নিবন্ধ

Nana Patekar
মকরন্দ দেশপাণ্ডে

নির্দেশক নানা

‘একটা কথা এখন মনে পড়লে একটু অদ্ভুতই লাগে। শুটিংয়ের পর নানা মধ্যাহ্নভোজের নেমন্তন্ন করেছিল আমাকে, আমার মনে আছে, সরাসরি বলে দিয়েছিলাম, ‘তুমি আমাকে সময় দাওনি, আমিও তোমাকে সময় দেব না!’ কিন্তু এখন বুঝি, নানা নির্দেশক হিসেবে ছিল অসম্ভব শান্ত।’

Nana Patekar
অর্জুন চক্রবর্তী

স্বতন্ত্র হতে চাইত

পরবর্তীকালে আমার মনে হতে থাকে, ও বলিউডকে খুব একটা পছন্দ করত না। ফোন করে সেসব কথা বলতও। পারিপার্শ্বিক নানান ভণ্ডামি, ওকে দুঃখ দিত। যে-কারণে ও মুম্বই ছেড়ে পুনে চলে যায়।

গৌতম ঘোষ

‘নানা’ স্মৃতিতে

নানা যখন এক কোটি টাকা নিত অভিনয় করে ছবিতে, সেইসময় আমার ছবির জন্য একটা সামান্য টোকেন অ্যামাউন্ট ও নিয়েছিল। চরিত্রের খিদে, কাজ করার খিদে ওর এতটাই বেশি ছিল।

Edgar Allan Poe
রাজর্ষি গুপ্ত

অ্যালান পো-র মৃত্যুরহস্য

পো জীবনে দুঃখকষ্ট কম পাননি। সেই সমস্ত ঘাত-প্রতিঘাতই তাঁর সাহিত্যকে ধীরে-ধীরে ঘুরিয়ে দিচ্ছিল জীবনের অন্ধকার দিকগুলির অভিমুখে। তারই অবধারিত অন্তিমে দাঁড়িয়ে থাকে মৃত্যু— ‘দ্য গ্রিম রিপার’।

রবীনা মিত্র

কবি ও ঈশ্বর

অলোকরঞ্জন ঈশ্বরকে দেখেছেন প্রধানত মানুষরূপেই এবং তাঁর নিজের কবিতাই সে-কথা বারবার প্রমাণ করেছে। তাই তাঁর ঈশ্বর সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ নন অনেকক্ষেত্রেই। কবির ঈশ্বর রয়েছেন কবির নাগালের মধ্যেই।

দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত

নারী, বিপ্লব, সত্য

সশস্ত্র বিপ্লব শুরু করল নারীই। প্যারিসের সমস্ত অস্ত্রাগার হানা দিয়ে বন্দুক, ছুরি আর কামান লুঠ করল তারা। তারপর রওনা হল ১২ মাইল দূরের ভার্সাই প্রাসাদের উদ্দেশে।এটিই ‘ভার্সাইয়ের নারী মার্চ’ বা ‘ব্ল্যাক মার্চ’ নামে পরিচিত।

সোহিনী দাশগুপ্ত

‘বাস্টার’, ম্যাজিক, ছবি

সবাক চলচ্চিত্রের সূচনা হয়েছে এই সময়। বাস্টার কিটনের জন্য সেটা ছিল একটা ধাক্কা; কিটনের বিখ্যাত উক্তি— ‘Silence is of the gods, only monkeys chatter!’

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ফিল্ম সোসাইটির উপকথা

সিনেমা যে শুধু বিনোদনভাষা নয়— একথা রীতিমতো তর্ক করে বোঝানোর জন্য সত্যজিৎ ও তাঁর বিখ্যাত বন্ধুদল প্রতিষ্ঠা করলেন কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি-র, যেখানে চলচ্চিত্রের শিল্পসৌন্দর্য নিত্যচর্চার প্রকাশ হয়ে দাঁড়াল।

মৃদুল দাশগুপ্ত

সংবাদ মূলত কাব‍্য: পর্ব ৪৬

‘সারা রাস্তায় লরিট্রাকবাস-ভাঙা ছোট-বড়-মাঝারি কাচের টুকরো। এদিকে-সেদিকে গুচ্ছ-গুচ্ছ সেনা পুলিশ। ডানলপে গুরদোয়ারার দিক থেকে ধোঁয়া উঠছিল পাক খেয়ে। দমকলের ঘণ্টা শুনলাম। থমথমে ওই আলো-অন্ধকারে আমি ও ভাস্করদা মাধবীকে খুঁজতে লাগলাম।’

জয়ন্ত চক্রবর্তী

ধারাভাষ্যের নায়ক

‘অজয়দার সঙ্গে বহু খেলার ধারাবিবরণী দেওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে কলকাতা বেতার কেন্দ্র ও দূরদর্শন কর্তৃপক্ষের সৌজন্যে। বিবরণী দিয়েছি কলকাতার বহু ফুটবল ম্যাচে, শিলিগুড়িতেও। কোনওদিন ভুলতে পারব কি, প্রতিবার কমেন্ট্রি শুরুর আগে অজয়দার সেই অসাধারণ সৌজন্যের কথা— নাও, তুমি শুরু করো!’

সুদিঘ্ন দাস

গান্ধী: গ্রহণে, বর্জনে

ভারতের এখনও গান্ধীর ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে— প্রজাতন্ত্রকে একটি ‘হিন্দু পাকিস্তান’-এর দিকে পিছলে যাওয়া থেকে রুখতে; পরিবেশ ধ্বংস এবং তার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতিকে থামাতে…

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

গান্ধী ও জেন জি

কাল্পনিক দৃশ্যপটে বোঝানো হচ্ছিল, আজকে গান্ধী বেঁচে থাকলে কীভাবে তিনি সংবিধান আঁকড়ে লড়াই করতেন। সোনম ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন মঞ্চে পাশে ছিল গান্ধীজির ছবি।