
পাহাড় ভাঙার গল্প
এই বিপর্যয়ের দিকে শুধু মৃতের সংখ্যা দিয়ে তাকালে আসল গল্পটি ধরা পড়বে না। আরও বড় একটি গল্প রয়েছে বরফের নীচে, পাহাড়ের ঢালে, নদীর স্রোতে এবং আমাদের উন্নয়নের চিন্তায়। নেপালে বিপর্যয় নতুন নয়।

এই বিপর্যয়ের দিকে শুধু মৃতের সংখ্যা দিয়ে তাকালে আসল গল্পটি ধরা পড়বে না। আরও বড় একটি গল্প রয়েছে বরফের নীচে, পাহাড়ের ঢালে, নদীর স্রোতে এবং আমাদের উন্নয়নের চিন্তায়। নেপালে বিপর্যয় নতুন নয়।

দক্ষিণী ছবির ক্ষেত্রে সমাজের নিচু স্তর থেকে উঠে আসা নায়ক, যারা সমাজে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে, আর তার জন্য শারীরিক নির্যাতন থেকে খুনোখুনি করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া— কোনওকিছুরই সীমা রাখছে না, তারাই এখন সিনেমার কালো ঘোড়া।

সম্প্রতি রাখিবন্ধন উপলক্ষে কৃতী শ্যানন অভিনীত একটি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনচিত্র ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞাপনে কৃতীকে দেখা যাচ্ছে, সমকালীন ভারতীয়-পাশ্চাত্য পোশাকে। কিন্তু সমালোচনার মূল নিশানা পোশাকটি নয়; বরং ব্লাউজের নকশা ও গভীর কাটিং, যা নাকি ভারতীয় ঐতিহ্যের নির্ধারিত শালীনতার দেওয়ালে চিড় ধরাচ্ছে।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পোষ্যকে সন্তানতুল্য ভালবাসার চল একেবারে নতুন নয়। বহুদিন ধরেই, এমনকী ইতিহাস ঘাঁটলেও এমন তথ্য উঠে আসবে। মানুষ কুকুর বা অন্য প্রাণীকে পরিবারের সদস্যের মতো করে পালন করে এসেছে।

১৯২৭-এর ২৬ অগাস্ট কলকাতায় নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু। সেই হিসেবে কলকাতা বেতারের শতবর্ষ শুরু হল। এই তারিখটা আমাদের কাছে বিশেষ গর্বের, কারণ অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর এখন ৯০ বছর, সেই হিসেবে কলকাতা বেতার তার থেকে ১০ বছরের বড়।

আমার দাদুর খুব বেশি ছবি নেই। পিসেমশাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া কোডাক বক্স ক্যামেরায় দু’চারটে ছবি উঠিয়েছিলাম, দাদুর বৃদ্ধ বয়সে। সেই সব ছবির চিহ্নমাত্র নেই। দাদুর ছবি আমার স্মৃতিতেই আছে। আমার স্মৃতিলুপ্তির পর, বা আমার নিজের লুপ্তির পর, দাদুর কোনও ছবি থাকবে না।

‘বিশ্বভারতী সংগীত সমিতি তাঁর গান রেকর্ড করার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। দেবব্রত গান রেকর্ড করা বন্ধ করেছিলেন সংগীত সমিতির আধিপত্যবাদের প্রতিবাদে এবং ওঁরই অনুজ একাধিক গাইয়ের প্রতি গভীর অভিমানে। এ যেন এক দীক্ষিত শিল্পীর সত্যাগ্রহ।’

এই বরিশাল শহরেই রয়েছে জীবনানন্দ দাশ সড়ক, যার আগে নাম ছিল বগুড়া রোড। তার ধারেই সর্বানন্দ ভবনে ১৯৪৬ সালে কলকাতা চলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত থাকত জীবনানন্দের পরিবার। ঠাকুরদার নামে ছিল বাড়ির নাম। পরে মালিকানা বদল হলেও সেই বাড়ি পেল একেবারে জীবনানন্দীয় নাম ধানসিড়ি।

আশৈশব শুনছি, গরমে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে থাকে। তবে কী জানি বাপু, ছেলেবেলায় ডেইলি ডোজ অব কানমলা, চড় আর চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনির চোটে তো আমার

সুমিত সরকারের বই নিছক অ্যাকাডেমিক পাঠ্য ছিল না; সেগুলি ছিল ইতিহাসকে কীভাবে ভাবতে হয়, তার এক অনায়াস শিক্ষা। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন যে, অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করাই কেবল ইতিহাসবিদের কাজ নয়, বরং তার কাজ, সেই অতীতকে অনর্গল প্রশ্ন করতে থাকা…

পদাঘাত খেয়ে ভারতসন্তানগণ যখন আর্তনাদ করছে, ‘কোথায় হরিশ, কোথায় রামামোহন, কোথায় রামগোপাল’ বলে মূর্ছা যাচ্ছে, তখন একজন ভাল ইংরেজ প্রবেশ করেন। দুষ্টু সাহেবকে সে গলা টিপে ধরে— ‘রে দুরাচার দুর্বৃত্ত, ইংরাজ জাতির কলঙ্ক, তুই এখান হতে দূর হ’ বলে তাকে পদাঘাত করে দূর করে দেয়।

অবনীন্দ্রনাথের ‘ভারতমাতা’ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবের ছবি। যদিও সে-ছবিতে বিপ্লবের ভাষা একেবারেই উচ্চকিত নয়, টেক্সটের আড়ালে সাবটেক্সটের মতো নীরব তার অবস্থান।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.