
নজরদারি : পর্ব ৪
চিড়িয়াখানাই তো! হয়তো তারজালির নয়, কিন্তু কংক্রিটের— বিষয়টা তো একই। এখানেও একদল মানুষকে একটা জায়গায় আটকে রেখে, একগুচ্ছ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের ওপর অবিরাম নজরদারি চালানো হচ্ছে।

চিড়িয়াখানাই তো! হয়তো তারজালির নয়, কিন্তু কংক্রিটের— বিষয়টা তো একই। এখানেও একদল মানুষকে একটা জায়গায় আটকে রেখে, একগুচ্ছ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের ওপর অবিরাম নজরদারি চালানো হচ্ছে।

‘এমন সংলাপ আরও কিছুক্ষণ চলার পরই তুমুল চিৎকার-চেঁচামেচি— ‘বন্ধ করুন’, ‘এই জিনিস দেখতে পয়সা দিয়ে আসিনি’… ইত্যাদি-ইত্যাদি। আমাদের মাথা টপকে মঞ্চে গিয়ে পড়ছিল চটিজুতো। ছাত্রের এই বিপন্ন মুহূর্তে বাবা কিন্তু চেয়ার আঁকড়ে, আমাদের নিয়ে, ওই বিক্ষোভের মধ্যেও ঠায় বসে রইলেন। যাত্রা থেমে গেল।’

শুধু লিঙ্গ-আলোচনা নয়, ইলা মিত্রর জীবন আমাদের শহর-গ্রাম কিংবা আদিবাসী-মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের কথাও বলে। ইলা মিত্রর জীবন নিয়ে আগামীতে হয়তো গবেষণা আরও বাড়বে।

‘এই পুরো অ্যালবামটি শুধুমাত্র লুকিয়ে দেখার সুখের কথা বলে না। বরং বলে লুকিয়ে দেখার ভেতর যে-নানান রং আছে, নানান বৈচিত্র আছে, তার কথা— সর্বোপরি এই দেখায় আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার বা প্রযুক্তির ভূমিকা কী, তার নানান বয়ান তৈরি হয়।’

অবশ্যই স্পাই থাকত। কয়েকজন ছেলে ওয়ার্ডেনের (বা ওই গোছের ক্ষমতা-প্রাপ্ত গুরুজনের) পাশে নিত্যি হাঁটত গদগদ পায়ে, তাঁর ঘরে বসে ঘাড় গুঁজে পড়ত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, তাঁর রসিকতায় হেসে কুটি হত এবং বন্ধুদের নামে নালিশ করে পাটি।

পিন্টার কেবল ইউরোপীয় অ্যাবসার্ড থিয়েটারের একজন প্রবক্তা ছিলেন না। তিনি ছিলেন প্রাত্যহিক জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতা, ভীতি, আধিপত্য এবং অনিশ্চয়তার সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ভাষ্যকার।

‘তীব্র যন্ত্রণায় মানুষ কি বোবা হয়ে যায় না? তবে লেখক আরও গভীরে শিকড়সন্ধানী। তিনি পৌঁছে গেছেন তাঁর ছেলেবেলায়, যখন তাঁর দাদি-আম্মার কাছে তিনি গল্প শুনতেন। কিন্তু সে-গল্পের সবটা তার এখন আর মনে পড়ে না। তবু গল্পের, শিকড়ের টান ভুলতে চান না সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্।’

রবীন্দ্রসংগীতের সেই একমেবাদ্বিতীয়ম ব্রাত্যজনকেই যে গুরু বলে মেনেছিলেন বিভা! তাঁর রুদ্ধসংগীত অনিরুদ্ধ হয়েছিল ছাত্রী বিভার গলায়, কিন্তু সামনের সারিতে আসেনি সেভাবে।

‘একটা কথা এখন মনে পড়লে একটু অদ্ভুতই লাগে। শুটিংয়ের পর নানা মধ্যাহ্নভোজের নেমন্তন্ন করেছিল আমাকে, আমার মনে আছে, সরাসরি বলে দিয়েছিলাম, ‘তুমি আমাকে সময় দাওনি, আমিও তোমাকে সময় দেব না!’ কিন্তু এখন বুঝি, নানা নির্দেশক হিসেবে ছিল অসম্ভব শান্ত।’

পরবর্তীকালে আমার মনে হতে থাকে, ও বলিউডকে খুব একটা পছন্দ করত না। ফোন করে সেসব কথা বলতও। পারিপার্শ্বিক নানান ভণ্ডামি, ওকে দুঃখ দিত। যে-কারণে ও মুম্বই ছেড়ে পুনে চলে যায়।

নানা যখন এক কোটি টাকা নিত অভিনয় করে ছবিতে, সেইসময় আমার ছবির জন্য একটা সামান্য টোকেন অ্যামাউন্ট ও নিয়েছিল। চরিত্রের খিদে, কাজ করার খিদে ওর এতটাই বেশি ছিল।

পো জীবনে দুঃখকষ্ট কম পাননি। সেই সমস্ত ঘাত-প্রতিঘাতই তাঁর সাহিত্যকে ধীরে-ধীরে ঘুরিয়ে দিচ্ছিল জীবনের অন্ধকার দিকগুলির অভিমুখে। তারই অবধারিত অন্তিমে দাঁড়িয়ে থাকে মৃত্যু— ‘দ্য গ্রিম রিপার’।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.