
গির্জানগর: পর্ব ৫
‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

‘ইহুদিরা কলকাতায় এসেছিলেন মূলত ব্যবসার সূত্রে। মনে করা হয়, কলকাতায় আসা প্রথম ইহুদির নাম, শালোম বেন অ্যারন বেন ওবাদিয়া হাকোহেন। তবে তার আগে লিয়ন প্রাগার নামে একজন ইহুদি বণিক কলকাতায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।’

‘১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত, সদর স্ট্রিটে অবস্থিত ওয়েসলেয়ান মেথডিস্টদের এই উপাসনালয়টি আগে ওয়েসলেয়ান মেথডিস্ট চার্চ নামে পরিচিত ছিল, তবে বর্তমানে এটির নাম সি.এন.আই ওয়েসলেয়ান চার্চ। এই চার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশি উদবাস্তুদের পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।’

‘বিধান সরণিতে অবস্থিত কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গির্জা বা ক্রাইস্ট চার্চ তৈরির পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ‘অ-খ্রিস্টান’ নেটিভ এলাকায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার। সে-কারণে গির্জা নির্মাণের জন্য, প্রথমে কলেজ স্কোয়ারে হিন্দু কলেজের কাছে কেনা হয়েছিল একখণ্ড জমি।’

“কলকাতা শহরে আগত তামিলরা শুধু ক্যাথলিক হননি, তাদের অনেকে প্রোটেস্ট্যান্ট বিশ্বাসে যিশুকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন, যেমনটি ধারণ করে আছে তাদের গির্জা “সেন্ট স্যাভিওর’স চার্চ” (১৮৪৯)। গির্জাটি তৈরি হয়েছিল ‘ইউনাইটেড সোসাইটি ফর দ্য প্রোপাগেশন অফ দ্য গসপেল’-এর সহায়তায়। তবে ১৯৩৮ সালের আগে অবধি এই গির্জার ভেতরে তারা প্রার্থনা করত না, ততদিন অবধি এই গির্জা বাঙালি মণ্ডলীর ছিল, তামিলরা প্রার্থনা করত গির্জার বাইরে প্যারিশ হলে।”

ঔপনিবেশিক আমলে কলকাতার বুকে গড়ে ওঠা গির্জাগুলি আসলে ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। কলকাতার প্রথম বিশপ থমাস মিডলটন বিশ্বাস করতেন, সকল গির্জা সুউচ্চ চূড়া যুক্ত হওয়া উচিত, যাতে সেগুলি খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের সাক্ষ্য হিসাবে সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2026 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.