
কিসমাত কানেকশন : পর্ব ৩
‘বেলা গড়ালে মাঠের দখল নেয় নিম্নবর্গ। কোনও মেসি-কোহলি নয়, মাঠের মসিহা হয়ে যায় স্টার জকি সুরজ নারেডু। ‘সুরজ, সুরজ!’ চিৎকারে গ্যালারি কেঁপে ওঠে। ফার্স্ট প্রাইজ সুরজ নিলে জিতে যায় একটা গোটা মাঠ।’

‘বেলা গড়ালে মাঠের দখল নেয় নিম্নবর্গ। কোনও মেসি-কোহলি নয়, মাঠের মসিহা হয়ে যায় স্টার জকি সুরজ নারেডু। ‘সুরজ, সুরজ!’ চিৎকারে গ্যালারি কেঁপে ওঠে। ফার্স্ট প্রাইজ সুরজ নিলে জিতে যায় একটা গোটা মাঠ।’

‘পুরাকালের স্থাণু বা নব্যযুগের ঝানু— সকলেই চটজলদি সমীকরণে বিশ্বাসী। কেউ-ই মনে রাখে না, একটা গোটা গোষ্ঠী অবিমিশ্র ভাল বা বেধড়ক মন্দ হওয়া অসম্ভব (একটা গোটা মানুষের বেলায়ও তা খাটে)।’

‘প্রথম কথা ছিল, আমি যেন এমনভাবে চিকিৎসা করি, যাতে রোগীরা আমার নিজের হয়। যদি গাছতলাতে বসেও চিকিৎসা করি, তা-ও রোগীরা আমার কাছেই আসবে।’

‘আমার যেটাই কাজের দিন, তা সোমবার হোক বা সপ্তাহের অন্য কোনও দিন, সেটার দিকে আমি উৎসাহভরে তাকিয়ে থাকি। কারণ এমনিতেই আমাদের কাজের দিন কম।’

‘১৯৬৮-’৬৯-’৭০ সাল আমার কবিতা প্রয়াসের সূচনাকাল। আমি এসব পত্রিকায় লিখতে শুরু করি। ১৯৭০ সালে আমি যখন একাদশ শ্রেণিতে পড়ি, সোমনাথদা, সোমনাথ মুখোপাধ্যায় আমাকে প্রথম কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসে নিয়ে এসেছিলেন।’

বাঘে-শূকরে এক কুয়োতে আটকে পড়েছিল মধ্যপ্রদেশের একটা গ্রামে। বনদফতর উদ্ধার করেছে তাদের। কিন্তু এই বিপদের সময়টায় বাঘ ও শূকর খাদ্যখাদক সম্পর্ক ভুলে পাশাপাশি ছিল। বাঘ আক্রমণ করেনি আর শূকর ভরসা করেছিল। মানুষ কি এসব নীতিনিয়ম আদৌ মেনে চলে?

‘সাগরপাড়েই রয়েছে কলম্বাস পার্ক ওপেন এয়ার মিউজিয়াম। এখানে সাজানো ওই নোঙরটা কি সত্যিই কলম্বাসের? ভাবলাম, কলকাতার জাদুঘরে যদি মিশরের মমি থাকতে পারে, তাহলে ডিসকভারি বে-তে কলম্বাসের নোঙর তো অবিশ্বাস্য কিছু নয়!’

‘রীতিমাফিক সেদিনও সেই ছাত্রীরা ফার্স্ট বেঞ্চার। মৃতদেহের ঠিক পাশেই ওরা রয়েছে। চার-পাঁচটা সারি পিছিয়ে আমরা দাঁড়িয়ে। ফলে, গন্ধের আক্রমণটা মূলত ওদের ওপরেই হল। আর ওরাও, প্রায় পটাপট অজ্ঞান হতে শুরু করল।’

‘প্রতিদিন সকালবেলা মাইতি, ঘোষ বা চ্যাটার্জিদা-রা পড়ি-কী-মরি করে ট্রেন ধরেন দত্তপুকুর বা পায়রাডাঙা থেকে, ট্রেনে তাঁদের ফোন বেজে উঠলে তাঁরা জানেন, এইবার হিন্দি ভাষায় তাঁদের নির্দেশিকা অথবা গালি শুনতে হবে ওপরমহল-এর কাছ থেকে।’

‘যদি কারও মনে হয়, এই আড্ডা শুধুই নেশার চক্কর— তাহলে একেবারে ভুল হবে। লেখা, মানে কবিতা প্রায় রোজই পড়া হত। সোমকের মুচমুচে, পার্থর অসামান্য গদ্য শুনেছি।’

‘ভাই সাট্টা তো লো ক্লাসের খেলা। তুমি খেলবা ক্যান? তোমরা উচ্চ বংশ। ব্রিজ খেলো। বুদ্ধি থাকলে জিতবা। আমি যে নো ক্লাসে বিলং করি, তা তাকে কী করে বোঝাই? তিনি কিছুতেই খেলা শেখালেন না, শুধু বললেন, তোমাদের ক্লাসের লোকের নম্বর আইব না।’

‘রোগীর ছেলে আমার হাতে একশো টাকার নোট গুঁজে দিয়ে বলল, ‘বহোত শুকরিয়া সাব।’ মনে আছে, খুব রেগে গিয়েছিলাম। ছেলেটিকে ধমক দিয়ে বলেছিলাম, ‘ডাক্তারি করার জন্য সরকার থেকে আমাকে মাইনে দেয়। তুমি টাকা দেওয়ার কে হে?’’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.