
ফুটবলের মগজ
বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন বল ট্রিওন্ডা। তাতে নাকি বসানো থাকবে চিপ! কী হবে সেই চিপ দিয়ে? একা চিপে রক্ষে নেই, এআই দোসর। আগের ফুটবল কি তাহলে বাতিল? ফুটবলের এই পরিবর্তনের নেপথ্যেও রয়েছে দুর্নীতি দমনের ভাবনা?

বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন বল ট্রিওন্ডা। তাতে নাকি বসানো থাকবে চিপ! কী হবে সেই চিপ দিয়ে? একা চিপে রক্ষে নেই, এআই দোসর। আগের ফুটবল কি তাহলে বাতিল? ফুটবলের এই পরিবর্তনের নেপথ্যেও রয়েছে দুর্নীতি দমনের ভাবনা?

‘শারীরিক মৃত্যুর অনেক আগেই, উপেক্ষা আর অবহেলায় শিল্পীরা খুন হয় প্রতিনিয়ত। নিজের শিল্পের ব্যর্থতার দায়ভারে, শিল্পী আত্মহনন করে। রোজ। মরা হাতির শরীরে তখন ব্যবসায়ীদের অধিকার।’

‘‘মেসি চলে যাবেন। রোনাল্ডো চলে যাবেন। শুনছি। মানছি। বারবার যাব-যাব করেও যেন যাচ্ছে না। খেলে চলেছে। অপ্রাসঙ্গিক হতে-হতেও হচ্ছে না। জেন-জি তারকাদের বিশ্বকাপে, সুমনের গান— ‘তিনি বৃদ্ধ হলেন, বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন’— যেন বদলে যাচ্ছে দ্বিবচনে।’’

‘আর আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুসংখ্যা? অগুনতি! এমিলি জেনেছেন, সম্প্রতি মিনেসোটায়, অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ মিছিল থেকে প্রশ্ন উঠেছিল— কোনও অভিবাসীর আপাতকালীন নিরাপত্তার ছাড়পত্রটি, কেন সরকার খারিজ করে দিতে চাইছে?’

‘প্রয়োজন হল এমন এক যোগাযোগ ব্যবস্থার, যা দ্রুত, কার্যকর এবং সর্বোপরি গোপন থাকবে। সেখানেই জন্ম নিল এক মিশ্র ভাষা। যেখানে বাংলা শব্দের সঙ্গে ভোজপুরি বা হিন্দি শব্দ জুড়ে গিয়ে তৈরি হল, নতুন শব্দ।’

‘‘হালফিলের মনস্তত্ত্ব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি যাঁরা করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ‘সাদিজম’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত। ‘সাদিজম’ বা ‘স্যাডিজম’, অর্থাৎ অন্যের যন্ত্ৰণা থেকে যৌন আনন্দ উপভোগের যে এই ধারণা, তা এসেছে সাদের নাম থেকেই।’’
‘‘অধ্যাপক মতিলালের স্মরণসভায় তাই গায়ত্রী স্পিভাক বলেছিলেন, ‘প্রকৃত বিদ্যা দেয় আত্মার মহত্ত্ব ও সারল্য। এই আমরা শুনি। আমি কোনোদিন ভাবিনি যে এ জিনিস্টা এত কাছ থেকে দেখব।’ কিন্তু মতিলালের সারল্য কখনও-কখনও আমাদের হতবুদ্ধি করে দেয়।’’

চোর স্লোগান আমি একা দিচ্ছি না, আরও পাঁচজন একইভাবে আমার সঙ্গে তিতিবিরক্ত হয়ে রাজনৈতিক নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এটা একটা বৈধতা তৈরি করে আমাদের মনে।

রবীন্দ্রনাথ লিখছেন যে, উগ্র হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সর্বদা সংযোগস্থল তৈরি করে এসেছে নানকপন্থী, কবিরপন্থী ও নিম্নশ্রেণির বৈষ্ণব সমাজ। অর্থাৎ গ্রামীণ বাতাবরণে, নানা অন্ত্যজ শ্রেণির আচার-ব্যবহারে মিলেমিশে গেছে ধর্মের কঠিন বাধা।

১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারি চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেস দল ছাড়েন এবং তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘স্বরাজ্য দল’। সারা ভারত পরিভ্রমণ করে তাঁরা দলের নীতি ও কর্মসূচি

পৃথিবীর নিয়ম, আরশোলা বাড়লে তাকে পিষে মারার মত লোকও বাড়বে। বাড়বে বিষাক্ত কীটনাশক প্রস্তুতকারী কোম্পানির সংখ্যা। তাই সাসপেন্ড হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি-র এক্স হ্যান্ডেল। বারবার হ্যাক করার চেষ্টা চলছে ইনস্টাগ্রাম। তৈরি হয়েছে অ্যান্টি-ককরোচ গ্যাং।

‘তাহলে কী দাঁড়াল? হরমুজ প্রণালীতে ভীষণ ট্র্যাফিক। ভারতের নানা তৈলবাহী জাহাজ-সমূহ, দেশে পৌঁছচ্ছে দীর্ঘ সময়ের পরে। বর্তমানে, অতি অস্বাভাবিক দামে তেল আমদানি করতে বাধ্য! নন-গালফ দেশগুলির থেকে। দেশের তৈল-শোধনাগারগুলিও এহেন দুর্দিনে, যত মুনাফা লুটেপুটে নিতে উৎসুক।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.