড়া করি।’

অয়ন মুখোপাধ্যায়

যে পথ ফুরোয় না

সারল্য এবং নির্মমতা, নীরবতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়েও পৃথিবীর গণ্ডিগুলো বারবার ভাঙতে চান বিভূতিভূষণ। অভাবের সংকীর্ণতা কখনও পথের দেবতার আকুল ডাককে পরাস্ত করতে পারে না।

তথাগত মুখোপাধ্যায়

রিয়েলিটি চেক

যেসব শিল্পীর এই ট্রাপিজ খেলায় যার কিছু যায়-আসে না, সে তো এখন বাড়তি। তার জন্য ফ্ল্যাশ-বালবের ঝলকানি নেই, নেই প্রিন্টের খরচ, রিয়েলিটি শো-এর রিয়েলটাইমে সে ব্রাত্য। তাই বাদ পড়ে যায় অনিন্দ্য আর অনিন্দ্যরা।

অরূপ গঙ্গোপাধ্যায়

পুরস্কার বনাম ‘নায়ক’

১৯৬৬ সালে ‘নায়ক’ যখন উৎসবে যায়, তখন জুরিরা সত্যজিৎ রায়ের চেনা ধ্রুপদী ঘরানার বাইরে কোনো নতুন এবং প্রথাবিরোধী সিনেমাটিক ভাষাকে পুরস্কৃত করার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হচ্ছিলেন।

আদিত্য ঘোষ

কীটপতঙ্গের গোপন ভাষা

প্রাণীজগতে বৈচিত্রের শেষ নেই। মানুষ এবং পাখি সংগীতের বিষয়ে অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে, কিন্তু জীববিজ্ঞানে শুধু মানুষ এবং পাখিই নয়, তারা ছাড়াও এই জগতে অনেকেই