March 4, 2026

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক : পর্ব ১০৯

এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল, ইজরায়েলি সৈন্যরা প্যালেস্তাইনের ১৪ বছর বয়সি এক ছেলেকে গুলি করে, ঘিরে দাঁড়িয়ে ৪৫ মিনিট ধরে তার মরে যাওয়া দেখছে, তার মা’কে বা অ্যাম্বুল্যান্সকে কাছে আসতে দিচ্ছে না। এই চূড়ান্ত অমানবিকতার ছবি আমাদের শিউরে তোলে।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক : পর্ব ১০৮

আফগানিস্তানে তালিবান নতুন আইন আনছে— স্বামী স্ত্রীকে পেটাতে পারবে, যতক্ষণ না হাড় ভাঙছে বা খোলা ক্ষত দেখা যাচ্ছে। তার মানে, গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হল। স্ত্রীকে স্বামীর সম্পত্তিই ঘোষণা করা হল। অন্য বড় দেশগুলো কিন্তু বিরাট তিরস্কার করছে না, বরং দিব্যি ব্যবসায়িক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখছে।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

ছায়াবাজি : পর্ব ৪৫

ভিক্টর ও নোরা একইরকম, দু-জনেই শিল্পটা ভাল পারে, মানুষের সঙ্গে সংযোগটা পারে না। ভিক্টর যখন আগনেসকে বলে, তোর ছেলেকে আমার সিনেমায় একটা পার্ট দেব, আগনেস বলে, তোমার ছবিতে আমি যখন অভিনয় করেছিলাম, আমি ছিলাম তোমার সবচেয়ে যত্ন ও আদরের পাত্রী, মনে হত আমিই আছি মহাবিশ্বের কেন্দ্রে। যেই ছবি শেষ হয়ে গেল, আর আমি তোমাকে বহুকাল দেখতেই পেলাম না। পরের ছবির লোকেরা হয়ে গেল তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জয়ন্ত দে

অলিগলির কালীঘাট : পর্ব ৯

‘‘রিন্টুদা ছিল রোগা লম্বা, খাঁড়া নাক, বাঁটুল কার্টিং চুল। রিন্টুদা চিন্টুর জাঠতুতো দাদা। তখন দাদা-দিদিরা বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ হত, কেননা সিলেবাসে শরৎচন্দ্রের ‘মেজদা’ ছিল। সবাই মেজদা। রিন্টুদা আমাদের সঙ্গে কথা বলত না। আমরা ছোট, পুঁচকে, অর্বাচীন, গাধা, গরু, বলদ, নেংটি— আমাদের সঙ্গে কী কথা বলবে। ওই জাঠতুতো দাদা রিন্টুদা ছিল মহা গুলবাজ। পড়াশোনায় ভাল, কালীঘাটের কোনও দোষ পায়নি। কাগজে তামাক ভরে ঠোঁট বুলিয়ে বেশ কায়দা করে সিগারেট বানিয়ে খেত। তার আগে কাউকে অমনটি দেখিনি।’’