
শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ৩১
‘মলিনতা ফিরে আসে। যেন-বা দেজাভু।/ যেরকম লিখেছেন শ্রীশরৎবাবু,/ তেমন অতীত পেলে ভালবাসা হত/ সহজিয়া, অনাবিল, বাঁধুনিতে ছোট। অথচ ভেতরে কেউ কথা বলে। কাঁদে।/ নিজেকে পড়েছি আমি ভুল অনুবাদে।’

‘মলিনতা ফিরে আসে। যেন-বা দেজাভু।/ যেরকম লিখেছেন শ্রীশরৎবাবু,/ তেমন অতীত পেলে ভালবাসা হত/ সহজিয়া, অনাবিল, বাঁধুনিতে ছোট। অথচ ভেতরে কেউ কথা বলে। কাঁদে।/ নিজেকে পড়েছি আমি ভুল অনুবাদে।’

আজকের পৃথিবীতে মাল্টি-টাস্কিং এক বাধ্যতামূলক চারিত্রিক উপকরণ। যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে— এই মন্ত্র খেলার মাঠকেও ছাড়েনি। ব্যক্তি বনাম সমষ্টি-র এই ইঁদুরদৌড় কি খেলার মাঠের অনায়াস, অনাবিল আনন্দকে শিকলবন্দি করে তুলছে?

ইকবালকে কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না অ্যান্টনির। এদিকে শায়েরি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হয় শায়েরি + ইকবাল, নয়তো নো শায়েরি অ্যাট অল। বিরক্ত অ্যান্টনি টমকে এ-কথা জানাতে গেলে টম পাত্তা দেয় না। এই যখন অবস্থা, তখনই আন্টো-র জীবনে দেখা দেয় নতুন দুই ‘মাকড়া’!

‘নিজের মা-বাবার প্রতি পক্ষপাত স্বাভাবিক, নিজের জাতি বা দেশের প্রতি পক্ষপাত স্বাভাবিক, কিন্তু স্বাভাবিক বলেই তা কাম্য হতে হবে কেন? এগুলোকে একবার বেদিতে তুলে পুজো শুরু করলে, সাম্প্রদায়িকতাকেও স্বাভাবিক, সুতরাং পূজ্য মনে হবে।’

সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘দশম অবতার’ ছবিতে শোনা গেছে এই গান। ‘আমি সেই মানুষটা আর নেই’ আসলে এক ধরনের বদলে যাওয়া জীবনের কথা বলে। এবং এই গানের রেকর্ডিং-ও যে কতটা আলাদা, এই পর্বে রইল সে-গল্পও।

দুর্গাপুজো আসা মানেই চতুর্দিকে শুধু আনন্দ আর আনন্দ! তবে খেয়াল করলে দেখা যাবে, এই আনন্দের একজনই কেবল শত্রু। পুলিশ নয়, গাড়ি নয়, রাস্তার গর্তও নয়— সে হল নিজেরই দুটো পা!
সময়ের জাদু এমনই যে কাল অব্দিও যা ছিল অস্পৃশ্য, আজ সেটাই হয়ে উঠেছে স্বাভাবিক; আবার আজ যেটা প্রথাবিরোধী, আগামীতে সেটাই হয়ে উঠবে সর্বজনগ্রাহ্য। আসা-যাওয়ার এই স্রোত বলে যায়— কোনও কিছুই চিরস্থায়ী নয়।

‘লক্ষ্যে অবিচল না থাকতে পারার ধারণাটি সাধারণত আমরা হীনার্থেই ব্যবহার করি। কিন্তু, ‘সাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ বার বার তার লক্ষ্য বদলেছে, প্রকাশভঙ্গি বদলেছে, দৃশ্যতও এক থাকেনি। তার নয় দশকের দীর্ঘ অতীতের দিকে তাকালে মনে হয়— এই ইতিহাস, পরিবর্তনের ইতিহাস।’
‘কবির সঙ্গে দেখা’ আদতে কবির লেখার ভিতর দিয়ে তাঁকে চেনা, তাঁরই চোখ দিয়ে এই জীবনকে নতুন করে পাওয়া। কিছুটা নির্জনতা, কিছুটা শ্লেষ আর কিছু বিষাদ ছুঁয়ে থাকে প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত-র কলম, যার মধ্যে দিয়ে ফুটে ওঠে তাঁর সমাজচেতনা, তাঁর গভীর জীবনবোধ।
‘বিরহের কারখানা, আদরের ক্ষেত/
তোমার শরীর, যেন চিরসোভিয়েত।/
আমি দূরাগতপ্রাণ, রুটিপ্রিয়পাখি/
অলীকের প্রত্যাশায় বুঁদ হয়ে থাকি।’
‘একটা দেশের লোকজন যখন শুধু ভাল করে সাবান ঘষে ঘষে চান করতে আর ‘আমি বাবা কোনওকিছুতে শামিল হব না’ ভাবতে ও দায় এড়াতে ব্যস্ত থাকে, তখনই কি সেই দেশে স্বৈরাচার গজিয়ে ওঠে ও থিতু হয়?’

ফিল্ম অ্যানাউন্সমেন্ট পার্টিতে গিয়ে হতাশ অ্যান্টনি। চাদরলাল পিন্টুর প্রযোজনায় ইকবাল বানাচ্ছেন তাঁর প্রথম ছবি, ‘পথের খারিজ গান্ধার’। বাংলায় নাকি এই প্রথম একটা পলিটিকাল কারেক্ট ছবি হচ্ছে। কে এই ইকবাল? অ্যান্টনির তবু কেন মনে হল এ-ছবি ‘পাক্কা পানু’?
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.