নিবন্ধ

সুবোধ সরকার

পাণ্ডিত্য ও প্রতিভা

‘সাহিত্যে একটা দেওয়াল আছে, সেই দেওয়ালের এপারে লেখা ‘পাণ্ডিত্য’, ওপারে লেখা ‘প্রতিভা’। মধ্যে যে-সম্পর্ক, সেটা অনেকটা ভাসুর-ভাদ্র বউয়ের সম্পর্কের মতো। সেই সম্পর্কটাকে কেতকী কুশারী মোলায়েম করতে চেয়েছিলেন।’

স্বস্তিক চৌধুরী

দুই দেশের শহিদ

ভগৎ সিংকে কেন্দ্র করে দুই দেশই যেন আবেগপ্রবণ। উভয় রাষ্ট্র চায় তাকে নিজের সন্তান হিসাবে পরিচয় দিতে। ২০০৭ সালে ভগৎ সিংয়ের জন্মশতবার্ষিকীতে পাকিস্তানে ‘ইরতিকা’ নামক একটি উর্দু পত্রিকায় তাঁকে বীর শহিদ আখ্যা দেওয়া হয়।

আদিত্য ঘোষ

যুদ্ধ ও যৌনতা

‘ইউক্রেন শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের অর্থ জোগাড়ের যুক্তিতে প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফিকে করযোগ্য ও নিয়ন্ত্রিত শিল্পে পরিণত করে, তার প্রভাব শুধু ইউক্রেনের মধ্যে আটকে থাকার সম্ভাবনা নেই।’

পিনাকী ভট্টাচার্য

ফ্যাশন ও প্যাশন

‘বাঙালি প্রথম একটা আইকন খুঁজে পেল নিজেদের মধ্যে থেকে, যার একটা নিজস্ব ‘সোয়্যাগ’ আছে। তারা চকমকে শার্ট-প্যান্ট পরতে শিখল, পা কিছুটা ফাঁক করে দাঁড়াতে শিখল, শিখল দুষ্টু হাসি হাসতে। কলেজে, পাড়ার মোড়ে, চায়ের ঠেকে— সব জায়গায় মিঠুন চক্রবর্তী।’

সৈয়দ তৌসিফ আহমেদ

সৌন্দর্য ও বিনোদন

নারীকে শুধু সুন্দর হলেই চলবে না; সুন্দর হওয়ার শ্রমটিও লুকিয়ে রাখতে হবে। মাঝের এই প্রস্তুতিপর্বের গোপন কথাটি রহিবে গোপনে। ভনভনিয়ে ঘুরতে থাকা তাগ করা ক্যামেরা লেন্সকে এড়িয়ে চলাটা তখন আবশ্যিক।

Pablo Neruda
রবীনা মিত্র

বিষাদের বৈচিত্র্যময় সুর

‘নেরুদাকে যতই বিষণ্ণতা, মৃত্যু এবং বিরহের কবি বলা হোক, আসলে তিনি সর্বক্ষণ নিজের মধ্যে বহন করেছেন এক সহজ স্বতঃস্ফূর্ততা ও জীবনমুখিতা। খুঁজেছেন বিষাদ পেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা এবং তা পেয়েও গিয়েছেন।’

Uttam Kumar
শান্তনু চক্রবর্তী

দুই উত্তম, এক চরিত্র

‘শুন বরনারী’ হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য প্রেমের উপাখ্যান। উত্তমকুমার এখানে এমন এক রোম্যান্স অবতার, যিনি রোম্যান্সকে ছোঁয়াচে রোগের মতোই বিপজ্জনক মনে করেন ও তার থেকে পালিয়ে বেড়ান। কিন্তু কেন হিমু এমন  করে, তার পিছনে পুরনো ব্যর্থ প্রেমের কী করুণ স্মৃতি আছে, সেসব আমরা ক্লাইম্যাক্সে জানতে পারছি।

ঋত্বিক মল্লিক

ভাষাসাগরের প্রবাল

‘বালক বয়স থেকে যখন হয়ে উঠলেন রীতিমতো প্রবাল দাশগুপ্ত, ততদিনে ইংরেজি ভাষায় প্রবন্ধ লিখেছেন প্রায় আড়াইশোটি, বাংলায় প্রায় দেড়শোটি আর এসপেরান্তোতে একশোর বেশি।’

সুশোভন অধিকারী

কবি কেতকী

নিভৃত স্বগতোক্তির মতো মেলে দেওয়া শব্দের সারি কেতকীর ভেতরের আনন্দ আর বেদনাকে তুলে ধরে। স্বদেশ, স্বজন আর মাতৃভাষাকে আঁকড়ে ‘কাঙালপনা’ সারাজীবন তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

সায়ন ভট্টাচার্য

মঞ্চে শরৎচন্দ্র

থিয়েটারের মধ্যে যাঁর শিল্পজীবনের সূচনা, পরবর্তীকালে তাঁর গল্প, উপন্যাসে যে নাটকের রসদ রক্তমাংসে মিশে থাকবে, এ-বিষয়ে কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। এই বিষয়ে সংশয়হীন হওয়া যায় ভারতের থিয়েটার মানচিত্রের দিকে নিবিড়ভাবে তাকালে।

অপরাজিতা দাশগুপ্ত

সেলাইসফর

ওস্তাদ দর্জিদের কথা থাক। আগেকার জমানায় মেয়েদের সেলাই বোনায় পারদর্শিতাকেও গুণাবলির মধ্যেই ধরা হত। বিয়ের বাজারে মেয়েদের কদর বাড়ত। এখন থেকে চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর আগে মহিলারা কম বেশি সকলেই সেলাই বোনায় পারদর্শী ছিলেন।

আশিস পাঠক

বাঙালি ও শরৎচন্দ্র

‘বই-পড়া জীবন-ধারণা নিয়ে পথে নামেননি শরৎচন্দ্র। পথে নেমেই চিনে নিতে চেয়েছেন পথ আর জীবনকে। যেমন দেখেছেন, যেমন চিনেছেন, লিখেছেন সেটাই। নিজস্ব ন্যারেটিভে লেখাকে কৃত্রিম করে তুলতে চাননি। তবু অপূর্ব-র মধ্যে শরৎচন্দ্রকে খোঁজে পাঠক, শ্রীকান্ত-র মধ্যেও।’