নিবন্ধ

ডাকবাংলা.কম

চোখ-কান খোলা : পর্ব ১৮

সালতামামি যুদ্ধ থেকে শান্তি— এই দুই সীমানার মধ্যে অজস্র চোরাস্রোত। বিগত বছর, ২০২৫ জুড়ে এমন নানা চোরাস্রোত বয়েছে। বিশ্বরাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতি, নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে

Representative Image
অনল পাল

সম্পাদকের রাজনীতি

বিস্মরণ ও মিথ্যা-স্মৃতি নির্মাণের কালে দাঁড়িয়ে তাঁর আড়ালে থেকে যাওয়া লেখাগুলিকে আরেকবার পড়া জরুরি নয় কি? যখন কিনা ইতিহাস নিছক জ্ঞানচর্চার একটা শাখা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই, ইতিহাস-চর্চা নিজেই হয়ে উঠেছে বোমা তৈরির কারখানা।

SN Bose
বিমান নাথ

আলোর হিসেব

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণ অধ্যাপকের কথা চমকে দিয়েছিল সবাইকে। সে ছিল আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগের কথা। সত্যেন্দ্রনাথ বসু তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। এই বিষয়ের নতুন প্রবন্ধগুলো তাঁর নজরে পড়ছিল। উঁচু ক্লাসে সেই বিষয়ে পড়ানোর সময় তাঁর মাথায় খেলে গিয়েছিল এক নতুন আইডিয়া।’

Representative Image
সৃজন দে সরকার

অবলাদের জেলখানা

চিড়িয়াখানায় প্রদর্শনীর জন্য, একসময়ে মানুষকেও খাঁচায় রাখা হয়েছিল। বেশি দূরের কথা নয়, আলিপুরেই এমনটা ঘটেছিল। আদৌ কি সুস্থজীবন পায় চিড়িয়াখানার প্রাণীরা? মানসিক হোক বা শারীরিক, অবলা বলে কি অধিকার থাকতে নেই?

অরিক্তম চ্যাটার্জি

বাংলার বাইবেল: পর্ব ২

‘হতদরিদ্র অসহায় কৃষ্ণ পালকে হুগলির জলে নিমজ্জন করা এক জিনিস, কিন্তু পরমাত্মাকে যেভাবে কেরি ডোবালেন, তাতে অনেকেই আঁতকে উঠেছিল। মনে রাখতে হবে যে, এই নিমজ্জনের মধ্যে দিয়ে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষার ব্যাপারটা ব্যাপ্টিস্টদের একটি জরুরি সাম্প্রদায়িক আচার হলেও, সবার কাছে নয়।’

Painting by Jyotirindranath Tagore
আশিস পাঠক

চিত্রকর জ্যোতিরিন্দ্রনাথ

‘জ্যোতিরিন্দ্রনাথের ড্রয়িংগুলির সহজ স্বাভাবিকতার সঙ্গে মেলাতে গেলে যেতে হবে ড্যুরার এবং হলবাইনের কাছে। ড্যুরার মানে আলব্রেখট ড্যুরার, রেনেসাঁ যুগের জার্মান শিল্পী। আর হলবাইন, হান্স হলবাইনও জার্মান, ড্যুরারেরই সমসাময়িক। ড্রয়িং-এ দুজনেরই ছিল আশ্চর্য দক্ষতা।’

সম্পূর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিষাক্ত বাতাস

‘বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার অধিকার রয়েছে সকলের৷ এর জন্য উদ্যোগী হতে হবে সাধারণ মানুষকে। আন্দোলন, প্রতিবাদের মাধ্যমে সরকারকে তার কর্তব্য স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে হতে হবে আরও বেশি সচেতন।’

cover_subimal_3
তন্ময় ভট্টাচার্য

প্রিয় সুবিমল: পর্ব ৩

সুবিমল বসাকের প্রয়াণের পর, তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাড়া-তাড়া চিঠি। সামান্য কয়েকটি ইতিপূর্বে প্রকাশিত হলেও, অধিকাংশই অপ্রকাশিত। অপ্রকাশিত চিঠির সেই ভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি চিঠি নির্বাচন করে এই ধারাবাহিকের পরিকল্পনা। এই পর্বে সুব্রত চক্রবর্তী, উদয়ন ঘোষ ও শম্ভু রক্ষিতের চিঠি।

রামিজ আহমেদ

গির্জানগর : পর্ব ২

“কলকাতা শহরে আগত তামিলরা শুধু ক্যাথলিক হননি, তাদের অনেকে প্রোটেস্ট্যান্ট বিশ্বাসে‌ যিশুকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন, যেমনটি ধারণ করে আছে তাদের গির্জা “সেন্ট স্যাভিওর’স চার্চ” (১৮৪৯)। গির্জাটি তৈরি হয়েছিল ‘ইউনাইটেড সোসাইটি ফর দ্য প্রোপাগেশন অফ দ্য গসপেল’-এর সহায়তায়। তবে ১৯৩৮ সালের আগে অবধি এই গির্জার ভেতরে তারা প্রার্থনা করত না, ততদিন অবধি এই গির্জা বাঙালি মণ্ডলীর ছিল, তামিলরা প্রার্থনা করত গির্জার বাইরে প্যারিশ হলে।”

সম্প্রীতি চক্রবর্তী

নাস্তিকতা বিষয়ে তর্ক

“আজ যুক্তিবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক, নারীবাদী বা যে-কোনও প্রগতিশীল মানুষের ‘ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না’ কথাটিকে অবলম্বন করে আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে বলা উচিত যে, যারা এই ঈশ্বরবাদকে হাতিয়ার করে দাঙ্গা করে, তাদের বিরুদ্ধে এই দল।”

Representative Image
পারঙ্গমা সেন সাহা

অগ্রপথিক

‘লেখাপড়া মানে তাঁর কাছে আর যাই হোক স্মৃতির লড়াই নয় কখনওই। শিক্ষার্থীর কাছে চিরদিন তাঁর আবেদন ছিল চেতনায়, মননে।’

মৃদুল দাশগুপ্ত

মাও-এর মুখ

‘একবার যখন দশম শ্রেণিতে পড়া ক্লাস ইলেভেনের মানিক এসে বলল, যাদের যাদের এক্স রে প্লেট আছে, আমাকে দিবি তোরা। তখনই জানলাম, কাঠগোলার ভজাদা বাটালি দিয়ে ওই এক্সরে প্লেট খুদে খুদে মাওয়ের মুখটি তৈরি করে দেবেন।’