
যোগেনদার স্মৃতি
তাঁর বিষয়গুলো খুব সহজ, খুব সাধারণ, কিন্তু তাঁর প্রকাশভঙ্গি ছিল মৌলিক, অভিনব। এমন বিষয় তিনি বেছে নিতেন, যা সকলের হৃদয় অবলীলায় ছুঁয়ে যেত। তাঁর তুলির টান ছিল ‘ফ্রি ফ্লো’-এর মতো, যেন কোনও শিশু হাতে তুলি ধরেছে।

তাঁর বিষয়গুলো খুব সহজ, খুব সাধারণ, কিন্তু তাঁর প্রকাশভঙ্গি ছিল মৌলিক, অভিনব। এমন বিষয় তিনি বেছে নিতেন, যা সকলের হৃদয় অবলীলায় ছুঁয়ে যেত। তাঁর তুলির টান ছিল ‘ফ্রি ফ্লো’-এর মতো, যেন কোনও শিশু হাতে তুলি ধরেছে।

‘শাসক কীভাবে ফুটবলকে ব্যবহার করে দেশের গণমানসকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করতে পারে অর্থনীতির দুরবস্থা, গণতন্ত্রের সংকট, মতপ্রদানের স্বাধীনতা, মানবাধিকার হরণ ইত্যাদি সমস্ত সমস্যাকে উৎসবের কার্পেটের নীচে চালান করে দিতে পারে, ‘দ্য ইয়ার মাই পেরেন্টস ওয়েন্ট টু ভ্যাকেশন’ তারই একটা আশ্চর্য র্নৈব্যক্তিক দলিল হয়ে যাবে।’

‘দুর্গাদালানে দেবী দশভুজা, আর তাঁরই পাশের কুলুঙ্গিতে ধ্যানমগ্ন দুই বুদ্ধ। হুগলির জিরাট-পাটুলি গ্রামের মঠবাড়িতে এই আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায় বহুকাল ধরে। একই ছাদের নীচে এই সহাবস্থান শুধু ইতিহাসের অলংকার নয়, আমাদের কাছে এক গভীর অমীমাংসিত প্রশ্নও বটে।’

‘খুব কম অভিনেতাই পারেন তাঁর শিল্পের এত কাছাকাছি যেতে, যাঁকে পর্দায় দেখে মনে হয় এ তো আমার মতোই রক্তমাংসের মানুষ! আমার কাছে নানা পাটেকার তেমন একজন।… থিয়েট্রিক্যাল আর সিনেমাটিক— দুই ধরনের অভিনয়-ধারাকেই আত্মস্থ করতে পেরেছিলেন তিনি।’

চিড়িয়াখানাই তো! হয়তো তারজালির নয়, কিন্তু কংক্রিটের— বিষয়টা তো একই। এখানেও একদল মানুষকে একটা জায়গায় আটকে রেখে, একগুচ্ছ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের ওপর অবিরাম নজরদারি চালানো হচ্ছে।

‘এমন সংলাপ আরও কিছুক্ষণ চলার পরই তুমুল চিৎকার-চেঁচামেচি— ‘বন্ধ করুন’, ‘এই জিনিস দেখতে পয়সা দিয়ে আসিনি’… ইত্যাদি-ইত্যাদি। আমাদের মাথা টপকে মঞ্চে গিয়ে পড়ছিল চটিজুতো। ছাত্রের এই বিপন্ন মুহূর্তে বাবা কিন্তু চেয়ার আঁকড়ে, আমাদের নিয়ে, ওই বিক্ষোভের মধ্যেও ঠায় বসে রইলেন। যাত্রা থেমে গেল।’

শুধু লিঙ্গ-আলোচনা নয়, ইলা মিত্রর জীবন আমাদের শহর-গ্রাম কিংবা আদিবাসী-মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের কথাও বলে। ইলা মিত্রর জীবন নিয়ে আগামীতে হয়তো গবেষণা আরও বাড়বে।

‘এই পুরো অ্যালবামটি শুধুমাত্র লুকিয়ে দেখার সুখের কথা বলে না। বরং বলে লুকিয়ে দেখার ভেতর যে-নানান রং আছে, নানান বৈচিত্র আছে, তার কথা— সর্বোপরি এই দেখায় আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার বা প্রযুক্তির ভূমিকা কী, তার নানান বয়ান তৈরি হয়।’

অবশ্যই স্পাই থাকত। কয়েকজন ছেলে ওয়ার্ডেনের (বা ওই গোছের ক্ষমতা-প্রাপ্ত গুরুজনের) পাশে নিত্যি হাঁটত গদগদ পায়ে, তাঁর ঘরে বসে ঘাড় গুঁজে পড়ত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, তাঁর রসিকতায় হেসে কুটি হত এবং বন্ধুদের নামে নালিশ করে পাটি।

পিন্টার কেবল ইউরোপীয় অ্যাবসার্ড থিয়েটারের একজন প্রবক্তা ছিলেন না। তিনি ছিলেন প্রাত্যহিক জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতা, ভীতি, আধিপত্য এবং অনিশ্চয়তার সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ভাষ্যকার।

‘তীব্র যন্ত্রণায় মানুষ কি বোবা হয়ে যায় না? তবে লেখক আরও গভীরে শিকড়সন্ধানী। তিনি পৌঁছে গেছেন তাঁর ছেলেবেলায়, যখন তাঁর দাদি-আম্মার কাছে তিনি গল্প শুনতেন। কিন্তু সে-গল্পের সবটা তার এখন আর মনে পড়ে না। তবু গল্পের, শিকড়ের টান ভুলতে চান না সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্।’

রবীন্দ্রসংগীতের সেই একমেবাদ্বিতীয়ম ব্রাত্যজনকেই যে গুরু বলে মেনেছিলেন বিভা! তাঁর রুদ্ধসংগীত অনিরুদ্ধ হয়েছিল ছাত্রী বিভার গলায়, কিন্তু সামনের সারিতে আসেনি সেভাবে।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.